আজ ০৫:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
১৮০ দিনের মূল্যায়ন শেষে মন্ত্রিসভায় বড় পরিবর্তনের আভাস শ্যামনগরের উপকূলীয় কৈখালী ভূমি অফিসে জরাজীর্ণ টিন সেটে চলছে দুই ইউনিয়নের ভূমি সেবা আশাশুনির তেতুলিয়া-টিকা সড়কের কোদালশাহ স্লুইস গেটে ধস,প্লাবনের শঙ্কায় ১০ গ্রামের মানুষ দেবহাটা-কালিগঞ্জে সরকারি বরাদ্দের টাকা গিলে খাচ্ছে পিআইও মফিজুর ‘তোমরা আমাদের অবাক করে দিয়েছ’, মিরাজকে গিলক্রিস্ট ট্রলের ‘লর্ড শান্ত’ এখন সত্যিকারের ‘লর্ড’ সাতক্ষীরায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা, র‍্যালি মৎস্য পোনা অবমুক্তকরণ ও পুরস্কার বিতরণ সাতক্ষীরায় বল্লী ইউনিয়নে জমিজমা বিরোধের জেরে নারীসহ পরিবারের ওপর হামলায় থানায় লিখিত অভিযোগ চিকিৎসার আশ্বাসে তালায় এনে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় নারীসহ গ্রেপ্তার ২ শ্যামনগরের উপকূলে রাস্তা সংস্কার না হওয়ায় এলাকাবাসী ধান রোপন করে প্রতিবাদ

কলারোয়ায় বিদ্যালয়ের জমি ফেরত পেতে ইউএনওর হস্তক্ষেপ কামনা

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০৫:২৬:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬
  • ১২৬ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার: সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার পিছলাপোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামে নিবন্ধিত ৯ শতক জমি বিদ্যালয়ের অনুকূলে রেকর্ড ও দখল বুঝিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে আবেদন করেছেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অ্যাডহক কমিটির সভাপতি বরাবর দেওয়া ওই আবেদনে বলা হয়েছে, বিদ্যালয়টির মোট জমির পরিমাণ ৭৩ শতক। এর মধ্যে ৫৮ শতক ২ নং খতিয়ানে এবং ১৫ শতক ২/১ নং খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত। বিদ্যালয়ের নামে ১৯৭৩ সালে দুটি পৃথক নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে মোট ১৫ শতক জমি ক্রয় করা হয় এবং তা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের অনুকূলে নিবন্ধিত রয়েছে। আবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, পরবর্তী সময়ে আরএস রেকর্ড প্রকাশের সময় ২/১ নং খতিয়ানের ৯৬৫ নং দাগের ১৫ শতক জমির মধ্যে ৯ শতক পিছলাপোল ঈদগাহ ময়দানের নামে রেকর্ড করা হয়। অথচ দলিল অনুযায়ী ওই জমির মালিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি বিধিসম্মতভাবে হয়নি বলে আবেদনপত্রে দাবি করা হয়েছে। এতে আরও বলা হয়, বিদ্যালয় চত্বরে প্রায় মধ্যভাগে ঈদগাহ ময়দান থাকায় শিক্ষার্থীদের চলাচল ও খেলাধুলায় নানা ধরনের সমস্যা হচ্ছে। ফলে বিদ্যালয়ের নামে ক্রয়কৃত জমি বিদ্যালয়ের অনুকূলে রেকর্ড ও দখল বুঝিয়ে দেওয়া প্রয়োজন। আবেদনে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা সংশ্লিষ্ট ৯ শতক জমি বিদ্যালয়ের নামে রেকর্ড সংশোধন করে দখল বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছেন। এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম আবেদনপত্রে সুপারিশ করেছেন।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

১৮০ দিনের মূল্যায়ন শেষে মন্ত্রিসভায় বড় পরিবর্তনের আভাস

কলারোয়ায় বিদ্যালয়ের জমি ফেরত পেতে ইউএনওর হস্তক্ষেপ কামনা

আপডেট সময়: ০৫:২৬:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার: সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার পিছলাপোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামে নিবন্ধিত ৯ শতক জমি বিদ্যালয়ের অনুকূলে রেকর্ড ও দখল বুঝিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে আবেদন করেছেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অ্যাডহক কমিটির সভাপতি বরাবর দেওয়া ওই আবেদনে বলা হয়েছে, বিদ্যালয়টির মোট জমির পরিমাণ ৭৩ শতক। এর মধ্যে ৫৮ শতক ২ নং খতিয়ানে এবং ১৫ শতক ২/১ নং খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত। বিদ্যালয়ের নামে ১৯৭৩ সালে দুটি পৃথক নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে মোট ১৫ শতক জমি ক্রয় করা হয় এবং তা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের অনুকূলে নিবন্ধিত রয়েছে। আবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, পরবর্তী সময়ে আরএস রেকর্ড প্রকাশের সময় ২/১ নং খতিয়ানের ৯৬৫ নং দাগের ১৫ শতক জমির মধ্যে ৯ শতক পিছলাপোল ঈদগাহ ময়দানের নামে রেকর্ড করা হয়। অথচ দলিল অনুযায়ী ওই জমির মালিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি বিধিসম্মতভাবে হয়নি বলে আবেদনপত্রে দাবি করা হয়েছে। এতে আরও বলা হয়, বিদ্যালয় চত্বরে প্রায় মধ্যভাগে ঈদগাহ ময়দান থাকায় শিক্ষার্থীদের চলাচল ও খেলাধুলায় নানা ধরনের সমস্যা হচ্ছে। ফলে বিদ্যালয়ের নামে ক্রয়কৃত জমি বিদ্যালয়ের অনুকূলে রেকর্ড ও দখল বুঝিয়ে দেওয়া প্রয়োজন। আবেদনে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা সংশ্লিষ্ট ৯ শতক জমি বিদ্যালয়ের নামে রেকর্ড সংশোধন করে দখল বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছেন। এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম আবেদনপত্রে সুপারিশ করেছেন।