আজ ১২:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
এক মাসের মধ্যে শাখরা-কোমরপুর সেতুর সংস্কারকাজ শুরুর ঘোষণা দিলেন আব্দুর রউফ উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক রোকনুজ্জামান রোকনের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ সাতক্ষীরায় জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবের সঙ্গে ছাত্রদল নেতাদের শুভেচ্ছা বিনিময় সাতক্ষীরায় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ এর জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা নিখোঁজের ১৫ বছর: আবু সেলিমের সন্ধান কামনায় সাতক্ষীরায় দোয়া মাহফিল আলিপুর ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালন সাতক্ষীরা মায়ের বাড়ি পুকুরের ঘাট নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন সত্য ও সাহসের আলোকযাত্রায় ১১ বছরে দক্ষিণের মশাল প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬: সাতক্ষীরায় সেরাদের জয়গান সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগে ডিসির প্রেস ব্রিফিং বর্জন

জগন্নাথপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে পাঠদান

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০৩:২২:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৭১৯ বার পড়া হয়েছে

সুরাইয়া খাতুন: সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা উপজেলার জগন্নাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন দীর্ঘদিন ধরে মেরামতের অভাবে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। বিদ্যালয়টিতে ১নং ভবন (তিন কক্ষ) ২০০২ সালে এবং ২নং ভবন (দুই কক্ষ) ২০০৯ সালে নির্মিত হলেও ফাটল ধরে পড়া দেয়াল ও ছাদের ক্ষয়জনিত কারণে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ নয়। বিশেষত বৃষ্টির সময় পানি পড়ে বই-খাতা ভিজে যায়। বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী হুমাইরা হিমি ও নুসরাত জাহান জানান, বৃষ্টি হলে ক্লাসে আসতে ভয় লাগে। অভিভাবক আব্দুর রউফ ও মামুন হোসেন বলেন, ভবনের দুরবস্থা নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। আমিনা খাতুন বলেন, ছোট শিশুরা শ্রেণিকক্ষে আতঙ্কের মধ্যে পড়াশোনা করছে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ গোলাম ফারুক জানান, লবণাক্ত এলাকা ও পাশের মাছের ঘেরের কারণে ভবন দ্রুত ক্ষয় হচ্ছে। বর্তমানে ১০৫ জন শিক্ষার্থীকে জোড়া তালি দিয়ে পাঠদান করতে হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা ভয়ে বিদ্যালয়ে আসতে চায় না। উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ শাহজাহান আলী বলেন, এখানে ৬জন শিক্ষকের মধ্যে ২টি পদ শূন্য রয়েছে এবং দুইটি ভবন চরম ঝুঁকিপূর্ণ। নতুন ভবন নির্মাণের জন্য ইতোমধ্যেই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সেখ ইদ্রিস আলী জানান, জগন্নাথপুর সহ উপজেলার ৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঝুঁকিপূর্ণ, নতুন ভবন নির্মাণের জন্য চাহিদা পাঠানো হয়েছে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল আমীন জানান, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের পরিকল্পনা চলছে এবং নতুন ভবনের প্রস্তাব প্রেরণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নতুন ভবন নির্মাণ হলে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নিরাপদ ও মানসম্মত শিক্ষাপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে পারবে।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

এক মাসের মধ্যে শাখরা-কোমরপুর সেতুর সংস্কারকাজ শুরুর ঘোষণা দিলেন আব্দুর রউফ

জগন্নাথপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে পাঠদান

আপডেট সময়: ০৩:২২:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সুরাইয়া খাতুন: সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা উপজেলার জগন্নাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন দীর্ঘদিন ধরে মেরামতের অভাবে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। বিদ্যালয়টিতে ১নং ভবন (তিন কক্ষ) ২০০২ সালে এবং ২নং ভবন (দুই কক্ষ) ২০০৯ সালে নির্মিত হলেও ফাটল ধরে পড়া দেয়াল ও ছাদের ক্ষয়জনিত কারণে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ নয়। বিশেষত বৃষ্টির সময় পানি পড়ে বই-খাতা ভিজে যায়। বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী হুমাইরা হিমি ও নুসরাত জাহান জানান, বৃষ্টি হলে ক্লাসে আসতে ভয় লাগে। অভিভাবক আব্দুর রউফ ও মামুন হোসেন বলেন, ভবনের দুরবস্থা নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। আমিনা খাতুন বলেন, ছোট শিশুরা শ্রেণিকক্ষে আতঙ্কের মধ্যে পড়াশোনা করছে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ গোলাম ফারুক জানান, লবণাক্ত এলাকা ও পাশের মাছের ঘেরের কারণে ভবন দ্রুত ক্ষয় হচ্ছে। বর্তমানে ১০৫ জন শিক্ষার্থীকে জোড়া তালি দিয়ে পাঠদান করতে হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা ভয়ে বিদ্যালয়ে আসতে চায় না। উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ শাহজাহান আলী বলেন, এখানে ৬জন শিক্ষকের মধ্যে ২টি পদ শূন্য রয়েছে এবং দুইটি ভবন চরম ঝুঁকিপূর্ণ। নতুন ভবন নির্মাণের জন্য ইতোমধ্যেই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সেখ ইদ্রিস আলী জানান, জগন্নাথপুর সহ উপজেলার ৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঝুঁকিপূর্ণ, নতুন ভবন নির্মাণের জন্য চাহিদা পাঠানো হয়েছে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল আমীন জানান, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের পরিকল্পনা চলছে এবং নতুন ভবনের প্রস্তাব প্রেরণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নতুন ভবন নির্মাণ হলে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নিরাপদ ও মানসম্মত শিক্ষাপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে পারবে।