আজ ০২:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
সাতক্ষীরায় জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবের সঙ্গে ছাত্রদল নেতাদের শুভেচ্ছা বিনিময় সাতক্ষীরায় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ এর জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা নিখোঁজের ১৫ বছর: আবু সেলিমের সন্ধান কামনায় সাতক্ষীরায় দোয়া মাহফিল আলিপুর ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালন সাতক্ষীরা মায়ের বাড়ি পুকুরের ঘাট নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন সত্য ও সাহসের আলোকযাত্রায় ১১ বছরে দক্ষিণের মশাল প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬: সাতক্ষীরায় সেরাদের জয়গান সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগে ডিসির প্রেস ব্রিফিং বর্জন ‘যে রইদ দের, পানি কমাইয়া দিলে মাইনসে কিছু ধান আনতো পারলোনে’ সাতক্ষীরায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান মে দিবস পালিত

সাতক্ষীরার দুটিসহ ১০৪ প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের ‘ভুয়া’ চিঠি : সতর্ক করল মন্ত্রণালয়

  • আব্দুর রহমান
  • আপডেট সময়: ০১:৩৫:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৪৯০ বার পড়া হয়েছে

১০৪টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে- এমন একটি চিঠি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সেটিকে ভুয়া বলে সতর্ক করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে ছড়িয়ে পড়া ওই তালিকায় সাতক্ষীরার দুটি প্রতিষ্ঠানের নামও ছিল। তালিকায় উল্লেখ ছিল, সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার নিজাম উদ্দিন আদর্শ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং দেবহাটা উপজেলার দক্ষিণ খেশরা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের জন্য অনুমোদন পেয়েছে। পরে ২৭ জানুয়ারি মন্ত্রণালয়ের বিদ্যালয়-১ অধিশাখা থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় জানানো হয়, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক পরিচয়ে স্বাক্ষরিত ১৫ জানুয়ারির ওই পত্রটি সঠিক নয়। বিষয়টি প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের নজরে এলে তারা পত্রটিকে ভুয়া বলে মন্ত্রণালয়কে অবহিত করে। উপসচিব রাজীব কুমার সরকারের স্বাক্ষরিত নির্দেশনায় মাঠপর্যায়ের সব দপ্তর ও সংস্থাকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানানো হয়। পরদিন ২৯ জানুয়ারি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনাটি পাঠায় এবং উপজেলা ও থানা শিক্ষা কর্মকর্তাদের অবহিত করতে বলে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভুয়া চিঠির কারণে বিভিন্ন এলাকায় বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। যাচাই ছাড়া এ ধরনের তথ্য বিশ্বাস না করার আহ্বান জানানো হয়েছে। সাতক্ষীরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল আমীন জানান, “মাঠ পর্যায়ে আমাদের সকল কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ইতিমধ্যেই সতর্ক করা হয়েছে। এ ধরনের ভুয়া চিঠি শিক্ষকদের এবং অভিভাবকদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে। তাই কেউ যাচাই ছাড়াই এই ধরনের তথ্যের ওপর নির্ভর করবেন না।”

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

সাতক্ষীরায় জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবের সঙ্গে ছাত্রদল নেতাদের শুভেচ্ছা বিনিময়

সাতক্ষীরার দুটিসহ ১০৪ প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের ‘ভুয়া’ চিঠি : সতর্ক করল মন্ত্রণালয়

আপডেট সময়: ০১:৩৫:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

১০৪টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে- এমন একটি চিঠি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সেটিকে ভুয়া বলে সতর্ক করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে ছড়িয়ে পড়া ওই তালিকায় সাতক্ষীরার দুটি প্রতিষ্ঠানের নামও ছিল। তালিকায় উল্লেখ ছিল, সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার নিজাম উদ্দিন আদর্শ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং দেবহাটা উপজেলার দক্ষিণ খেশরা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের জন্য অনুমোদন পেয়েছে। পরে ২৭ জানুয়ারি মন্ত্রণালয়ের বিদ্যালয়-১ অধিশাখা থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় জানানো হয়, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক পরিচয়ে স্বাক্ষরিত ১৫ জানুয়ারির ওই পত্রটি সঠিক নয়। বিষয়টি প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের নজরে এলে তারা পত্রটিকে ভুয়া বলে মন্ত্রণালয়কে অবহিত করে। উপসচিব রাজীব কুমার সরকারের স্বাক্ষরিত নির্দেশনায় মাঠপর্যায়ের সব দপ্তর ও সংস্থাকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানানো হয়। পরদিন ২৯ জানুয়ারি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনাটি পাঠায় এবং উপজেলা ও থানা শিক্ষা কর্মকর্তাদের অবহিত করতে বলে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভুয়া চিঠির কারণে বিভিন্ন এলাকায় বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। যাচাই ছাড়া এ ধরনের তথ্য বিশ্বাস না করার আহ্বান জানানো হয়েছে। সাতক্ষীরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল আমীন জানান, “মাঠ পর্যায়ে আমাদের সকল কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ইতিমধ্যেই সতর্ক করা হয়েছে। এ ধরনের ভুয়া চিঠি শিক্ষকদের এবং অভিভাবকদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে। তাই কেউ যাচাই ছাড়াই এই ধরনের তথ্যের ওপর নির্ভর করবেন না।”