আজ ০৩:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
জলবায়ু সহনশীলতা স্থানীয় বাস্তবতার ভিত্তিতে তৈরি হওয়া জরুরি: উপকূলীয় বাংলাদেশের একটি দৃষ্টিভঙ্গি সংরক্ষিত সংসদ সদস্য বিথীকা বিনতে হোসেনের সঙ্গে আব্দুর রউফের সৌজন্য সাক্ষাৎ বহিষ্কৃতদের সঙ্গে সাংগঠনিক কার্যক্রম, মথুরেশপুর ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতিকে শোকজ সাতক্ষীরায় চাঞ্চল্যকর গৃহবধূ চন্দনা গুম মামলা প্রধান আসামি ভেন্ডার রবি আটক ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সম্প্রীতি রক্ষায় দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত কালিগঞ্জে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার কালিগঞ্জে পিআইও মফিজের বিরুদ্ধে কমিশন ও কাজ ছাড়াই বিল ছাড়ের অভিযোগ বিদ্যুৎ সংযোগ নেই, মিটারও বসেনি—তবু ৬৯২ টাকার বিল ! ১০০ কোটি ডলারের চুক্তি ইস্টার্ন রিফাইনারি আধুনিকায়নে শ্যামনগরে চলাচলের পথ নিয়ে বিরোধ, একই পরিবারের চারজনকে মারধর

বেতনা নদী রক্ষায় নাগরিক উদ্যোগ ও রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতা শীর্ষক আলোচনা সভা

  • আব্দুর রহমান
  • আপডেট সময়: ০৯:৩৫:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬২৬ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরীতে শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় এএলআরডি ঢাকা-এর সহযোগিতায় উন্নয়ন সংস্থা স্বদেশ ও সমমনা নেটওয়ার্ক সদস্য সংগঠনের উদ্যোগে “বেতনা নদী সুরক্ষায় নাগরিক উদ্যোগ ও রাষ্ট্রের দায়িত্ব” শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি মোঃ আমিনুর রসুল, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নাগরিক প্রতিনিধি ও বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)-এর কোষাধ্যক্ষ। তিনি বলেন, বেতনা নদীসহ সাতক্ষীরার বড় নদী ও সংযোগ খালগুলোর স্বাভাবিক প্রবাহ রক্ষায় স্থানীয় জনগণকে দায়িত্বশীল হতে হবে। তিনি নদী দখলমুক্ত রাখা, নদীর স্লুইস গেটের কার্যকারিতা পুনরুদ্ধার এবং বহুপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে নদী সংরক্ষণে কার্যকর সমাধান নেওয়ার গুরুত্বও উল্লেখ করেন। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড-২-এর সাব-সহকারী ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আশিকুর রহমান। এছাড়া উন্নয়ন কর্মী আশেক-ই এলাহি, জেলা নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক এড. আজাদ হোসেন বেলাল, বাপা সাতক্ষীরা জেলা সভাপতি এড. আবুল কালাম আজাদ, এবং প্রফেসর মোজাম্মেল হকসহ অন্যান্য অতিথিরা অংশগ্রহণ করেন।
সভায় নদী রক্ষায় গৃহীত সুপারিশগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য: আধুনিক পদ্ধতিতে নিয়মিত খনন (ড্রেজিং) এবং প্রতি ৫ বছরে পুনঃখনন। স্থানীয় জনগণ, প্রশাসন ও এনজিওকে যুক্ত করে দখলমুক্ত উদ্যোগ গ্রহণ। পানি প্রবাহের স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনতে নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আধুনিকায়ন। নদী ও খালে মিঠাপানি চলাচল নিশ্চিত করা। স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান দিয়ে নদীর জলপ্রবাহ ও গঠন পরিবর্তন নিয়ে গবেষণা। নদী সংরক্ষণ কমিটি গঠন, বাঁধ সংরক্ষণে বৃক্ষরোপণ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা। নদী রক্ষা আইন ২০১৩ এবং পরিবেশ সংরক্ষণ আইন কার্যকর প্রয়োগ। সভায় অন্য বক্তারা হিসেবে বক্তব্য দেন আলীনুরখান বাবুল, আঃ সামাদ, মফিজুর রহমান, কওসার আলী, মৃনাল সরকার, জ্যোৎস্না দত্ত, মধুসুদন মন্ডল, রুবেল হাসান, লুইস রানা গাইন, এম. কামরুজ্জামান প্রমুখ। সভায় লিখিত আলোচনাপত্র পাঠ করেন মাধব চন্দ্র দত্ত।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

