আজ ০২:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
দেবহাটায় অনিকেত আলাম ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ৪শ পরিবারে লিচুর চারা বিতরণ খর্ণিয়া হাইস্কুলে সভাপতি নির্বাচিত  মোজাহিদ কুলিয়া ভূমি অফিসে ঘুষের অভিযোগ: এক কর্মকর্তাকে ঘিরে বারবার একই প্রশ্ন, তদন্ত হবে কবে? আশাশুনিতে ২০০ ফুট সড়কেই ৩০–৪০ গর্ত, দ্রুত সংস্কারের দাবি শ্যামনগরে অপহরণের ঘটনাকে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন কালিগঞ্জে রিপনকে ঘিরে তোলপাড়, আপত্তিকর অবস্থার ভিডিও ভাইরাল প্রেমের টানে সীমান্ত পাড়ি, দুই বছর ধরে কারাগারে বাদল বিনা চিকিৎসায় আর কারও মৃত্যু দেখতে চাই না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী এল নিনোর প্রভাবে ২০২৭ হতে পারে সবচেয়ে উষ্ণ বছর কাশিমাড়ি শ্রমিক লীগের হাসনাত হাসু’র অত্যাচারে ভূমি দস্যু চাঁদাবাজ নিপীড়ন থেকে রক্ষা পেতে মানববন্ধন

আশাশুনিতে ২০০ ফুট সড়কেই ৩০–৪০ গর্ত, দ্রুত সংস্কারের দাবি

আশাশুনি উপজেলা সদরের ভাঙ্গা সড়কের খণ্ডচিত্র

আশাশুনি উপজেলা সদরের আমিন মার্কেটের মোড় থেকে ব্রীজ পর্যন্ত মাত্র ২০০ ফুট পিচের সড়ক এখন যেন দুর্ভোগের প্রতিচ্ছবি। দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে পিচ উঠে গিয়ে সড়কজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে ছোট-বড় অন্তত ৩০-৪০টি গর্ত। গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি বর্তমানে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় প্রতিদিন চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন পথচারী ও যানবাহন চালকরা। দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী,পথচারী ও সচেতন মহল।

সরেজমিনে দেখা গেছে,সড়কের বিভিন্ন স্থানে পিচ উঠে গিয়ে ছোট-বড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও গর্ত এতটাই গভীর যে,যানবাহন চলাচলে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই এসব গর্তে পানি জমে যায়। এতে গর্তের গভীরতা বোঝা না যাওয়ায় মোটরসাইকেল,ইজিবাইক,ভ্যান ও ইঞ্জিনভ্যান চালকদের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ,দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির এমন বেহাল দশা হলেও স্থায়ী সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে দিন দিন সড়কের অবস্থা আরও খারাপ হচ্ছে। বিশেষ করে শিক্ষার্থী,বয়স্ক ব্যক্তি ও পথচারীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। সড়কটির দুই পাশে রয়েছে- পানি উন্নয়ন বোর্ড(ওয়াপদা) অফিস,সোনালী ব্যাংক, সেটেলমেন্ট অফিস,এনজিও অফিস,তিনটি অটো রাইস মিল,দুটি মসজিদ,মোটরসাইকেল ও ভ্যান চালক সমিতির অফিস,স’মিল,হোটেল,দুটি লেদ মেশিনের প্রতিষ্ঠানসহ অসংখ্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। ফলে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এ সড়কে মানুষের ব্যাপক চলাচল থাকে। এছাড়া আশাশুনি সরকারি কলেজ,মহিলা কলেজ, পোস্ট অফিস,ফায়ার সার্ভিস,মুক্তিযোদ্ধা ভবন অফিস,সদর ইউনিয়ন নায়েব অফিস,টেলিফোন অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী,কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ প্রতিদিন এ সড়ক দিয়ে যাতায়াত করেন। সাতক্ষীরা-ঘোলা সড়কের মিনিবাস, ভ্যান,সাইকেল,মোটরসাইকেল,ইজিবাইক,ইঞ্জিনভ্যান ও প্রাইভেটকারসহ শত শত যানবাহনের চাপও পড়ে এ সড়কে। স্থানীয় হোটেল ব্যবসায়ী আবু ছাদেক মোড়ল ও চাউল ব্যবসায়ী ফজলুর রহমান পিন্টু বলেন,সড়কটির এমন বেহাল অবস্থার কারণে প্রতিদিনই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে শিক্ষার্থী,বয়স্ক মানুষ এবং মোটরসাইকেল ও ভ্যান চালকদের ভোগান্তি বেশি। দ্রুত সংস্কার না হলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী অনিন্দ্য দেব সরকার বলেন,সড়কটির সংস্কারের জন্য ইস্টিমেট করা হয়েছে। খুব দ্রুতই সড়কটির সংস্কার কাজ করা হবে।

