আজ ১১:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
ভোমরার হালিম মাস্টারের বিরুদ্ধে মাদক সাম্রাজ্য গড়ার অভিযোগ আশাশুনিতে জলবায়ু সহনশীল উপকূল গড়তে লিডার্সের  উন্নয়ন প্রশিক্ষণ  আশাশুনিতে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ঘরে ঢুকে নারীদের মারপিট  অনিয়ম-দুর্নীতির গ্যাড়াকলে বিপর্যস্ত নলতা আহছানিয়া মিশন রেসিডেন্সিয়াল কলেজ সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসকের বক্তব্যের ‘বিকৃত প্রচারের’ অভিযোগ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের অপসারণ দাবিতে উত্তাল ক্যাম্পাস কালিগঞ্জে সংখ্যালঘু পরিবারের জমি দখলচেষ্টাও হামলা রোকনুজ্জামানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা কোথায়? এক মাসের মধ্যে শাখরা-কোমরপুর সেতুর সংস্কারকাজ শুরুর ঘোষণা দিলেন আব্দুর রউফ উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক রোকনুজ্জামান রোকনের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ সাতক্ষীরায় জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবের সঙ্গে ছাত্রদল নেতাদের শুভেচ্ছা বিনিময়

অনিয়ম-দুর্নীতির গ্যাড়াকলে বিপর্যস্ত নলতা আহছানিয়া মিশন রেসিডেন্সিয়াল কলেজ

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নলতা আহছানিয়া মিশন রেসিডেন্সিয়াল কলেজে অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক অস্থিরতা যেন পিছু ছাড়ছে না। নিয়োগ বাণিজ্য, আর্থিক অনিয়ম এবং স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগে বিতর্কিত সাবেক অধ্যক্ষ তোফায়েল আহম্মেদের বিদায়ের পরও প্রতিষ্ঠানটিতে স্বস্তি ফেরেনি বলে অভিযোগ উঠেছে। বরং বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে নতুন করে নানা অনিয়ম, দায়িত্বের অপব্যবহার এবং বিধিবহির্ভূতভাবে পদ আঁকড়ে থাকার অভিযোগ সামনে এসেছে।

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর নিয়োগ বাণিজ্যসহ প্রায় কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম ও শিক্ষক-কর্মচারী-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগে সমালোচনার মুখে পড়েন তৎকালীন অধ্যক্ষ তোফায়েল আহম্মেদ। একপর্যায়ে তিনি এলাকা ত্যাগ করে আত্মগোপনে চলে গেলে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব গ্রহণ করেন দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়া গ্রামের আবু বক্কর সিদ্দিকীর ছেলে এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ।

অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি সরকারি বিধি-বিধান উপেক্ষা করে উপাধ্যক্ষ ও অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া দীর্ঘদিন আটকে রাখেন। সংশ্লিষ্টদের দাবি, যোগ্য ব্যক্তিরা দায়িত্বে এলে নিজের অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়ার আশঙ্কায় তিনি নিয়োগ প্রক্রিয়া ইচ্ছাকৃতভাবে বিলম্বিত করেছেন। ফলে প্রায় দুই বছর ধরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা উপেক্ষা করে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

এদিকে সম্প্রতি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী দাবি করে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেলেও স্নাতক পর্যায়ে তার রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয় ছিল না। ফলে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন এবং ওই বিষয়ে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের বৈধতা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

একাধিক সূত্রের দাবি, বিষয়টি মন্ত্রণালয়ের অডিটে আপত্তির মুখে পড়েছিল। তবে পরে প্রভাব ও অর্থের বিনিময়ে তা ধামাচাপা দেওয়া হয়। যদিও এ অভিযোগের পক্ষে কোনো সরকারি নথি প্রকাশ্যে আসেনি।

অন্যদিকে, আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত হওয়া সাবেক অধ্যক্ষ তোফায়েল আহম্মেদকে পুনরায় কলেজে ফিরিয়ে আনার জন্য একটি চক্র সক্রিয় রয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো দাবি করছে, এ কাজে বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ ও তার ঘনিষ্ঠ কয়েকজন ব্যক্তি ভূমিকা রাখছেন। এমনকি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং যশোর শিক্ষা বোর্ডের কিছু কর্মকর্তাকে প্রভাবিত করার চেষ্টাও চলছে বলে গুঞ্জন রয়েছে।

এসব খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সাবেক অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নির্যাতন ও হয়রানির অভিযোগকারী শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সচেতন এলাকাবাসীর মধ্যে নতুন করে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা অভিযোগ করছেন, দুর্নীতির অভিযোগে বিতাড়িত ব্যক্তিকে পুনর্বহালের যেকোনো প্রচেষ্টা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির সুনাম ও শিক্ষার পরিবেশকে আরও ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ। তিনি বলেন, “অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের মাধ্যমে হবে এবং উপাধ্যক্ষ পদের চাহিদাপত্র ইতোমধ্যে পাঠানো হয়েছে। কেন্দ্রীয়ভাবে ওই নিয়োগ সম্পন্ন হবে। বিশেষ পরিস্থিতিতে আমি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোরও চেষ্টা করছি। আমার বিরুদ্ধে উত্থাপিত সব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।”

