সাতক্ষীরার শ্যামনগরে পাইলসের চিকিৎসা করাতে গিয়ে আলমগীর হোসেন (৪০) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। স্বজনদের অভিযোগ, গ্রাম্য চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে অপারেশনের প্রস্তুতি কালে ইনজেকশন দেওয়ার পরপরই তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। পরে অপারেশন টেবিলেই তার মৃত্যু হয়।
শনিবার (৮ আগস্ট) উপজেলার দাসকাটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আলমগীর হোসেন মৃত মোবারক গাজীর ছেলে এবং ভবানীপুর গ্রামের বাসিন্দা।
নিহতের স্বজনরা জানান, পাইলসের চিকিৎসার জন্য আলমগীর দাসকাটি গ্রামের গ্রাম্য চিকিৎসক গোলাম মোস্তফার কাছে যান। সেখানে পাইলস অপারেশনের প্রস্তুতি হিসেবে তাকে ইনজেকশন দেওয়া হয়। ইনজেকশন দেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। একপর্যায়ে অপারেশন টেবিলেই তার মৃত্যু হয় বলে দাবি করেন স্বজনরা।স্বজনদের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সুবিধা ও দক্ষ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধান ছাড়াই পাইলসের মতো জটিল চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এ ঘটনায় তারা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের অবিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
শ্যামনগর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসা জানান, হাসপাতালে আনার অনেক আগেই তার মৃত্যু হয়েছে, এটা পুলিশ কেস আমরা থানা পুলিশ কে বিষয় টা জানিয়েছি।
শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ শাফিউল পাটোয়ারী জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শ্যামনগর থানা পুলিশের হেফাজতে আনা হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় শ্যামনগর থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। তবে আলমগীর হোসেনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে। অভিযোগের বিষয়ে গ্রাম্য চিকিৎসক গোলাম মোস্তফার বক্তব্য তাৎক্ষণিক ভাবে পাওয়া সম্ভব হয়নি।
বরিবার সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে ময়না তদন্ত শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।
সংবাদ শিরোনাম:
শ্যামনগরে পাইলস অপারেশনের সময় রোগীর মৃত্যু, হাতুড়ে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ময়না তদন্ত শেষে দাফন সম্পন্ন
-
মেহেদী হাসান মারুফ - আপডেট সময়: ০২:৫৬:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬
- ১২ বার পড়া হয়েছে
ট্যাগস:
জনপ্রিয়


