স্থানীয় সচেতন মহল বলেন,উপজেলা সদরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কের মাত্র ২০০ ফুট অংশে ৩০-৪০টি গর্ত সৃষ্টি হয়ে জনদুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। জনসাধারণের দুর্ভোগ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত সড়কটি সংস্কারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর পদক্ষেপ নেবে—এমন প্রত্যাশা ভুক্তভোগীদের।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

দেবহাটায় অনিকেত আলাম ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ৪শ পরিবারে লিচুর চারা বিতরণ

আশাশুনিতে ২০০ ফুট সড়কেই ৩০–৪০ গর্ত, দ্রুত সংস্কারের দাবি

আপডেট সময়: ০২:৩৯:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

আশাশুনি উপজেলা সদরের আমিন মার্কেটের মোড় থেকে ব্রীজ পর্যন্ত মাত্র ২০০ ফুট পিচের সড়ক এখন যেন দুর্ভোগের প্রতিচ্ছবি। দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে পিচ উঠে গিয়ে সড়কজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে ছোট-বড় অন্তত ৩০-৪০টি গর্ত। গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি বর্তমানে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় প্রতিদিন চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন পথচারী ও যানবাহন চালকরা। দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী,পথচারী ও সচেতন মহল।

সরেজমিনে দেখা গেছে,সড়কের বিভিন্ন স্থানে পিচ উঠে গিয়ে ছোট-বড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও গর্ত এতটাই গভীর যে,যানবাহন চলাচলে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই এসব গর্তে পানি জমে যায়। এতে গর্তের গভীরতা বোঝা না যাওয়ায় মোটরসাইকেল,ইজিবাইক,ভ্যান ও ইঞ্জিনভ্যান চালকদের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ,দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির এমন বেহাল দশা হলেও স্থায়ী সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে দিন দিন সড়কের অবস্থা আরও খারাপ হচ্ছে। বিশেষ করে শিক্ষার্থী,বয়স্ক ব্যক্তি ও পথচারীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। সড়কটির দুই পাশে রয়েছে- পানি উন্নয়ন বোর্ড(ওয়াপদা) অফিস,সোনালী ব্যাংক, সেটেলমেন্ট অফিস,এনজিও অফিস,তিনটি অটো রাইস মিল,দুটি মসজিদ,মোটরসাইকেল ও ভ্যান চালক সমিতির অফিস,স’মিল,হোটেল,দুটি লেদ মেশিনের প্রতিষ্ঠানসহ অসংখ্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। ফলে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এ সড়কে মানুষের ব্যাপক চলাচল থাকে। এছাড়া আশাশুনি সরকারি কলেজ,মহিলা কলেজ, পোস্ট অফিস,ফায়ার সার্ভিস,মুক্তিযোদ্ধা ভবন অফিস,সদর ইউনিয়ন নায়েব অফিস,টেলিফোন অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী,কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ প্রতিদিন এ সড়ক দিয়ে যাতায়াত করেন। সাতক্ষীরা-ঘোলা সড়কের মিনিবাস, ভ্যান,সাইকেল,মোটরসাইকেল,ইজিবাইক,ইঞ্জিনভ্যান ও প্রাইভেটকারসহ শত শত যানবাহনের চাপও পড়ে এ সড়কে। স্থানীয় হোটেল ব্যবসায়ী আবু ছাদেক মোড়ল ও চাউল ব্যবসায়ী ফজলুর রহমান পিন্টু বলেন,সড়কটির এমন বেহাল অবস্থার কারণে প্রতিদিনই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে শিক্ষার্থী,বয়স্ক মানুষ এবং মোটরসাইকেল ও ভ্যান চালকদের ভোগান্তি বেশি। দ্রুত সংস্কার না হলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী অনিন্দ্য দেব সরকার বলেন,সড়কটির সংস্কারের জন্য ইস্টিমেট করা হয়েছে। খুব দ্রুতই সড়কটির সংস্কার কাজ করা হবে।

স্থানীয় সচেতন মহল বলেন,উপজেলা সদরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কের মাত্র ২০০ ফুট অংশে ৩০-৪০টি গর্ত সৃষ্টি হয়ে জনদুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। জনসাধারণের দুর্ভোগ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত সড়কটি সংস্কারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর পদক্ষেপ নেবে—এমন প্রত্যাশা ভুক্তভোগীদের।