সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ জিয়া স্মৃতি পরিষদের আহ্বায়ক ও নিজেকে সাংবাদিক হিসেবে পরিচয়দানকারী রিপন হোসেনকে এক নারীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় আটকের অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় নতুন করে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, সাতক্ষীরা শহরের কাটিয়া এলাকার লস্করপাড়ায় একটি বাসায় স্থানীয়রা তাকে ওই নারীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করেন। পরে স্থানীয় পর্যায়ে বিষয়টি মীমাংসার পর তিনি সেখান থেকে চলে যান বলে অভিযোগ।
https://www.facebook.com/reel/1260845002771384/?app=fbl
ঘটনার পর ওই নারী ও রিপন হোসেনকে ঘিরে ধারণকৃত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
অভিযোগের বিষয়টি নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই রিপন হোসেনকে কালিগঞ্জ উপজেলা জিয়া স্মৃতি পরিষদের আহ্বায়ক পদে বহাল রাখায় স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে প্রশ্ন উঠেছে। অনেকের প্রশ্ন একজন নেতার বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগ ও
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পরও বিষয়টি নিয়ে সংগঠনের পক্ষ থেকে কোনো তদন্ত বা সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না।
এদিকে স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ, রিপন হোসেন দীর্ঘদিন ধরে কালিগঞ্জ থানার রাজনীতিতে প্রভাবশালী হিসেবে পরিচিত উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক রোকনুজ্জামান রোকনের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করছেন। তার ছত্রছায়ায় বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে চাঁদা দাবির অভিযোগও রয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে জিয়া স্মৃতি পরিষদের আহ্বায়ক পরিচয়দানকারী রিপন হোসেন বলেন, “বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য কাদেরের স্ত্রীর সঙ্গে লস্করপাড়ার একটি বাড়িতে আমাকে স্থানীয়রা আপত্তিকর অবস্থায় আটক করেছিল এটা সত্য। তবে পুরো ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত ছিল।
তবে ঘটনাটি কারা, কী উদ্দেশ্যে এবং কীভাবে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ঘটিয়েছে সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি।
স্থানীয়দের দাবি, অভিযোগের বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করা হোক। একই সঙ্গে কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি কিংবা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ থাকলে তারও তদন্ত করে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
স্টাফ রিপোর্টার, 

















