সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানার ছোট কাশিপুর গ্রামে রাজনৈতিক বিরোধকে কেন্দ্র করে স্বপন দাসের স্ত্রী রত্না দাসের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আহত রত্না দাসকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্বপন দাস বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকায় দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক বিরোধ ও উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এরই ধারাবাহিকতায় তাঁর স্ত্রী রত্না দাসের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার সঙ্গে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে পরিচিত চান দাস, মিলন দাস ও সাধনা দাস জড়িত রয়েছেন। রাজনৈতিক মতবিরোধের কারণে পরিকল্পিতভাবে রত্না দাসের ওপর হামলা চালানো হয়েছে বলে তাঁদের দাবি। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পরিবারের সদস্যরা জানান, হামলার ঘটনায় রত্না দাস গুরুতরভাবে আহত হন। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাঁর শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসার বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।
ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে এলাকায় আলোচনা ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবার এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়ে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে। তাঁদের দাবি, রাজনৈতিক মতপার্থক্য কখনোই কোনো পরিবারের সদস্য, বিশেষ করে একজন নারীর ওপর হামলার কারণ হতে পারে না।
এ বিষয়ে স্বপন দাস প্রশাসনের কাছে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে হামলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
স্থানীয় সচেতন মহলও ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, রাজনৈতিক বিরোধকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়া কোনোভাবেই কাম্য নয়।
এ ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আহত রত্না দাসের যথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা করা এবং ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়রা।
রিপোর্টার 














