আজ ০৫:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
১৮০ দিনের মূল্যায়ন শেষে মন্ত্রিসভায় বড় পরিবর্তনের আভাস শ্যামনগরের উপকূলীয় কৈখালী ভূমি অফিসে জরাজীর্ণ টিন সেটে চলছে দুই ইউনিয়নের ভূমি সেবা আশাশুনির তেতুলিয়া-টিকা সড়কের কোদালশাহ স্লুইস গেটে ধস,প্লাবনের শঙ্কায় ১০ গ্রামের মানুষ দেবহাটা-কালিগঞ্জে সরকারি বরাদ্দের টাকা গিলে খাচ্ছে পিআইও মফিজুর ‘তোমরা আমাদের অবাক করে দিয়েছ’, মিরাজকে গিলক্রিস্ট ট্রলের ‘লর্ড শান্ত’ এখন সত্যিকারের ‘লর্ড’ সাতক্ষীরায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা, র‍্যালি মৎস্য পোনা অবমুক্তকরণ ও পুরস্কার বিতরণ সাতক্ষীরায় বল্লী ইউনিয়নে জমিজমা বিরোধের জেরে নারীসহ পরিবারের ওপর হামলায় থানায় লিখিত অভিযোগ চিকিৎসার আশ্বাসে তালায় এনে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় নারীসহ গ্রেপ্তার ২ শ্যামনগরের উপকূলে রাস্তা সংস্কার না হওয়ায় এলাকাবাসী ধান রোপন করে প্রতিবাদ

ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে দক্ষিণ সুলতানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান

  • আব্দুর রহমান
  • আপডেট সময়: ০১:৩২:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
  • ৭৫৭ বার পড়া হয়েছে

ছাদ থেকে প্লাস্টার খসে পড়ছে প্রায়ই। কোথাও বেরিয়ে আছে মরিচাধরা রড। একাধিকবার সিলিং ফ্যান খুলে পড়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। বৃষ্টি হলেই ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে শ্রেণীকক্ষ ও অফিসকক্ষে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। দেয়াল, ছাদ, পিলার ও বিমে দেখা দিয়েছে ফাঁটল। শ্রেণীকক্ষ ও অফিস রুমের মেঝেও দেবে গেছে। এমন ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই চলছে ২৬ নং দক্ষিণ সুলতানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান। বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কায় রয়েছেন। ভগ্নদশা ভবনের কারণে শিক্ষার্থী সংখ্যা দিন দিন কমছে। সরেজমিনে দেখা যায়, চার কক্ষবিশিষ্ট পুরোনো একতলা ভবনের একটি অফিসরুম এবং তিনটি শ্রেণিকক্ষে পাঠদান চলছে। ১৯৯৫ সালে নির্মিত ভবনটির ছাদে বড় বড় অংশ খসে পড়েছে। কোথাও কোথাও ফাঁটল ধরে আছে দেয়ালজুড়ে। শ্রেণীকক্ষে জলাবদ্ধতা আর দেবে যাওয়া মেঝে শিক্ষার্থীদের আতঙ্ক বাড়িয়ে দিয়েছে। বিদ্যালয়টি ১৯৭২ সালে পাঁচ শতক জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়। শিক্ষার্থীরা জানায়, ভাঙাচোরা শ্রেণিকক্ষে পড়তে তাদের ভয় লাগে। যে কোনো সময় ছাদ বা দেয়ালের অংশ ভেঙে পড়তে পারে বলে আতঙ্কে থাকতে হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, “২০২৩ সালে যোগদানের পর থেকেই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই পাঠদান চালিয়ে যাচ্ছি। অভিভাবকেরা অনেকেই নিরাপত্তার কথা ভেবে অন্য প্রতিষ্ঠানে সন্তানদের পাঠাচ্ছেন। নতুন ভবন নির্মাণের জন্য একাধিকবার আবেদন করেছি, এখনও কোনো ফল পাইনি।” এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন বলেন, “বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী সংখ্যা কম হলেও নতুন ভবনের প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৫) এর আওতায় ভবন অনুমোদনের সম্ভাবনা রয়েছে।” স্থানীয়দের মতে, দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণ না হলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

১৮০ দিনের মূল্যায়ন শেষে মন্ত্রিসভায় বড় পরিবর্তনের আভাস

ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে দক্ষিণ সুলতানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান

আপডেট সময়: ০১:৩২:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

ছাদ থেকে প্লাস্টার খসে পড়ছে প্রায়ই। কোথাও বেরিয়ে আছে মরিচাধরা রড। একাধিকবার সিলিং ফ্যান খুলে পড়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। বৃষ্টি হলেই ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে শ্রেণীকক্ষ ও অফিসকক্ষে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। দেয়াল, ছাদ, পিলার ও বিমে দেখা দিয়েছে ফাঁটল। শ্রেণীকক্ষ ও অফিস রুমের মেঝেও দেবে গেছে। এমন ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই চলছে ২৬ নং দক্ষিণ সুলতানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান। বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কায় রয়েছেন। ভগ্নদশা ভবনের কারণে শিক্ষার্থী সংখ্যা দিন দিন কমছে। সরেজমিনে দেখা যায়, চার কক্ষবিশিষ্ট পুরোনো একতলা ভবনের একটি অফিসরুম এবং তিনটি শ্রেণিকক্ষে পাঠদান চলছে। ১৯৯৫ সালে নির্মিত ভবনটির ছাদে বড় বড় অংশ খসে পড়েছে। কোথাও কোথাও ফাঁটল ধরে আছে দেয়ালজুড়ে। শ্রেণীকক্ষে জলাবদ্ধতা আর দেবে যাওয়া মেঝে শিক্ষার্থীদের আতঙ্ক বাড়িয়ে দিয়েছে। বিদ্যালয়টি ১৯৭২ সালে পাঁচ শতক জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়। শিক্ষার্থীরা জানায়, ভাঙাচোরা শ্রেণিকক্ষে পড়তে তাদের ভয় লাগে। যে কোনো সময় ছাদ বা দেয়ালের অংশ ভেঙে পড়তে পারে বলে আতঙ্কে থাকতে হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, “২০২৩ সালে যোগদানের পর থেকেই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই পাঠদান চালিয়ে যাচ্ছি। অভিভাবকেরা অনেকেই নিরাপত্তার কথা ভেবে অন্য প্রতিষ্ঠানে সন্তানদের পাঠাচ্ছেন। নতুন ভবন নির্মাণের জন্য একাধিকবার আবেদন করেছি, এখনও কোনো ফল পাইনি।” এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন বলেন, “বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী সংখ্যা কম হলেও নতুন ভবনের প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৫) এর আওতায় ভবন অনুমোদনের সম্ভাবনা রয়েছে।” স্থানীয়দের মতে, দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণ না হলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।