আজ ১১:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
সাতক্ষীরায় আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন শ্যামনগরে সম্পত্তি দখলের প্রতিবাদে মানববন্ধন শ্যামনগরে আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে জামায়াতের র‌্যালি ও সমাবেশ সাতক্ষীরাবাসীকে ধর্মান্ধ মন্তব্যের প্রতিবাদে ডিসির বিরুদ্ধে শ্যামনগরে ওলামাদের বিক্ষোভ  শ্যামনগর উপজেলা ওলামা দলের আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন  নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের সমর্থনে আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে  অধিকারের  মানববন্ধন আশাশুনিতে জামায়াতের যুব বিভাগের উদ্যোগে মাদকবিরোধী র‍্যালি ও সমাবেশ   ছাত্র আন্দোলনের মুখে ভোর রাতে কলেজ ছাড়লেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ  কালিগঞ্জ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের  ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ ভোমরার হালিম মাস্টারের বিরুদ্ধে মাদক সাম্রাজ্য গড়ার অভিযোগ

সাতক্ষীরাবাসীকে ধর্মান্ধ মন্তব্যের প্রতিবাদে ডিসির বিরুদ্ধে শ্যামনগরে ওলামাদের বিক্ষোভ 

  • শ্যামনগর অফিস,
  • আপডেট সময়: ০২:৩১:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজের সাতক্ষীরাবাসীকে “ধর্মান্ধ” মন্তব্যের প্রতিবাদে শ্যামনগরে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন উপজেলা ওলামা মাশায়েখ পরিষদ। সমাবেশ থেকে বক্তারা জেলা প্রশাসকের বক্তব্য প্রত্যাহার এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে এমন মন্তব্য থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেল চারটায় শ্যামনগর বাসস্ট্যান্ড চত্বরে উপজেলা ওলামা পরিষদের ব্যানারে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে শতাধিক আলেম, মাদ্রাসা শিক্ষক, ইমাম, খতিব এতে অংশ নেন।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন মাওলানা আমিনুর রহমান। বক্তব্য দেন বিশিষ্ট ইসলামী বক্তা মাওলানা আব্দুল মজিদ, আলহাজ ডা. মাওলানা আবির হাসান কাওছার,মাওলানা কামারুজ্জামান, মাওলানা গোলাম রসুল, মাওলানা ইসহাক আলীসহ উপজেলার বিভিন্ন আলেম-ওলামা।

বক্তারা বলেন, ইসলাম শান্তি, সহনশীলতা ও মানবকল্যাণের ধর্ম। তাই ধর্মীয় মূল্যবোধকে ‘ধর্মান্ধতা’ হিসেবে উপস্থাপন করা কোনো দায়িত্বশীল কর্মকর্তার কাছ থেকে প্রত্যাশিত নয়। তাঁদের দাবি, জেলা প্রশাসকের বক্তব্য সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। ভবিষ্যতে রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে আরও সংযত ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান তাঁরা। এছাড়াও সমাবেশ থেকে জেলা প্রশাসকের প্রত্যাহার দাবী করা হয়।

সমাবেশে বক্তারা আরও বলেন, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর উগ্র আচরণ থাকলে সেটিকে নির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা যেতে পারে; কিন্তু সামগ্রিক ধর্মীয় চর্চা বা ধর্মীয় মূল্যবোধকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করলে সামাজিক সম্প্রীতিতে বিরূপ প্রভাব ফেলে।

বিক্ষোভ কর্মসূচি শেষে অংশগ্রহণকারীরা ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে দায়িত্বশীল বক্তব্য দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

সাতক্ষীরায় আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন

সাতক্ষীরাবাসীকে ধর্মান্ধ মন্তব্যের প্রতিবাদে ডিসির বিরুদ্ধে শ্যামনগরে ওলামাদের বিক্ষোভ 

আপডেট সময়: ০২:৩১:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজের সাতক্ষীরাবাসীকে “ধর্মান্ধ” মন্তব্যের প্রতিবাদে শ্যামনগরে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন উপজেলা ওলামা মাশায়েখ পরিষদ। সমাবেশ থেকে বক্তারা জেলা প্রশাসকের বক্তব্য প্রত্যাহার এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে এমন মন্তব্য থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেল চারটায় শ্যামনগর বাসস্ট্যান্ড চত্বরে উপজেলা ওলামা পরিষদের ব্যানারে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে শতাধিক আলেম, মাদ্রাসা শিক্ষক, ইমাম, খতিব এতে অংশ নেন।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন মাওলানা আমিনুর রহমান। বক্তব্য দেন বিশিষ্ট ইসলামী বক্তা মাওলানা আব্দুল মজিদ, আলহাজ ডা. মাওলানা আবির হাসান কাওছার,মাওলানা কামারুজ্জামান, মাওলানা গোলাম রসুল, মাওলানা ইসহাক আলীসহ উপজেলার বিভিন্ন আলেম-ওলামা।

বক্তারা বলেন, ইসলাম শান্তি, সহনশীলতা ও মানবকল্যাণের ধর্ম। তাই ধর্মীয় মূল্যবোধকে ‘ধর্মান্ধতা’ হিসেবে উপস্থাপন করা কোনো দায়িত্বশীল কর্মকর্তার কাছ থেকে প্রত্যাশিত নয়। তাঁদের দাবি, জেলা প্রশাসকের বক্তব্য সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। ভবিষ্যতে রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে আরও সংযত ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান তাঁরা। এছাড়াও সমাবেশ থেকে জেলা প্রশাসকের প্রত্যাহার দাবী করা হয়।

সমাবেশে বক্তারা আরও বলেন, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর উগ্র আচরণ থাকলে সেটিকে নির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা যেতে পারে; কিন্তু সামগ্রিক ধর্মীয় চর্চা বা ধর্মীয় মূল্যবোধকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করলে সামাজিক সম্প্রীতিতে বিরূপ প্রভাব ফেলে।

বিক্ষোভ কর্মসূচি শেষে অংশগ্রহণকারীরা ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে দায়িত্বশীল বক্তব্য দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন।