আজ ০২:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানালেন আব্দুর রউফ সাতক্ষীরার উন্নয়নে প্রতিটি কাজ দায়িত্বশীলতার সাথে করবো: মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক গণভোটে জনগণ সংস্কার ও পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছে : আলী রীয়াজ সাতক্ষীরা সদর ও দেবহাটাবাসীকে কৃতজ্ঞতা জানালেন আব্দুর রউফ প্রতিশ্রুতির বন্যায় ভাসছে সাতক্ষীরার ভোটাররা জগন্নাথপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে পাঠদান জামায়াতের জনসভায় ২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লায় ভোটের আহ্বান দেবহাটায় দিনব্যাপী গণসংযোগে সাবেক এমপি আশরাফুজ্জামান আশু ব্যস্ততা ছাপিয়ে সাতক্ষীরায় সাংবাদিক পরিবারের মিলনমেলা সাতক্ষীরা পৌরসভার ধানের শীষের পক্ষে আলহাজ্ব আব্দুর রউফের উঠান বৈঠক

সাতক্ষীরার দুটিসহ ১০৪ প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের ‘ভুয়া’ চিঠি : সতর্ক করল মন্ত্রণালয়

  • আব্দুর রহমান
  • আপডেট সময়: ০১:৩৫:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২৩৭ বার পড়া হয়েছে

১০৪টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে- এমন একটি চিঠি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সেটিকে ভুয়া বলে সতর্ক করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে ছড়িয়ে পড়া ওই তালিকায় সাতক্ষীরার দুটি প্রতিষ্ঠানের নামও ছিল। তালিকায় উল্লেখ ছিল, সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার নিজাম উদ্দিন আদর্শ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং দেবহাটা উপজেলার দক্ষিণ খেশরা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের জন্য অনুমোদন পেয়েছে। পরে ২৭ জানুয়ারি মন্ত্রণালয়ের বিদ্যালয়-১ অধিশাখা থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় জানানো হয়, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক পরিচয়ে স্বাক্ষরিত ১৫ জানুয়ারির ওই পত্রটি সঠিক নয়। বিষয়টি প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের নজরে এলে তারা পত্রটিকে ভুয়া বলে মন্ত্রণালয়কে অবহিত করে। উপসচিব রাজীব কুমার সরকারের স্বাক্ষরিত নির্দেশনায় মাঠপর্যায়ের সব দপ্তর ও সংস্থাকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানানো হয়। পরদিন ২৯ জানুয়ারি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনাটি পাঠায় এবং উপজেলা ও থানা শিক্ষা কর্মকর্তাদের অবহিত করতে বলে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভুয়া চিঠির কারণে বিভিন্ন এলাকায় বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। যাচাই ছাড়া এ ধরনের তথ্য বিশ্বাস না করার আহ্বান জানানো হয়েছে। সাতক্ষীরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল আমীন জানান, “মাঠ পর্যায়ে আমাদের সকল কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ইতিমধ্যেই সতর্ক করা হয়েছে। এ ধরনের ভুয়া চিঠি শিক্ষকদের এবং অভিভাবকদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে। তাই কেউ যাচাই ছাড়াই এই ধরনের তথ্যের ওপর নির্ভর করবেন না।”

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানালেন আব্দুর রউফ

সাতক্ষীরার দুটিসহ ১০৪ প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের ‘ভুয়া’ চিঠি : সতর্ক করল মন্ত্রণালয়

আপডেট সময়: ০১:৩৫:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

১০৪টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে- এমন একটি চিঠি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সেটিকে ভুয়া বলে সতর্ক করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে ছড়িয়ে পড়া ওই তালিকায় সাতক্ষীরার দুটি প্রতিষ্ঠানের নামও ছিল। তালিকায় উল্লেখ ছিল, সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার নিজাম উদ্দিন আদর্শ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং দেবহাটা উপজেলার দক্ষিণ খেশরা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের জন্য অনুমোদন পেয়েছে। পরে ২৭ জানুয়ারি মন্ত্রণালয়ের বিদ্যালয়-১ অধিশাখা থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় জানানো হয়, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক পরিচয়ে স্বাক্ষরিত ১৫ জানুয়ারির ওই পত্রটি সঠিক নয়। বিষয়টি প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের নজরে এলে তারা পত্রটিকে ভুয়া বলে মন্ত্রণালয়কে অবহিত করে। উপসচিব রাজীব কুমার সরকারের স্বাক্ষরিত নির্দেশনায় মাঠপর্যায়ের সব দপ্তর ও সংস্থাকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানানো হয়। পরদিন ২৯ জানুয়ারি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনাটি পাঠায় এবং উপজেলা ও থানা শিক্ষা কর্মকর্তাদের অবহিত করতে বলে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভুয়া চিঠির কারণে বিভিন্ন এলাকায় বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। যাচাই ছাড়া এ ধরনের তথ্য বিশ্বাস না করার আহ্বান জানানো হয়েছে। সাতক্ষীরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল আমীন জানান, “মাঠ পর্যায়ে আমাদের সকল কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ইতিমধ্যেই সতর্ক করা হয়েছে। এ ধরনের ভুয়া চিঠি শিক্ষকদের এবং অভিভাবকদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে। তাই কেউ যাচাই ছাড়াই এই ধরনের তথ্যের ওপর নির্ভর করবেন না।”