আজ ০৩:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
সড়ক দুর্ঘটনা এড়াতে চালক ও পথচারী উভয়কেই সচেতন হতে হবে : জেলা প্রশাসক সোহাগ পরিবহনের ধাক্কায় সাতক্ষীরায় গুড় ব্যবসায়ী নিহত দেবহাটায় অনিকেত আলাম ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ৪শ পরিবারে লিচুর চারা বিতরণ খর্ণিয়া হাইস্কুলে সভাপতি নির্বাচিত  মোজাহিদ কুলিয়া ভূমি অফিসে ঘুষের অভিযোগ: এক কর্মকর্তাকে ঘিরে বারবার একই প্রশ্ন, তদন্ত হবে কবে? আশাশুনিতে ২০০ ফুট সড়কেই ৩০–৪০ গর্ত, দ্রুত সংস্কারের দাবি শ্যামনগরে অপহরণের ঘটনাকে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন কালিগঞ্জে রিপনকে ঘিরে তোলপাড়, আপত্তিকর অবস্থার ভিডিও ভাইরাল প্রেমের টানে সীমান্ত পাড়ি, দুই বছর ধরে কারাগারে বাদল বিনা চিকিৎসায় আর কারও মৃত্যু দেখতে চাই না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
নিহত-আহত ২৭ পরিবারের মাঝে ৯৭ লাখ টাকার চেক প্রদান

সড়ক দুর্ঘটনা এড়াতে চালক ও পথচারী উভয়কেই সচেতন হতে হবে : জেলা প্রশাসক

  • আব্দুর রহমান
  • আপডেট সময়: ০৮:৫৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
  • ২১ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৫ জন ও আহত ১২ জনের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ৯৭ লাখ টাকার ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবুল হাশেমের সভাপতিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ২৭ পরিবারের সদস্যদের হাতে এসব চেক তুলে দেন জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ। এসময় তিনি বলেন, বাংলাদেশে জনসংখ্যা বেশি হওয়ায় সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যাও বেশি। দুর্ঘটনা কমাতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছে। একটি জীবনহানির ক্ষতি কোনো অর্থ দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়। তবে পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি দুর্ঘটনায় মারা গেলে বা পঙ্গু হয়ে গেলে পরিবারটি যে দুরাবস্থার মধ্যে পড়ে, তা কেবল ওই পরিবারের সদস্যরাই অনুভব করতে পারেন। তিনি বলেন, দুর্ঘটনাকবলিত পরিবারের পাশে দাঁড়াতেই সরকার ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করেছে। সরকারের দেওয়া অর্থ যথাযথভাবে ব্যবহার করে অভিভাবক হারানো পরিবারগুলোকে স্বাবলম্বী করার চেষ্টা করতে হবে। পাশাপাশি সড়ক দুর্ঘটনা এড়াতে চালক ও পথচারী উভয়কেই সচেতন হতে হবে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সাতক্ষীরা সার্কেলের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ জামির হোসেন, জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আবুল কালাম বাবলা ও সাতক্ষীরা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুর রউফ। অনুষ্ঠানে বিআরটিএ সাতক্ষীরা কার্যালয়ের মোটরযান পরিদর্শক মো. ওমর ফারুক, মেকানিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট মো. ওবায়দুর রহমান, উচ্চমান সহকারী নাসিরউদ্দিনসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বিআরটিএর ট্রাস্টি বোর্ডের সহায়তায় নিহত ১৫ জনের পরিবারের সদস্যদের প্রত্যেককে পাঁচ লাখ টাকা করে চেক দেওয়া হয়। চেক গ্রহণ করেন রমেশ চন্দ্র মৃধা, সুমাইয়া পারভীন, সাঈদ আলী, জি এম শাহানুর রহমান, মো. ওজিয়ার রহমান গাজী, রিজাউল ইসলাম মিঠু, কামরুন্নাহার, সুকজান খাতুন, এম এস টি এলিজা আক্তার, মমতাজ পারভীন, চপলা কর্মকার, সুপ্রিয়া রানী খাঁ, মো. আব্দুস ছালাম, তাপিয়া সুলতানা ও আব্দুস ছালাম। এ ছাড়া আহত সাতজনের পরিবারকে এক লাখ টাকা করে এবং আরও পাঁচজনকে তিন লাখ টাকা করে চেক দেওয়া হয়। আহতদের মধ্যে রাজু পাড়, মো. কবির উদ্দিন বিশ্বাস, মো. জামাল উদ্দিন, মকছেদ সানা, আবুল হোসেন সানা, মো. মঈনুর ইসলাম ও মো. মফিজুল ইসলাম এক লাখ টাকা করে এবং মো. জনাব আলী, মিতা দাশ, বিউটি খাতুন, মো. সাহাদাত গাজী ও সামিম তিন লাখ টাকা করে পেয়েছেন।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

