আজ ১০:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ২৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
সাতক্ষীরায় শিক্ষককে হয়রানির প্রতিবাদ সভা ও স্মারকলিপি পেশ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টার সাথে আব্দুর রউফের সৌজন্য সাক্ষাত পাকুন্দিয়ায় পুলিশের চিরুনি অভিযানে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার, আটক ২ সাতক্ষীরায় প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন বেসরকারি শিক্ষকদের উৎসব ভাতা শতভাগ করার আশ্বাস শিক্ষামন্ত্রীর দেবহাটায় অক্সিজেন সংকটে মৎস্য ঘেরে মাছ নিধন, দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী সাতক্ষীরায় হযরত বিলাল (রাঃ) জামে মসজিদে শিশুদের কুরআন শিক্ষা কার্যক্রম চালু ভারতে ৩–৭ বছর আশ্রিত থাকার পর বিশেষ ট্রাভেল পারমিটে দেশে ফিরল ২৮ বাংলাদেশি শিশু না ফেরার দেশে অস্কারজয়ী অভিনেতা রবার্ট ডুভল সাতক্ষীরার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের নির্দেশ

জগন্নাথপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে পাঠদান

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০৩:২২:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৪১৩ বার পড়া হয়েছে

সুরাইয়া খাতুন: সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা উপজেলার জগন্নাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন দীর্ঘদিন ধরে মেরামতের অভাবে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। বিদ্যালয়টিতে ১নং ভবন (তিন কক্ষ) ২০০২ সালে এবং ২নং ভবন (দুই কক্ষ) ২০০৯ সালে নির্মিত হলেও ফাটল ধরে পড়া দেয়াল ও ছাদের ক্ষয়জনিত কারণে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ নয়। বিশেষত বৃষ্টির সময় পানি পড়ে বই-খাতা ভিজে যায়। বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী হুমাইরা হিমি ও নুসরাত জাহান জানান, বৃষ্টি হলে ক্লাসে আসতে ভয় লাগে। অভিভাবক আব্দুর রউফ ও মামুন হোসেন বলেন, ভবনের দুরবস্থা নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। আমিনা খাতুন বলেন, ছোট শিশুরা শ্রেণিকক্ষে আতঙ্কের মধ্যে পড়াশোনা করছে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ গোলাম ফারুক জানান, লবণাক্ত এলাকা ও পাশের মাছের ঘেরের কারণে ভবন দ্রুত ক্ষয় হচ্ছে। বর্তমানে ১০৫ জন শিক্ষার্থীকে জোড়া তালি দিয়ে পাঠদান করতে হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা ভয়ে বিদ্যালয়ে আসতে চায় না। উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ শাহজাহান আলী বলেন, এখানে ৬জন শিক্ষকের মধ্যে ২টি পদ শূন্য রয়েছে এবং দুইটি ভবন চরম ঝুঁকিপূর্ণ। নতুন ভবন নির্মাণের জন্য ইতোমধ্যেই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সেখ ইদ্রিস আলী জানান, জগন্নাথপুর সহ উপজেলার ৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঝুঁকিপূর্ণ, নতুন ভবন নির্মাণের জন্য চাহিদা পাঠানো হয়েছে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল আমীন জানান, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের পরিকল্পনা চলছে এবং নতুন ভবনের প্রস্তাব প্রেরণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নতুন ভবন নির্মাণ হলে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নিরাপদ ও মানসম্মত শিক্ষাপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে পারবে।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

সাতক্ষীরায় শিক্ষককে হয়রানির প্রতিবাদ সভা ও স্মারকলিপি পেশ

জগন্নাথপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে পাঠদান

আপডেট সময়: ০৩:২২:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সুরাইয়া খাতুন: সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা উপজেলার জগন্নাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন দীর্ঘদিন ধরে মেরামতের অভাবে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। বিদ্যালয়টিতে ১নং ভবন (তিন কক্ষ) ২০০২ সালে এবং ২নং ভবন (দুই কক্ষ) ২০০৯ সালে নির্মিত হলেও ফাটল ধরে পড়া দেয়াল ও ছাদের ক্ষয়জনিত কারণে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ নয়। বিশেষত বৃষ্টির সময় পানি পড়ে বই-খাতা ভিজে যায়। বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী হুমাইরা হিমি ও নুসরাত জাহান জানান, বৃষ্টি হলে ক্লাসে আসতে ভয় লাগে। অভিভাবক আব্দুর রউফ ও মামুন হোসেন বলেন, ভবনের দুরবস্থা নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। আমিনা খাতুন বলেন, ছোট শিশুরা শ্রেণিকক্ষে আতঙ্কের মধ্যে পড়াশোনা করছে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ গোলাম ফারুক জানান, লবণাক্ত এলাকা ও পাশের মাছের ঘেরের কারণে ভবন দ্রুত ক্ষয় হচ্ছে। বর্তমানে ১০৫ জন শিক্ষার্থীকে জোড়া তালি দিয়ে পাঠদান করতে হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা ভয়ে বিদ্যালয়ে আসতে চায় না। উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ শাহজাহান আলী বলেন, এখানে ৬জন শিক্ষকের মধ্যে ২টি পদ শূন্য রয়েছে এবং দুইটি ভবন চরম ঝুঁকিপূর্ণ। নতুন ভবন নির্মাণের জন্য ইতোমধ্যেই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সেখ ইদ্রিস আলী জানান, জগন্নাথপুর সহ উপজেলার ৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঝুঁকিপূর্ণ, নতুন ভবন নির্মাণের জন্য চাহিদা পাঠানো হয়েছে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল আমীন জানান, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের পরিকল্পনা চলছে এবং নতুন ভবনের প্রস্তাব প্রেরণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নতুন ভবন নির্মাণ হলে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নিরাপদ ও মানসম্মত শিক্ষাপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে পারবে।