সাতক্ষীরা শহরের অদূরে সিটি কলেজের উত্তরে অবস্থিত হযরত বিলাল (রাঃ) জামে মসজিদে শিশুদের জন্য মক্তবভিত্তিক কুরআন শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। পবিত্র মাহে রমজানকে সামনে রেখে শিশুদের দ্বীনি শিক্ষা, নৈতিকতা ও আদর্শিক মূল্যবোধে গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রমজানের প্রথম দিনে জোহরের নামাজের পর স্থানীয় শিশুদের অংশগ্রহণে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা আব্বাস উদ্দীন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে কার্যক্রমের সূচনা করা হয়।
এ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, শিশুদের সঠিক ধর্মীয় শিক্ষা, নৈতিকতা ও চরিত্র গঠনে কুরআন শিক্ষার বিকল্প নেই। এ ধরনের উদ্যোগ শিশুদের সুশিক্ষিত ও আদর্শবান নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মসজিদের সহ-সভাপতি মাস্টার মঈন উদ্দীন, সেক্রেটারি প্রফেসর আজিবর রহমান, মুয়াজ্জিন মাওলানা মফিজুর রহমান, সাংবাদিক গাজী হাবিব, মুসল্লী মামুন অর রশিদ, আনিসুল হক, মফিজুর রহমান, আতিয়ার রহমানসহ অন্যান্য মুসল্লীবৃন্দ। মসজিদ কমিটি সূত্রে জানা গেছে, এই মক্তবভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রমে শিশুদের শুদ্ধভাবে কুরআন তিলাওয়াত, নামাজ ও দোয়া শিক্ষা, ইসলামী আদব-কায়দা এবং নৈতিক মূল্যবোধ গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। অভিজ্ঞ শিক্ষক ও হাফেজদের মাধ্যমে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী নিয়মিত পাঠদান পরিচালিত হবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইমাম হাফেজ মাওলানা আব্বাস উদ্দীন বলেন, “শিশুকাল থেকেই কুরআন ও দ্বীনি শিক্ষায় অভ্যস্ত হলে তারা ভবিষ্যতে নৈতিক ও আদর্শবান মানুষ হিসেবে গড়ে উঠবে। এই উদ্যোগ সমাজ গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।” স্থানীয় অভিভাবক ও মুসল্লীরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, বর্তমান সময়ে শিশুদের ধর্মীয় শিক্ষা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মসজিদভিত্তিক এ শিক্ষা কার্যক্রম শিশুদের সঠিক পথে পরিচালিত করতে সহায়ক হবে। মসজিদ কমিটি জানায়, ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের উদ্যোগ সাতক্ষীরার ধর্মীয় ও সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
স্টাফ রিপোর্টার 



















