আজ ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
গাজী নজরুলের এমপি পদ বাতিলের দাবিতে উত্তাল শ্যামনগর, মানববন্ধন-বিক্ষোভ অব্যাহত মাদার নদীর উপর বাঁশের সাঁকোর স্থলে সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন সম্পাদক-পত্নীর মৃত্যুতে দৈনিক দক্ষিণের মশাল পরিবারের গভীর শোক সম্পাদক আশেক-ই-এলাহীর সহধর্মিণীর ইন্তেকালে দৈনিক দক্ষিণের মশাল পরিবারের গভীর শোক আপত্তিকর ভিডিও বিতর্ক বহিষ্কার হলেন গাজী নজরুল, এমপি পদ কি থাকবে? সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ থানার অভিযানে মাদক মামলার আসামিসহ ৯ জন আটক সাতক্ষীরার সাবেক ডিসি হুমায়ূন কবীরের কাছে সাড়ে ৪ কোটি টাকার ডলার বিক্রির দাবি দুই ব্যবসায়ীর প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ দুই ব্যবসায়ীর ডলার কেলেঙ্কারির অভিযোগে তোলপাড় সাতক্ষীরা,তদন্তের দাবি জোরালো আশাশুনিতে পুলিশের অভিযানে চার জুয়াড়ি গ্রেপ্তার

সাতক্ষীরা মুক্ত দিবস পালিত

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০১:৫৭:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২৭৩ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার: নানা আয়োজনে ও যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে গৌরবোজ্জ্বল সাতক্ষীরা মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সাতক্ষীরা জেলা হানাদারমুক্ত হয়। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, সাতক্ষীরা জেলা ইউনিট গ্রহণ করে বিভিন্ন কর্মসূচি। কর্মসূচির মধ্যে ছিল জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত পরিবেশন, শহীদদের আত্মার শান্তি কামনায় নিরবতা পালন, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন। বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ জেলা ইউনিটের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এসব কর্মসূচিতে অংশ নেন জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের স্বজনরা। শোভাযাত্রা শেষে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুজ্জামান খোকন, মিজানুর রহমান, কাজী রিয়াজ, অ্যাডভোকেট মোস্তফা নুরুল আলম, জিল্লুর করিম, মইনুল ইসলাম মইন, সন্তোষ কুমার দাস প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিক আহমেদ মোল্লা। বক্তারা বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা সম্মান ও মর্যাদা নিয়ে বাঁচতে চান। সরকারের বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও সরকারি হাসপাতালে তারা যথাযথ চিকিৎসা ও ওষুধ পান না—যা অত্যন্ত দুঃখজনক। বক্তারা আরও বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান অক্ষুণ্ন রাখতে আগামী প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়ে তুলতে হবে। তারা অভিযোগ করেন, স্বাধীনতা আজও পুরোপুরি নিরাপদ নয়; মুক্তিযোদ্ধাদের ওপর হামলা ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদে অগ্নিসংযোগের ঘটনাই তার প্রমাণ। বক্তাদের মতে, অতীতে রাষ্ট্রক্ষমতায় যারা এসেছে তারা দেশের স্বাধীনতার জন্য আত্মদানকারী মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযোগ্য মর্যাদা দেয়নি। তাই মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ও অধিকার রক্ষায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তারা।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

গাজী নজরুলের এমপি পদ বাতিলের দাবিতে উত্তাল শ্যামনগর, মানববন্ধন-বিক্ষোভ অব্যাহত

সাতক্ষীরা মুক্ত দিবস পালিত

আপডেট সময়: ০১:৫৭:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার: নানা আয়োজনে ও যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে গৌরবোজ্জ্বল সাতক্ষীরা মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সাতক্ষীরা জেলা হানাদারমুক্ত হয়। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, সাতক্ষীরা জেলা ইউনিট গ্রহণ করে বিভিন্ন কর্মসূচি। কর্মসূচির মধ্যে ছিল জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত পরিবেশন, শহীদদের আত্মার শান্তি কামনায় নিরবতা পালন, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন। বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ জেলা ইউনিটের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এসব কর্মসূচিতে অংশ নেন জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের স্বজনরা। শোভাযাত্রা শেষে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুজ্জামান খোকন, মিজানুর রহমান, কাজী রিয়াজ, অ্যাডভোকেট মোস্তফা নুরুল আলম, জিল্লুর করিম, মইনুল ইসলাম মইন, সন্তোষ কুমার দাস প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিক আহমেদ মোল্লা। বক্তারা বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা সম্মান ও মর্যাদা নিয়ে বাঁচতে চান। সরকারের বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও সরকারি হাসপাতালে তারা যথাযথ চিকিৎসা ও ওষুধ পান না—যা অত্যন্ত দুঃখজনক। বক্তারা আরও বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান অক্ষুণ্ন রাখতে আগামী প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়ে তুলতে হবে। তারা অভিযোগ করেন, স্বাধীনতা আজও পুরোপুরি নিরাপদ নয়; মুক্তিযোদ্ধাদের ওপর হামলা ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদে অগ্নিসংযোগের ঘটনাই তার প্রমাণ। বক্তাদের মতে, অতীতে রাষ্ট্রক্ষমতায় যারা এসেছে তারা দেশের স্বাধীনতার জন্য আত্মদানকারী মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযোগ্য মর্যাদা দেয়নি। তাই মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ও অধিকার রক্ষায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তারা।