আলোচিত ভাইরাল ভিডিওকাণ্ডে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কৃত সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর-কালীগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের সংসদ সদস্য পদ বাতিলের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে শ্যামনগর। সর্বস্তরের ওলামায়ে কেরাম, তৌহিদী জনতা ও সচেতন নাগরিক সমাজের ব্যানারে মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সকাল ১১টায় শ্যামনগর উপজেলা নির্বাচন অফিস চত্বরে সর্বস্তরের ওলামায়ে কেরাম ও তৌহিদী জনতার উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। একই সময়ে সচেতন নাগরিক সমাজের আয়োজনে উপজেলার ঈশ্বরীপুর, কাশিমাড়ী, নুরনগর ও ভূরুলিয়া ইউনিয়নে পৃথকভাবে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা সদরের মানববন্ধনে মো. ফরিদুজ্জামানের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম। নুরনগর বাজারে বিক্ষোভ মিছিল শেষে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন নুরনগর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম আলমগীর।
ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের বংশীপুর বাজারে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে গ্রাম চিকিৎসক আব্দুল হালিমের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন শ্যামনগর উপজেলা ঠিকাদার কল্যাণ সমিতির সভাপতি আছাদুল্লাহ বাহার আছু, অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম খলিল এবং ঈশ্বরীপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাদেকুর রহমান। কাশিমাড়ী বাজারে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য দেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সোলাইমান করির, আজিজুল ঢালীসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে আসা ঘটনাটি শুধু একজন ব্যক্তির নয়, বরং সমাজের নৈতিক মূল্যবোধ ও জনআস্থার ওপর আঘাত হেনেছে। তারা অভিযোগ করেন, একজন জনপ্রতিনিধির এমন কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম বলেন, “নৈতিক স্খলনের ঘটনায় আপনি শুধু নিজের সম্মান ক্ষুণ্ন করেননি, বরং আলেম সমাজের মর্যাদাও প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন। তাই আপনাকে আর জাতীয় সংসদে দেখতে চাই না। অনতিবিলম্বে পদত্যাগ করুন, অন্যথায় আরও বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা দাবি করেন, ভাইরাল ভিডিওকাণ্ডের পর গাজী নজরুল ইসলাম সংসদ সদস্য হিসেবে নৈতিক ও জনসমর্থনের বৈধতা হারিয়েছেন। তারা অবিলম্বে তার সংসদ সদস্য পদ বাতিলের দাবি জানান এবং বলেন, “যতদিন পর্যন্ত তার সংসদ সদস্য পদ বাতিল না হবে, ততদিন আন্দোলন চলবে।
শ্যামনগর ব্যুরো, 