এ বিষয়ে কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম বলেন, “আপনার কাছে যে তথ্য রয়েছে তার সবকিছু সঠিক নয়। অধ্যক্ষ তোফায়েল আহম্মেদকে পুনর্বহালের বিষয়ে অনেকেই তৎপরতা চালাচ্ছেন। তবে বর্তমান কলেজ কর্তৃপক্ষ কী অবস্থানে আছে, সেটি দেখার বিষয়। বর্তমানে শূন্য পদে নিয়োগ দেওয়ার ক্ষমতা ম্যানেজিং কমিটির নেই। আর ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের নিয়োগ বা তার শিক্ষাগত যোগ্যতার বিষয়টি নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের এখতিয়ারভুক্ত।”

অভিযোগ ও পাল্টা বক্তব্যের মধ্যেই কলেজটির সার্বিক প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা ও সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

ভোমরার হালিম মাস্টারের বিরুদ্ধে মাদক সাম্রাজ্য গড়ার অভিযোগ

অনিয়ম-দুর্নীতির গ্যাড়াকলে বিপর্যস্ত নলতা আহছানিয়া মিশন রেসিডেন্সিয়াল কলেজ

আপডেট সময়: ০৩:৩৯:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নলতা আহছানিয়া মিশন রেসিডেন্সিয়াল কলেজে অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক অস্থিরতা যেন পিছু ছাড়ছে না। নিয়োগ বাণিজ্য, আর্থিক অনিয়ম এবং স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগে বিতর্কিত সাবেক অধ্যক্ষ তোফায়েল আহম্মেদের বিদায়ের পরও প্রতিষ্ঠানটিতে স্বস্তি ফেরেনি বলে অভিযোগ উঠেছে। বরং বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে নতুন করে নানা অনিয়ম, দায়িত্বের অপব্যবহার এবং বিধিবহির্ভূতভাবে পদ আঁকড়ে থাকার অভিযোগ সামনে এসেছে।

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর নিয়োগ বাণিজ্যসহ প্রায় কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম ও শিক্ষক-কর্মচারী-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগে সমালোচনার মুখে পড়েন তৎকালীন অধ্যক্ষ তোফায়েল আহম্মেদ। একপর্যায়ে তিনি এলাকা ত্যাগ করে আত্মগোপনে চলে গেলে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব গ্রহণ করেন দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়া গ্রামের আবু বক্কর সিদ্দিকীর ছেলে এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ।

অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি সরকারি বিধি-বিধান উপেক্ষা করে উপাধ্যক্ষ ও অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া দীর্ঘদিন আটকে রাখেন। সংশ্লিষ্টদের দাবি, যোগ্য ব্যক্তিরা দায়িত্বে এলে নিজের অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়ার আশঙ্কায় তিনি নিয়োগ প্রক্রিয়া ইচ্ছাকৃতভাবে বিলম্বিত করেছেন। ফলে প্রায় দুই বছর ধরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা উপেক্ষা করে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

এদিকে সম্প্রতি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী দাবি করে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেলেও স্নাতক পর্যায়ে তার রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয় ছিল না। ফলে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন এবং ওই বিষয়ে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের বৈধতা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

একাধিক সূত্রের দাবি, বিষয়টি মন্ত্রণালয়ের অডিটে আপত্তির মুখে পড়েছিল। তবে পরে প্রভাব ও অর্থের বিনিময়ে তা ধামাচাপা দেওয়া হয়। যদিও এ অভিযোগের পক্ষে কোনো সরকারি নথি প্রকাশ্যে আসেনি।

অন্যদিকে, আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত হওয়া সাবেক অধ্যক্ষ তোফায়েল আহম্মেদকে পুনরায় কলেজে ফিরিয়ে আনার জন্য একটি চক্র সক্রিয় রয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো দাবি করছে, এ কাজে বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ ও তার ঘনিষ্ঠ কয়েকজন ব্যক্তি ভূমিকা রাখছেন। এমনকি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং যশোর শিক্ষা বোর্ডের কিছু কর্মকর্তাকে প্রভাবিত করার চেষ্টাও চলছে বলে গুঞ্জন রয়েছে।

এসব খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সাবেক অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নির্যাতন ও হয়রানির অভিযোগকারী শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সচেতন এলাকাবাসীর মধ্যে নতুন করে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা অভিযোগ করছেন, দুর্নীতির অভিযোগে বিতাড়িত ব্যক্তিকে পুনর্বহালের যেকোনো প্রচেষ্টা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির সুনাম ও শিক্ষার পরিবেশকে আরও ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ। তিনি বলেন, “অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের মাধ্যমে হবে এবং উপাধ্যক্ষ পদের চাহিদাপত্র ইতোমধ্যে পাঠানো হয়েছে। কেন্দ্রীয়ভাবে ওই নিয়োগ সম্পন্ন হবে। বিশেষ পরিস্থিতিতে আমি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোরও চেষ্টা করছি। আমার বিরুদ্ধে উত্থাপিত সব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।”

এ বিষয়ে কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম বলেন, “আপনার কাছে যে তথ্য রয়েছে তার সবকিছু সঠিক নয়। অধ্যক্ষ তোফায়েল আহম্মেদকে পুনর্বহালের বিষয়ে অনেকেই তৎপরতা চালাচ্ছেন। তবে বর্তমান কলেজ কর্তৃপক্ষ কী অবস্থানে আছে, সেটি দেখার বিষয়। বর্তমানে শূন্য পদে নিয়োগ দেওয়ার ক্ষমতা ম্যানেজিং কমিটির নেই। আর ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের নিয়োগ বা তার শিক্ষাগত যোগ্যতার বিষয়টি নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের এখতিয়ারভুক্ত।”

অভিযোগ ও পাল্টা বক্তব্যের মধ্যেই কলেজটির সার্বিক প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা ও সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।