আজ ১১:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
গাজী নজরুলের ৪ দিন, প্রথম স্ত্রীর ১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর গাজী নজরুলের আসনে জামায়াতের বিকল্প প্রার্থী নিয়ে তৎপরতা পদ্মপুকুর-গাবুরায় সড়ক নির্মাণে ২৩ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা অনুমোদন আশাশুনি প্রেসক্লাবের দ্বিতল ভবন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি মুহাদ্দিস রবিউল বাশার মায়ের কাছে ক্ষমা চেয়ে চিরকুট, নালিতাবাড়ীতে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীর মৃত্যু বাণিজ্য থেকে প্রতিরক্ষা—বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশের ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা গণপিটুনিতে মৃত্যু নিয়ে মিথ্যা মামলা ও হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন সফর সংক্ষিপ্ত, কূটনৈতিক কর্মসূচি বিস্তৃত: নিউইয়র্কে তারেক রহমান নারীর হাতে সেলাই মেশিন, পাহাড়ি পরিবারে সচ্ছলতার প্রত্যাশা ডাকসু আর্কাইভে ইতিহাসের মুখোমুখি নতুন প্রজন্ম

গাজী নজরুলের ৪ দিন, প্রথম স্ত্রীর ১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

  • বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময়: ০৩:০৯:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৪ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম এবং প্রথম স্ত্রী মোছা. মাকছুদা ইসলাম।

দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের চার দিন এবং তার প্রথম স্ত্রী মোছা. মাকছুদা ইসলামের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার এসআই শামসুজ্জোহা সরকার দুজনকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

মরিয়মের মৃত্যুর ঘটনায় তার বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারায় মামলা করেন। মামলায় গাজী নজরুল, তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম ও মরিয়মের মামা মো. ওবায়দুর রহমানকে আসামি করা হয়েছে। ওবায়দুর রহমান পলাতক রয়েছেন।

এজাহার অনুযায়ী, চলতি বছরের জুনে শরিয়াহ অনুযায়ী গাজী নজরুলের সঙ্গে মরিয়মের বিয়ে হয়। এরপর তারা শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন। মরিয়মের বাবার অভিযোগ, বিয়ের পর বিভিন্ন বিষয়ে গাজী নজরুল ও মাকছুদা তার মেয়েকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন।

এজাহারে বলা হয়েছে, ২০ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে গাজী নজরুল ফোন করে মরিয়মের বাবাকে বাসায় যেতে বলেন। সেখানে গিয়ে তিনি মরিয়মকে একটি কক্ষে ওড়না দিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

মামলার নথিতে মরিয়মের বিছানায় একটি হাতে লেখা চিরকুট পাওয়ার কথাও উল্লেখ রয়েছে। এতে গাজী নজরুলকে উদ্দেশ করে বিশ্বাসভঙ্গ ও মানসিক কষ্টের বিষয়ে লেখা ছিল বলে মামলায় দাবি করা হয়েছে।

তবে মামলায় করা অভিযোগ এখনো প্রমাণিত হয়নি। ঘটনার প্রকৃত কারণ ও অভিযোগের সত্যতা তদন্ত করছে পুলিশ।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

গাজী নজরুলের ৪ দিন, প্রথম স্ত্রীর ১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

গাজী নজরুলের ৪ দিন, প্রথম স্ত্রীর ১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

আপডেট সময়: ০৩:০৯:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের চার দিন এবং তার প্রথম স্ত্রী মোছা. মাকছুদা ইসলামের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার এসআই শামসুজ্জোহা সরকার দুজনকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

মরিয়মের মৃত্যুর ঘটনায় তার বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারায় মামলা করেন। মামলায় গাজী নজরুল, তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম ও মরিয়মের মামা মো. ওবায়দুর রহমানকে আসামি করা হয়েছে। ওবায়দুর রহমান পলাতক রয়েছেন।

এজাহার অনুযায়ী, চলতি বছরের জুনে শরিয়াহ অনুযায়ী গাজী নজরুলের সঙ্গে মরিয়মের বিয়ে হয়। এরপর তারা শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন। মরিয়মের বাবার অভিযোগ, বিয়ের পর বিভিন্ন বিষয়ে গাজী নজরুল ও মাকছুদা তার মেয়েকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন।

এজাহারে বলা হয়েছে, ২০ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে গাজী নজরুল ফোন করে মরিয়মের বাবাকে বাসায় যেতে বলেন। সেখানে গিয়ে তিনি মরিয়মকে একটি কক্ষে ওড়না দিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

মামলার নথিতে মরিয়মের বিছানায় একটি হাতে লেখা চিরকুট পাওয়ার কথাও উল্লেখ রয়েছে। এতে গাজী নজরুলকে উদ্দেশ করে বিশ্বাসভঙ্গ ও মানসিক কষ্টের বিষয়ে লেখা ছিল বলে মামলায় দাবি করা হয়েছে।

তবে মামলায় করা অভিযোগ এখনো প্রমাণিত হয়নি। ঘটনার প্রকৃত কারণ ও অভিযোগের সত্যতা তদন্ত করছে পুলিশ।