আজ ০১:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানালেন আব্দুর রউফ সাতক্ষীরার উন্নয়নে প্রতিটি কাজ দায়িত্বশীলতার সাথে করবো: মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক গণভোটে জনগণ সংস্কার ও পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছে : আলী রীয়াজ সাতক্ষীরা সদর ও দেবহাটাবাসীকে কৃতজ্ঞতা জানালেন আব্দুর রউফ প্রতিশ্রুতির বন্যায় ভাসছে সাতক্ষীরার ভোটাররা জগন্নাথপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে পাঠদান জামায়াতের জনসভায় ২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লায় ভোটের আহ্বান দেবহাটায় দিনব্যাপী গণসংযোগে সাবেক এমপি আশরাফুজ্জামান আশু ব্যস্ততা ছাপিয়ে সাতক্ষীরায় সাংবাদিক পরিবারের মিলনমেলা সাতক্ষীরা পৌরসভার ধানের শীষের পক্ষে আলহাজ্ব আব্দুর রউফের উঠান বৈঠক

বেতনা নদী রক্ষায় নাগরিক উদ্যোগ ও রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতা শীর্ষক আলোচনা সভা

  • আব্দুর রহমান
  • আপডেট সময়: ০৯:৩৫:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৫৭ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরীতে শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় এএলআরডি ঢাকা-এর সহযোগিতায় উন্নয়ন সংস্থা স্বদেশ ও সমমনা নেটওয়ার্ক সদস্য সংগঠনের উদ্যোগে “বেতনা নদী সুরক্ষায় নাগরিক উদ্যোগ ও রাষ্ট্রের দায়িত্ব” শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি মোঃ আমিনুর রসুল, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নাগরিক প্রতিনিধি ও বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)-এর কোষাধ্যক্ষ। তিনি বলেন, বেতনা নদীসহ সাতক্ষীরার বড় নদী ও সংযোগ খালগুলোর স্বাভাবিক প্রবাহ রক্ষায় স্থানীয় জনগণকে দায়িত্বশীল হতে হবে। তিনি নদী দখলমুক্ত রাখা, নদীর স্লুইস গেটের কার্যকারিতা পুনরুদ্ধার এবং বহুপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে নদী সংরক্ষণে কার্যকর সমাধান নেওয়ার গুরুত্বও উল্লেখ করেন। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড-২-এর সাব-সহকারী ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আশিকুর রহমান। এছাড়া উন্নয়ন কর্মী আশেক-ই এলাহি, জেলা নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক এড. আজাদ হোসেন বেলাল, বাপা সাতক্ষীরা জেলা সভাপতি এড. আবুল কালাম আজাদ, এবং প্রফেসর মোজাম্মেল হকসহ অন্যান্য অতিথিরা অংশগ্রহণ করেন।
সভায় নদী রক্ষায় গৃহীত সুপারিশগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য: আধুনিক পদ্ধতিতে নিয়মিত খনন (ড্রেজিং) এবং প্রতি ৫ বছরে পুনঃখনন। স্থানীয় জনগণ, প্রশাসন ও এনজিওকে যুক্ত করে দখলমুক্ত উদ্যোগ গ্রহণ। পানি প্রবাহের স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনতে নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আধুনিকায়ন। নদী ও খালে মিঠাপানি চলাচল নিশ্চিত করা। স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান দিয়ে নদীর জলপ্রবাহ ও গঠন পরিবর্তন নিয়ে গবেষণা। নদী সংরক্ষণ কমিটি গঠন, বাঁধ সংরক্ষণে বৃক্ষরোপণ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা। নদী রক্ষা আইন ২০১৩ এবং পরিবেশ সংরক্ষণ আইন কার্যকর প্রয়োগ। সভায় অন্য বক্তারা হিসেবে বক্তব্য দেন আলীনুরখান বাবুল, আঃ সামাদ, মফিজুর রহমান, কওসার আলী, মৃনাল সরকার, জ্যোৎস্না দত্ত, মধুসুদন মন্ডল, রুবেল হাসান, লুইস রানা গাইন, এম. কামরুজ্জামান প্রমুখ। সভায় লিখিত আলোচনাপত্র পাঠ করেন মাধব চন্দ্র দত্ত।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানালেন আব্দুর রউফ

বেতনা নদী রক্ষায় নাগরিক উদ্যোগ ও রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতা শীর্ষক আলোচনা সভা

আপডেট সময়: ০৯:৩৫:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরীতে শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় এএলআরডি ঢাকা-এর সহযোগিতায় উন্নয়ন সংস্থা স্বদেশ ও সমমনা নেটওয়ার্ক সদস্য সংগঠনের উদ্যোগে “বেতনা নদী সুরক্ষায় নাগরিক উদ্যোগ ও রাষ্ট্রের দায়িত্ব” শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি মোঃ আমিনুর রসুল, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নাগরিক প্রতিনিধি ও বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)-এর কোষাধ্যক্ষ। তিনি বলেন, বেতনা নদীসহ সাতক্ষীরার বড় নদী ও সংযোগ খালগুলোর স্বাভাবিক প্রবাহ রক্ষায় স্থানীয় জনগণকে দায়িত্বশীল হতে হবে। তিনি নদী দখলমুক্ত রাখা, নদীর স্লুইস গেটের কার্যকারিতা পুনরুদ্ধার এবং বহুপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে নদী সংরক্ষণে কার্যকর সমাধান নেওয়ার গুরুত্বও উল্লেখ করেন। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড-২-এর সাব-সহকারী ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আশিকুর রহমান। এছাড়া উন্নয়ন কর্মী আশেক-ই এলাহি, জেলা নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক এড. আজাদ হোসেন বেলাল, বাপা সাতক্ষীরা জেলা সভাপতি এড. আবুল কালাম আজাদ, এবং প্রফেসর মোজাম্মেল হকসহ অন্যান্য অতিথিরা অংশগ্রহণ করেন।
সভায় নদী রক্ষায় গৃহীত সুপারিশগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য: আধুনিক পদ্ধতিতে নিয়মিত খনন (ড্রেজিং) এবং প্রতি ৫ বছরে পুনঃখনন। স্থানীয় জনগণ, প্রশাসন ও এনজিওকে যুক্ত করে দখলমুক্ত উদ্যোগ গ্রহণ। পানি প্রবাহের স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনতে নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আধুনিকায়ন। নদী ও খালে মিঠাপানি চলাচল নিশ্চিত করা। স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান দিয়ে নদীর জলপ্রবাহ ও গঠন পরিবর্তন নিয়ে গবেষণা। নদী সংরক্ষণ কমিটি গঠন, বাঁধ সংরক্ষণে বৃক্ষরোপণ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা। নদী রক্ষা আইন ২০১৩ এবং পরিবেশ সংরক্ষণ আইন কার্যকর প্রয়োগ। সভায় অন্য বক্তারা হিসেবে বক্তব্য দেন আলীনুরখান বাবুল, আঃ সামাদ, মফিজুর রহমান, কওসার আলী, মৃনাল সরকার, জ্যোৎস্না দত্ত, মধুসুদন মন্ডল, রুবেল হাসান, লুইস রানা গাইন, এম. কামরুজ্জামান প্রমুখ। সভায় লিখিত আলোচনাপত্র পাঠ করেন মাধব চন্দ্র দত্ত।