আজ ১২:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
দেবহাটায় বাস-মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ,নিহত-১ কেশবপুরে চালু লাইনে কাজ, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে লেবার ঢাকায় সাতক্ষীরা জেলার বিশেষ তদারকির দায়িত্ব পাওয়ায় আইনমন্ত্রীকে অভিনন্দন বেতনার তীরে ০৭০৯-এর বৃক্ষরোপণ, নদী ও পরিবেশ রক্ষার অঙ্গীকার নেপালে ভয়াবহ বন্যা-ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৬৯ ডুমুরিয়ায় এমপি আলি আসগর লবির রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় ৫৬ বছরের শাহিদা নিখোঁজ, সন্ধান চায় পরিবার নেপাল-তিব্বতের বন্যায় ৩৫ দেশের ৩৩৫নিহত , নিখোঁজ দেড় হাজারের কাছাকাছি “দুষ্টু লোকেরা বলে টুকু আসে, টুকু যায়”— লোডশেডিং নিয়ে সংসদে রুমিন ফারহানার বক্তব্য সাংবাদিক মেহেদী হাসান মারুফকে মিথ্যা মামলা মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি 

কেশবপুরে চালু লাইনে কাজ, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে লেবার ঢাকায়

বিদ্যুৎস্পৃষ্ট জাকির হোসেন (৪০)

যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর আওতাধীন কেশবপুর জোনাল অফিসের সাগরদাঁড়ী সাব-জোনাল এলাকার টিটাবাজিতপুর গ্রামে চালুকৃত লাইনে কাজ করাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জাকির হোসেন (৪০) নামে এক সহযোগী লেবার গুরুতর আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মেহেরপুর গ্রামের একটি মৎস্য ঘেরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহত জাকির টিটাবাজিতপুর গ্রামের আহাদ আলীর পুত্র। বর্তমানে তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট থাকা একটি ট্রান্সফরমার পরিবর্তনের জন্য লাইনম্যান (গ্রেড-২) মো. মেহেরাব হোসেন মৎস্য ঘের মালিকের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার দিন ১১ হাজার ভোল্টের উচ্চচাপ সম্পন্ন লাইন বন্ধ না করেই তিনি নিজে খুঁটিতে না উঠে অনভিজ্ঞ লেবার জাকিরকে ওপরে তুলে দেন। এতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জাকিরের হাত, বুক ও পা মারাত্মকভাবে পুড়ে যায়। জাকির তাঁর দারিদ্র পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি।
অভিযুক্ত লাইনম্যান মো. মেহেরাব হোসেন জানান, “আমরা নিচে ট্রান্সফরমার ডাউন দিয়ে কাজ করছিলাম, তবে ওপরের ১১,০০০ ভোল্টের লাইন চালু ছিল। কাজ করার সময় জাকির বেখেয়ালি হয়ে ওপরের লাইনে স্পর্শ করে ফেলে। সে সেফটি সরঞ্জাম পরা ছিল তবে অনভিজ্ঞ লেবারকে কেন ঝুঁকিপূর্ণ চালু লাইনে ওঠানো হলো এবং অর্থ লেনদেনের বিষয়ের অভিযোগের কোনো সুনির্দিষ্ট জবাব তিনি দেননি।
বিষয়টি নিয়ে কেশবপুর জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মোহাম্মদ আব্দুর রব জানান, ঘটনার পর আহত ব্যক্তিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত রাতে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে তা খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত টিম গঠন করা হচ্ছে। তদন্ত কমিটির রিপোর্ট পাওয়ার পর দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

দেবহাটায় বাস-মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ,নিহত-১

কেশবপুরে চালু লাইনে কাজ, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে লেবার ঢাকায়

আপডেট সময়: ০২:৩৮:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর আওতাধীন কেশবপুর জোনাল অফিসের সাগরদাঁড়ী সাব-জোনাল এলাকার টিটাবাজিতপুর গ্রামে চালুকৃত লাইনে কাজ করাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জাকির হোসেন (৪০) নামে এক সহযোগী লেবার গুরুতর আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মেহেরপুর গ্রামের একটি মৎস্য ঘেরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহত জাকির টিটাবাজিতপুর গ্রামের আহাদ আলীর পুত্র। বর্তমানে তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট থাকা একটি ট্রান্সফরমার পরিবর্তনের জন্য লাইনম্যান (গ্রেড-২) মো. মেহেরাব হোসেন মৎস্য ঘের মালিকের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার দিন ১১ হাজার ভোল্টের উচ্চচাপ সম্পন্ন লাইন বন্ধ না করেই তিনি নিজে খুঁটিতে না উঠে অনভিজ্ঞ লেবার জাকিরকে ওপরে তুলে দেন। এতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জাকিরের হাত, বুক ও পা মারাত্মকভাবে পুড়ে যায়। জাকির তাঁর দারিদ্র পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি।
অভিযুক্ত লাইনম্যান মো. মেহেরাব হোসেন জানান, “আমরা নিচে ট্রান্সফরমার ডাউন দিয়ে কাজ করছিলাম, তবে ওপরের ১১,০০০ ভোল্টের লাইন চালু ছিল। কাজ করার সময় জাকির বেখেয়ালি হয়ে ওপরের লাইনে স্পর্শ করে ফেলে। সে সেফটি সরঞ্জাম পরা ছিল তবে অনভিজ্ঞ লেবারকে কেন ঝুঁকিপূর্ণ চালু লাইনে ওঠানো হলো এবং অর্থ লেনদেনের বিষয়ের অভিযোগের কোনো সুনির্দিষ্ট জবাব তিনি দেননি।
বিষয়টি নিয়ে কেশবপুর জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মোহাম্মদ আব্দুর রব জানান, ঘটনার পর আহত ব্যক্তিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত রাতে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে তা খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত টিম গঠন করা হচ্ছে। তদন্ত কমিটির রিপোর্ট পাওয়ার পর দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।