আজ ০৭:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
নবম পে-স্কেলে দ্বিগুণ বেতন, স্বস্তিতে সরকারি চাকরিজীবীরা; মূল্যস্ফীতি নিয়ে শঙ্কা বেসরকারি চাকরিজীবীদের ‎ডুমুরিয়া হাসপাতালে একদিনে ৬ ডেঙ্গু রোগী ভর্তি উপকূলীয় অঞ্চলে খাল পুনঃখননে উপকৃত হাজার হাজার কৃষক পরিবার সাতক্ষীরায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ইটভাটা দখলের চেষ্টার অভিযোগ মূল বেতন বাড়বে তিন ধাপে, ২০২৮ থেকে কার্যকর নতুন ভাতা ডুমুরিয়ার, চুকনগরে, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের নতুন কমিটি গঠনের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা সাতক্ষীরার আলিপুরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফল করার লক্ষ্যে মতবিনিময় সামেকের রেডিওলজিতে রসিদ ছাড়াই টাকা আদায় বৃহস্পতিবারের মধ্যেই আসতে পারে নবম পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঘটনা নিয়ে দুঃখপ্রকাশ হাসনাত আবদুল্লাহর

মানবিক সেবায় উপকূলবাসীর আস্থার প্রতীক এস এম শাকির হোসেন

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"resize":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

উপকূলীয় শ্যামনগরের মানুষের কাছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সই চিকিৎসার প্রধান ভরসা। এ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ২০০৮ সাল থেকে উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার হিসেবে কর্মরত এস এম শাকির হোসেন। দীর্ঘদিনের কর্মজীবনে চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন।

কালিগঞ্জ উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের সন্তান এস এম শাকির হোসেন তৎকালীন টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল (বর্তমান শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ) থেকে ডিএমএফ সম্পন্ন করে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন। বর্তমানে তিনি শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, দাপ্তরিক দায়িত্বের পাশাপাশি তিনি জরুরি বিভাগের সেবার মান উন্নয়ন, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং রোগীদের দ্রুত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে নিয়মিত কাজ করেন। মানসিক ভারসাম্যহীন, ভবঘুরে ও অসহায় রোগীদের চিকিৎসা, খাবার ও প্রয়োজনীয় পরিচর্যাতেও তিনি ব্যক্তিগতভাবে সহযোগিতা করেন।

সহকর্মীদের মতে, দায়িত্বশীলতা, আন্তরিকতা ও রোগীদের প্রতি মানবিক আচরণের কারণে তিনি এলাকাবাসীর কাছে একজন নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্যকর্মী হিসেবে পরিচিত। হাসপাতালের সেবার পরিবেশ উন্নয়ন এবং অনিয়ম প্রতিরোধেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন।

হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বিষপানজনিত ১৩২ জন রোগী এখানে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। জেলা সিভিল সার্জন ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার সহযোগিতায় সাপে কাটা, কুকুরে কামড়ানো এবং বিষপানকারী রোগীদের বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জিয়াউর রহমান বলেন, এস এম শাকির হোসেন নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর মানবিক উদ্যোগ হাসপাতালের সেবার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. জি এম তরিকুল ইসলাম বলেন, রোগীদের প্রতি তাঁর আন্তরিকতা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি জরুরি বিভাগের সেবাকে আরও কার্যকর করেছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, আধুনিক যন্ত্রপাতি, অবকাঠামো ও পর্যাপ্ত জনবল নিশ্চিত করা গেলে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জন্য আরও উন্নত স্বাস্থ্যসেবা দিতে সক্ষম হবে।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

নবম পে-স্কেলে দ্বিগুণ বেতন, স্বস্তিতে সরকারি চাকরিজীবীরা; মূল্যস্ফীতি নিয়ে শঙ্কা বেসরকারি চাকরিজীবীদের

মানবিক সেবায় উপকূলবাসীর আস্থার প্রতীক এস এম শাকির হোসেন

আপডেট সময়: ১১:৫২:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

উপকূলীয় শ্যামনগরের মানুষের কাছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সই চিকিৎসার প্রধান ভরসা। এ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ২০০৮ সাল থেকে উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার হিসেবে কর্মরত এস এম শাকির হোসেন। দীর্ঘদিনের কর্মজীবনে চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন।

কালিগঞ্জ উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের সন্তান এস এম শাকির হোসেন তৎকালীন টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল (বর্তমান শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ) থেকে ডিএমএফ সম্পন্ন করে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন। বর্তমানে তিনি শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, দাপ্তরিক দায়িত্বের পাশাপাশি তিনি জরুরি বিভাগের সেবার মান উন্নয়ন, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং রোগীদের দ্রুত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে নিয়মিত কাজ করেন। মানসিক ভারসাম্যহীন, ভবঘুরে ও অসহায় রোগীদের চিকিৎসা, খাবার ও প্রয়োজনীয় পরিচর্যাতেও তিনি ব্যক্তিগতভাবে সহযোগিতা করেন।

সহকর্মীদের মতে, দায়িত্বশীলতা, আন্তরিকতা ও রোগীদের প্রতি মানবিক আচরণের কারণে তিনি এলাকাবাসীর কাছে একজন নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্যকর্মী হিসেবে পরিচিত। হাসপাতালের সেবার পরিবেশ উন্নয়ন এবং অনিয়ম প্রতিরোধেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন।

হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বিষপানজনিত ১৩২ জন রোগী এখানে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। জেলা সিভিল সার্জন ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার সহযোগিতায় সাপে কাটা, কুকুরে কামড়ানো এবং বিষপানকারী রোগীদের বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জিয়াউর রহমান বলেন, এস এম শাকির হোসেন নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর মানবিক উদ্যোগ হাসপাতালের সেবার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. জি এম তরিকুল ইসলাম বলেন, রোগীদের প্রতি তাঁর আন্তরিকতা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি জরুরি বিভাগের সেবাকে আরও কার্যকর করেছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, আধুনিক যন্ত্রপাতি, অবকাঠামো ও পর্যাপ্ত জনবল নিশ্চিত করা গেলে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জন্য আরও উন্নত স্বাস্থ্যসেবা দিতে সক্ষম হবে।