আজ ০৬:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
তীব্র গরমে লোডশেডিং, শেষ ভরসা বাঁশবাগান ভোমরা স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় আজ শুরু বৃত্তি পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে ৮৫০২ শিক্ষার্থী শ্যামনগরে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরকারি প্রকল্পে বাধা, চাঁদাদাবি ও হুমকির অভিযোগ বর্ণাঢ্য আয়োজনে সাতক্ষীরার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে বাংলা নববর্ষ উদযাপিত সাতক্ষীরায় নববর্ষের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা এমপি না হয়েও শাখরা–কোমরপুর ব্রিজ সংস্কারের প্রতিশ্রুতি রাখলেন আব্দুর রউফ সাতক্ষীরায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস উদযাপন শিক্ষার্থীদের ভর্তি ও উপস্থিতিতি বাড়াতে প্রধান শিক্ষকের উদ্যোগে মিড-ডে মিল সাতক্ষীরা স্কলার হাবের উদ্যোগে ইতালিতে স্কলারশিপে পড়ার সুযোগ

মার্শাল ল: ২৩ বছরের কারাদণ্ড মিলল দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রীর

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০৪:৫৪:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৬৯ বার পড়া হয়েছে

দক্ষিণ কোরিয়ার এক আদালত দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী হান ডাক-সু’কে ২৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলের মার্শাল ল ঘোষণা সংশ্লিষ্ট বিদ্রোহসহ একাধিক অভিযোগে গতকাল বুধবার তাকে এ সাজা দেওয়া হয়, জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। ১৩ মাস আগের মার্শাল ল সংক্রান্ত ফৌজদারি অপরাধে এটাই সাবেক মন্ত্রিসভার কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে রায়। এ রায় অন্য মামলাগুলোর ক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট ৭৬ বছর বয়সী হানকে দোষী সাব্যস্ত করছে কারণ, মন্ত্রিসভার সেই বৈঠক আয়োজনে সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন, যেখান থেকে মার্শাল ল’র ঘোষণা আসে, বলেছেন এক বিচারক। তিনি এ পদক্ষেপকে ‘আগাগোড়া বিদ্রোহ’ বলে অভিহিত করছেন। বিদ্রোহের অংশ হিসেবে পার্লামেন্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম বন্ধের পরিকল্পনার আলোচনায়ও হান অংশ নিয়েছিলেন, বলেছেন বিচারক। “অভিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, যাকে পরোক্ষভাবে গণতান্ত্রিক বৈধতা ও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তা সত্ত্বেও অভিযুক্ত চোখ বুজে থাকাকেই বেছে নিয়েছিলেন এবং ৩ ডিসেম্বরের বিদ্রোহে সদস্য হিসেবে অংশ নিয়েছিলেন। “এর ফলে দক্ষিণ কোরিয়া সেই কালো অতীতে ফিরে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছিল, যখন মৌলিক অধিকার ও জনগণের উদার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা লঙ্ঘিত হতো, হয়তো সেই অবস্থা থেকে মুক্তিও মিলতো না, দীর্ঘ সময় স্বৈরশাসনে থাকা লাগতো,” বলেছেন বিচারক। আদালত ‘বিদ্রোহের মূল কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার’ পাশাপাশি মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া এবং সরকারি নথি জাল করা সংশ্লিষ্ট অপরাধেও হানকে দোষী সাব্যস্ত করেছে। “আমি সশ্রদ্ধচিত্তে বিচারকের রায় মেনে চলবো,” রায়ের পর এমনটাই বলেছেন স্যুট, সবুজ টাই পরিহিত হান। মিথ্যা সাক্ষ্য ছাড়া তিনি তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন। নভেম্বরে তিনি বলেছিলেন, ইউনকে মার্শাল ল ঘোষণা থেকে বিরত রাখতে না পারায় তিনি আক্ষেপ করেন এবং তিনি কখনোই ‘এতে (মার্শাল ল) রাজি ছিলেন না কিংবা এটি জারিতে প্রেসিডেন্টকে সহায়তাও করেননি’। কৌঁসুলিরা হানের ১৫ বছরের কারাদণ্ড চেয়েছিলেন।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

তীব্র গরমে লোডশেডিং, শেষ ভরসা বাঁশবাগান

মার্শাল ল: ২৩ বছরের কারাদণ্ড মিলল দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট সময়: ০৪:৫৪:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

দক্ষিণ কোরিয়ার এক আদালত দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী হান ডাক-সু’কে ২৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলের মার্শাল ল ঘোষণা সংশ্লিষ্ট বিদ্রোহসহ একাধিক অভিযোগে গতকাল বুধবার তাকে এ সাজা দেওয়া হয়, জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। ১৩ মাস আগের মার্শাল ল সংক্রান্ত ফৌজদারি অপরাধে এটাই সাবেক মন্ত্রিসভার কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে রায়। এ রায় অন্য মামলাগুলোর ক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট ৭৬ বছর বয়সী হানকে দোষী সাব্যস্ত করছে কারণ, মন্ত্রিসভার সেই বৈঠক আয়োজনে সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন, যেখান থেকে মার্শাল ল’র ঘোষণা আসে, বলেছেন এক বিচারক। তিনি এ পদক্ষেপকে ‘আগাগোড়া বিদ্রোহ’ বলে অভিহিত করছেন। বিদ্রোহের অংশ হিসেবে পার্লামেন্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম বন্ধের পরিকল্পনার আলোচনায়ও হান অংশ নিয়েছিলেন, বলেছেন বিচারক। “অভিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, যাকে পরোক্ষভাবে গণতান্ত্রিক বৈধতা ও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তা সত্ত্বেও অভিযুক্ত চোখ বুজে থাকাকেই বেছে নিয়েছিলেন এবং ৩ ডিসেম্বরের বিদ্রোহে সদস্য হিসেবে অংশ নিয়েছিলেন। “এর ফলে দক্ষিণ কোরিয়া সেই কালো অতীতে ফিরে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছিল, যখন মৌলিক অধিকার ও জনগণের উদার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা লঙ্ঘিত হতো, হয়তো সেই অবস্থা থেকে মুক্তিও মিলতো না, দীর্ঘ সময় স্বৈরশাসনে থাকা লাগতো,” বলেছেন বিচারক। আদালত ‘বিদ্রোহের মূল কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার’ পাশাপাশি মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া এবং সরকারি নথি জাল করা সংশ্লিষ্ট অপরাধেও হানকে দোষী সাব্যস্ত করেছে। “আমি সশ্রদ্ধচিত্তে বিচারকের রায় মেনে চলবো,” রায়ের পর এমনটাই বলেছেন স্যুট, সবুজ টাই পরিহিত হান। মিথ্যা সাক্ষ্য ছাড়া তিনি তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন। নভেম্বরে তিনি বলেছিলেন, ইউনকে মার্শাল ল ঘোষণা থেকে বিরত রাখতে না পারায় তিনি আক্ষেপ করেন এবং তিনি কখনোই ‘এতে (মার্শাল ল) রাজি ছিলেন না কিংবা এটি জারিতে প্রেসিডেন্টকে সহায়তাও করেননি’। কৌঁসুলিরা হানের ১৫ বছরের কারাদণ্ড চেয়েছিলেন।