আজ ০৬:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া সুষ্ঠু নির্বাচনই একমাত্র এজেন্ডা আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি জেলা প্রশাসকের বৈকারী ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়ার রূহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল সাতক্ষীরা ২ আসনে জনগণের আস্থার প্রতীক বিএনপির ধানের শীষ সাতক্ষীরা পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য জরুরি নির্দেশনা সাতক্ষীরা স্কাউটস ভবনের উর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণে এক কোটি টাকা বরাদ্দ বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিলে সংসদ সদস্য প্রার্থী আব্দুর রউফ শহীদ আসিফের কবর জিয়ারত করলেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব আব্দুর রউফ সাতক্ষীরায় শান্তিপূর্ণভাবে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা সম্পন্ন, অনুপস্থিত ৪২৮৯: বহিষ্কার ৩

সাতক্ষীরা মুক্ত দিবস পালিত

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০১:৫৭:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৪১ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার: নানা আয়োজনে ও যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে গৌরবোজ্জ্বল সাতক্ষীরা মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সাতক্ষীরা জেলা হানাদারমুক্ত হয়। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, সাতক্ষীরা জেলা ইউনিট গ্রহণ করে বিভিন্ন কর্মসূচি। কর্মসূচির মধ্যে ছিল জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত পরিবেশন, শহীদদের আত্মার শান্তি কামনায় নিরবতা পালন, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন। বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ জেলা ইউনিটের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এসব কর্মসূচিতে অংশ নেন জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের স্বজনরা। শোভাযাত্রা শেষে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুজ্জামান খোকন, মিজানুর রহমান, কাজী রিয়াজ, অ্যাডভোকেট মোস্তফা নুরুল আলম, জিল্লুর করিম, মইনুল ইসলাম মইন, সন্তোষ কুমার দাস প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিক আহমেদ মোল্লা। বক্তারা বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা সম্মান ও মর্যাদা নিয়ে বাঁচতে চান। সরকারের বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও সরকারি হাসপাতালে তারা যথাযথ চিকিৎসা ও ওষুধ পান না—যা অত্যন্ত দুঃখজনক। বক্তারা আরও বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান অক্ষুণ্ন রাখতে আগামী প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়ে তুলতে হবে। তারা অভিযোগ করেন, স্বাধীনতা আজও পুরোপুরি নিরাপদ নয়; মুক্তিযোদ্ধাদের ওপর হামলা ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদে অগ্নিসংযোগের ঘটনাই তার প্রমাণ। বক্তাদের মতে, অতীতে রাষ্ট্রক্ষমতায় যারা এসেছে তারা দেশের স্বাধীনতার জন্য আত্মদানকারী মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযোগ্য মর্যাদা দেয়নি। তাই মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ও অধিকার রক্ষায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তারা।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া

সাতক্ষীরা মুক্ত দিবস পালিত

আপডেট সময়: ০১:৫৭:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার: নানা আয়োজনে ও যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে গৌরবোজ্জ্বল সাতক্ষীরা মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সাতক্ষীরা জেলা হানাদারমুক্ত হয়। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, সাতক্ষীরা জেলা ইউনিট গ্রহণ করে বিভিন্ন কর্মসূচি। কর্মসূচির মধ্যে ছিল জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত পরিবেশন, শহীদদের আত্মার শান্তি কামনায় নিরবতা পালন, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন। বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ জেলা ইউনিটের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এসব কর্মসূচিতে অংশ নেন জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের স্বজনরা। শোভাযাত্রা শেষে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুজ্জামান খোকন, মিজানুর রহমান, কাজী রিয়াজ, অ্যাডভোকেট মোস্তফা নুরুল আলম, জিল্লুর করিম, মইনুল ইসলাম মইন, সন্তোষ কুমার দাস প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিক আহমেদ মোল্লা। বক্তারা বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা সম্মান ও মর্যাদা নিয়ে বাঁচতে চান। সরকারের বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও সরকারি হাসপাতালে তারা যথাযথ চিকিৎসা ও ওষুধ পান না—যা অত্যন্ত দুঃখজনক। বক্তারা আরও বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান অক্ষুণ্ন রাখতে আগামী প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়ে তুলতে হবে। তারা অভিযোগ করেন, স্বাধীনতা আজও পুরোপুরি নিরাপদ নয়; মুক্তিযোদ্ধাদের ওপর হামলা ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদে অগ্নিসংযোগের ঘটনাই তার প্রমাণ। বক্তাদের মতে, অতীতে রাষ্ট্রক্ষমতায় যারা এসেছে তারা দেশের স্বাধীনতার জন্য আত্মদানকারী মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযোগ্য মর্যাদা দেয়নি। তাই মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ও অধিকার রক্ষায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তারা।