আজ ০৮:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
সাতক্ষীরায় আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা অনুষ্ঠিত ঘেরের ভেড়ি বাঁধ কেটে মাছ ভাসিয়ে দেওয়ার অভিযোগ আশাশুনিতে শিশু ধর্ষণ মামলার আসামীসহ গ্রেফতার-৩ সাতক্ষীরায় সারের ডিলারশিপ নিয়ে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো. রেজাউল ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ সাতক্ষীরার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শ্যামনগরে মুন্ডা নারী ও যুবদের জলবায়ু সহনশীলতা ও ডিজিটাল নেতৃত্ব উন্নয়নে প্রকল্প অবহিতকরণ সভা আলিপুরে জেলা যুবদল ও ছাত্রদল নেতৃবৃন্দকে সংবর্ধনা সাতক্ষীরায় চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প উদ্বোধন করলেন জেলা আমির শহিদুল ইসলাম মুকুল উপজেলা সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সম্প্রীতি এইড ফাউন্ডেশনের সমন্বয় সভা   সাতক্ষীরা সদরের ঝাউডাঙ্গায় ‘নতুনকুঁড়ি ২০২৬-২৭এর ইউনিয়ন পর্যায়ের বাছাই পর্ব সম্পন্ন

সাতক্ষীরা মুক্ত দিবস পালিত

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০১:৫৭:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৩৪৮ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার: নানা আয়োজনে ও যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে গৌরবোজ্জ্বল সাতক্ষীরা মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সাতক্ষীরা জেলা হানাদারমুক্ত হয়। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, সাতক্ষীরা জেলা ইউনিট গ্রহণ করে বিভিন্ন কর্মসূচি। কর্মসূচির মধ্যে ছিল জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত পরিবেশন, শহীদদের আত্মার শান্তি কামনায় নিরবতা পালন, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন। বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ জেলা ইউনিটের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এসব কর্মসূচিতে অংশ নেন জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের স্বজনরা। শোভাযাত্রা শেষে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুজ্জামান খোকন, মিজানুর রহমান, কাজী রিয়াজ, অ্যাডভোকেট মোস্তফা নুরুল আলম, জিল্লুর করিম, মইনুল ইসলাম মইন, সন্তোষ কুমার দাস প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিক আহমেদ মোল্লা। বক্তারা বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা সম্মান ও মর্যাদা নিয়ে বাঁচতে চান। সরকারের বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও সরকারি হাসপাতালে তারা যথাযথ চিকিৎসা ও ওষুধ পান না—যা অত্যন্ত দুঃখজনক। বক্তারা আরও বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান অক্ষুণ্ন রাখতে আগামী প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়ে তুলতে হবে। তারা অভিযোগ করেন, স্বাধীনতা আজও পুরোপুরি নিরাপদ নয়; মুক্তিযোদ্ধাদের ওপর হামলা ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদে অগ্নিসংযোগের ঘটনাই তার প্রমাণ। বক্তাদের মতে, অতীতে রাষ্ট্রক্ষমতায় যারা এসেছে তারা দেশের স্বাধীনতার জন্য আত্মদানকারী মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযোগ্য মর্যাদা দেয়নি। তাই মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ও অধিকার রক্ষায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তারা।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

সাতক্ষীরায় আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

সাতক্ষীরা মুক্ত দিবস পালিত

আপডেট সময়: ০১:৫৭:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার: নানা আয়োজনে ও যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে গৌরবোজ্জ্বল সাতক্ষীরা মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সাতক্ষীরা জেলা হানাদারমুক্ত হয়। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, সাতক্ষীরা জেলা ইউনিট গ্রহণ করে বিভিন্ন কর্মসূচি। কর্মসূচির মধ্যে ছিল জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত পরিবেশন, শহীদদের আত্মার শান্তি কামনায় নিরবতা পালন, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন। বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ জেলা ইউনিটের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এসব কর্মসূচিতে অংশ নেন জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের স্বজনরা। শোভাযাত্রা শেষে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুজ্জামান খোকন, মিজানুর রহমান, কাজী রিয়াজ, অ্যাডভোকেট মোস্তফা নুরুল আলম, জিল্লুর করিম, মইনুল ইসলাম মইন, সন্তোষ কুমার দাস প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিক আহমেদ মোল্লা। বক্তারা বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা সম্মান ও মর্যাদা নিয়ে বাঁচতে চান। সরকারের বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও সরকারি হাসপাতালে তারা যথাযথ চিকিৎসা ও ওষুধ পান না—যা অত্যন্ত দুঃখজনক। বক্তারা আরও বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান অক্ষুণ্ন রাখতে আগামী প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়ে তুলতে হবে। তারা অভিযোগ করেন, স্বাধীনতা আজও পুরোপুরি নিরাপদ নয়; মুক্তিযোদ্ধাদের ওপর হামলা ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদে অগ্নিসংযোগের ঘটনাই তার প্রমাণ। বক্তাদের মতে, অতীতে রাষ্ট্রক্ষমতায় যারা এসেছে তারা দেশের স্বাধীনতার জন্য আত্মদানকারী মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযোগ্য মর্যাদা দেয়নি। তাই মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ও অধিকার রক্ষায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তারা।