জলবায়ু সহনশীলতা স্থানীয় বাস্তবতার ভিত্তিতে তৈরি হওয়া জরুরি: উপকূলীয় বাংলাদেশের একটি দৃষ্টিভঙ্গি

বেতনা নদী রক্ষায় নাগরিক উদ্যোগ ও রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতা শীর্ষক আলোচনা সভা

আপডেট সময়: ০৯:৩৫:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরীতে শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় এএলআরডি ঢাকা-এর সহযোগিতায় উন্নয়ন সংস্থা স্বদেশ ও সমমনা নেটওয়ার্ক সদস্য সংগঠনের উদ্যোগে “বেতনা নদী সুরক্ষায় নাগরিক উদ্যোগ ও রাষ্ট্রের দায়িত্ব” শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি মোঃ আমিনুর রসুল, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নাগরিক প্রতিনিধি ও বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)-এর কোষাধ্যক্ষ। তিনি বলেন, বেতনা নদীসহ সাতক্ষীরার বড় নদী ও সংযোগ খালগুলোর স্বাভাবিক প্রবাহ রক্ষায় স্থানীয় জনগণকে দায়িত্বশীল হতে হবে। তিনি নদী দখলমুক্ত রাখা, নদীর স্লুইস গেটের কার্যকারিতা পুনরুদ্ধার এবং বহুপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে নদী সংরক্ষণে কার্যকর সমাধান নেওয়ার গুরুত্বও উল্লেখ করেন। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড-২-এর সাব-সহকারী ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আশিকুর রহমান। এছাড়া উন্নয়ন কর্মী আশেক-ই এলাহি, জেলা নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক এড. আজাদ হোসেন বেলাল, বাপা সাতক্ষীরা জেলা সভাপতি এড. আবুল কালাম আজাদ, এবং প্রফেসর মোজাম্মেল হকসহ অন্যান্য অতিথিরা অংশগ্রহণ করেন।
সভায় নদী রক্ষায় গৃহীত সুপারিশগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য: আধুনিক পদ্ধতিতে নিয়মিত খনন (ড্রেজিং) এবং প্রতি ৫ বছরে পুনঃখনন। স্থানীয় জনগণ, প্রশাসন ও এনজিওকে যুক্ত করে দখলমুক্ত উদ্যোগ গ্রহণ। পানি প্রবাহের স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনতে নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আধুনিকায়ন। নদী ও খালে মিঠাপানি চলাচল নিশ্চিত করা। স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান দিয়ে নদীর জলপ্রবাহ ও গঠন পরিবর্তন নিয়ে গবেষণা। নদী সংরক্ষণ কমিটি গঠন, বাঁধ সংরক্ষণে বৃক্ষরোপণ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা। নদী রক্ষা আইন ২০১৩ এবং পরিবেশ সংরক্ষণ আইন কার্যকর প্রয়োগ। সভায় অন্য বক্তারা হিসেবে বক্তব্য দেন আলীনুরখান বাবুল, আঃ সামাদ, মফিজুর রহমান, কওসার আলী, মৃনাল সরকার, জ্যোৎস্না দত্ত, মধুসুদন মন্ডল, রুবেল হাসান, লুইস রানা গাইন, এম. কামরুজ্জামান প্রমুখ। সভায় লিখিত আলোচনাপত্র পাঠ করেন মাধব চন্দ্র দত্ত।