খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার মাগুরাঘোনা ইউনিয়নের বাদুড়িয়া গ্রামে অসুস্থ এক মৎস্যচাষীর দীর্ঘ ১৭ বছরের ভোগদখলীয় মৎস্য ঘের দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহলের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ, মাছের ঘেরের ভেতরে বসতঘর নির্মাণ করে ঘেরটি দখলে নেওয়ার পাঁয়তারা করা হচ্ছিল। খবর পেয়ে ডুমুরিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাদুড়িয়া-বেতাগ্রাম মৌজার পূর্বের বিল এলাকায় প্রায় ৪৫ বিঘা জমি হারি নিয়ে মৃত নিছার মোড়লের ছেলে মোর্শেদ মোড়ল প্রায় ১৭ বছর ধরে মাছ চাষ করে আসছেন। সম্প্রতি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি ঢাকার ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
অভিযোগ রয়েছে, তার অনুপস্থিতির সুযোগে স্থানীয় জামাল উদ্দিন ফকিরের ছেলে হাবিবুর রহমান ফকির, সাবেক ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান সরদার, আব্দুল বারিক মোড়ল, মাহাতাব সরদার ও আলমগীর সরদারসহ কয়েকজন ঘেরের ভেতরে বসতঘর নির্মাণের কাজ শুরু করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
খবর পেয়ে ডুমুরিয়া থানার এএসআই আলমগীর হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে চলমান নির্মাণকাজ তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করে দেন।
চিকিৎসাধীন মোর্শেদ মোড়ল বলেন, “আমার অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে একটি প্রভাবশালী চক্র বহু বছরের ভোগদখলীয় মৎস্য ঘেরটি দখলের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এই ঘেরই আমার পরিবারের একমাত্র আয়ের উৎস। আমি সুস্থ হয়ে ফিরে এলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
তবে অভিযোগ অস্বীকার না করে হাবিবুর রহমান ফকির বলেন, ওই এলাকায় আমরা কিছু জমি হারি নিয়েছি। তাই সেখানে একটি ঘর নির্মাণের কাজ করছিলাম।
ডুমুরিয়া থানার এএসআই আলমগীর হোসেন বলেন, “মৎস্য ঘেরকে কেন্দ্র করে বিরোধের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আপাতত ঘেরের ভেতরে সব ধরনের নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডুমুরিয়া প্রতিনিধি, 


