সড়ক দুর্ঘটনা এড়াতে চালক ও পথচারী উভয়কেই সচেতন হতে হবে : জেলা প্রশাসক

নিহত-আহত ২৭ পরিবারের মাঝে ৯৭ লাখ টাকার চেক প্রদান

সড়ক দুর্ঘটনা এড়াতে চালক ও পথচারী উভয়কেই সচেতন হতে হবে : জেলা প্রশাসক

আপডেট সময়: ০৮:৫৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৫ জন ও আহত ১২ জনের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ৯৭ লাখ টাকার ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবুল হাশেমের সভাপতিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ২৭ পরিবারের সদস্যদের হাতে এসব চেক তুলে দেন জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ। এসময় তিনি বলেন, বাংলাদেশে জনসংখ্যা বেশি হওয়ায় সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যাও বেশি। দুর্ঘটনা কমাতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছে। একটি জীবনহানির ক্ষতি কোনো অর্থ দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়। তবে পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি দুর্ঘটনায় মারা গেলে বা পঙ্গু হয়ে গেলে পরিবারটি যে দুরাবস্থার মধ্যে পড়ে, তা কেবল ওই পরিবারের সদস্যরাই অনুভব করতে পারেন। তিনি বলেন, দুর্ঘটনাকবলিত পরিবারের পাশে দাঁড়াতেই সরকার ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করেছে। সরকারের দেওয়া অর্থ যথাযথভাবে ব্যবহার করে অভিভাবক হারানো পরিবারগুলোকে স্বাবলম্বী করার চেষ্টা করতে হবে। পাশাপাশি সড়ক দুর্ঘটনা এড়াতে চালক ও পথচারী উভয়কেই সচেতন হতে হবে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সাতক্ষীরা সার্কেলের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ জামির হোসেন, জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আবুল কালাম বাবলা ও সাতক্ষীরা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুর রউফ। অনুষ্ঠানে বিআরটিএ সাতক্ষীরা কার্যালয়ের মোটরযান পরিদর্শক মো. ওমর ফারুক, মেকানিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট মো. ওবায়দুর রহমান, উচ্চমান সহকারী নাসিরউদ্দিনসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বিআরটিএর ট্রাস্টি বোর্ডের সহায়তায় নিহত ১৫ জনের পরিবারের সদস্যদের প্রত্যেককে পাঁচ লাখ টাকা করে চেক দেওয়া হয়। চেক গ্রহণ করেন রমেশ চন্দ্র মৃধা, সুমাইয়া পারভীন, সাঈদ আলী, জি এম শাহানুর রহমান, মো. ওজিয়ার রহমান গাজী, রিজাউল ইসলাম মিঠু, কামরুন্নাহার, সুকজান খাতুন, এম এস টি এলিজা আক্তার, মমতাজ পারভীন, চপলা কর্মকার, সুপ্রিয়া রানী খাঁ, মো. আব্দুস ছালাম, তাপিয়া সুলতানা ও আব্দুস ছালাম। এ ছাড়া আহত সাতজনের পরিবারকে এক লাখ টাকা করে এবং আরও পাঁচজনকে তিন লাখ টাকা করে চেক দেওয়া হয়। আহতদের মধ্যে রাজু পাড়, মো. কবির উদ্দিন বিশ্বাস, মো. জামাল উদ্দিন, মকছেদ সানা, আবুল হোসেন সানা, মো. মঈনুর ইসলাম ও মো. মফিজুল ইসলাম এক লাখ টাকা করে এবং মো. জনাব আলী, মিতা দাশ, বিউটি খাতুন, মো. সাহাদাত গাজী ও সামিম তিন লাখ টাকা করে পেয়েছেন।