আজ ১১:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
GAROP-এর স্টিয়ারিং গ্রুপ নির্বাচনে প্রার্থী বাংলাদেশের প্রবীণ মানবাধিকারকর্মী আশেক-ই-এলাহী যশোরের শার্শায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১৮টি স্বর্ণের বার সহ ১ জন আটক। এসিল্যান্ড অফিসের নাকের ডগায় সংস্কারের নামে নতুন দোকান ঘর নির্মাণের অভিযোগ সাতক্ষীরার কালারোয়ায় মৃত্যু ফাঁদে পরিণত হয়েছে বৈদ্যুতিক খুঁটি, আগুন আতঙ্কে দিন কাটছে এক পরিবারের। আলিপুরে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন ধানদিয়া ইউনিয়নে নির্বাচনী তৎপরতা ও গণসংযোগ করেছেন আলহাজ্ব মোঃ আসাদুজ্জামান আসাদ সাতক্ষীরার কালারোয়ায় মৃত্যু ফাঁদে পরিণত হয়েছে বৈদ্যুতিক খুঁটি, আগুন আতঙ্কে দিন কাটছে এক পরিবারের। সাতক্ষীরায় আইনজীবী সমিতির নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের প্রস্তুতি সভা তালায় ১৯টি দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন বিএনপি নেতা ও তালা সদর ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ মো. রেজাউল ইসলাম রেজা তামাকমুক্ত সাতক্ষীরা পৌরসভা গড়তে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

GAROP-এর স্টিয়ারিং গ্রুপ নির্বাচনে প্রার্থী বাংলাদেশের প্রবীণ মানবাধিকারকর্মী আশেক-ই-এলাহী

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০৩:১৮:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ৪১ বার পড়া হয়েছে

জলবায়ু–ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় অঞ্চলের প্রবীণ মানুষের অধিকার ও কণ্ঠস্বর আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরার অঙ্গীকার বাংলাদেশের প্রবীণ মানবাধিকারকর্মী আশেক-ই-এলাহী ২০২৬ সালের গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর দ্য রাইটস অব ওল্ডার পিপল (GAROP)-এর স্টিয়ারিং গ্রুপ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন। মানবাধিকার, সামাজিক ন্যায়বিচার, সাম্য ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে তাঁর সংগ্রামের অভিজ্ঞতা এই প্রার্থিতার মূল ভিত্তি।

বর্তমানে ৭১ বছরের বেশি বয়সী আশেক-ই-এলাহী ২১ বছর বয়স থেকে ন্যায়বিচার ও সমতাভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে যুক্ত রয়েছেন। দীর্ঘ এই পথচলায় তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে নানা ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। তবুও মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে তাঁর অঙ্গীকার কখনো বিচ্যুত হয়নি। তিনি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ মানবাধিকার নেটওয়ার্ক, বাংলাদেশ মানবাধিকার সমন্বয় পরিষদ (CCHRB)-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার ফোরাম ও বাংলাদেশ মানবাধিকার সংস্কৃতি ফেডারেশনের সাথে যুক্ত। সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটর অন্যতম সংগঠক হিসেবে সাতক্ষীরার আর্থ সামজিক উন্নয়নের আন্দোলনের অগ্রভাগের অবস্থান। আদি যমুনা নদী বাচাও আন্দোলন কমিটির সভাপতি, জলবায়ু পরিষদ এর সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ভ‚মি কমিটি, পানি কমিটি, পিস ফ্যাসিলেটেড গ্রæপ, ফোরাম ফর রিলিজিয়াস এন্ড বিলিভ, পিস ক্লাব, জিরো পেইন ক্লাব. প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাথে যুক্ত। সাতক্ষীরা থকেে প্রকাশতি স্থানীয় দনৈকি দক্ষণিরে মশাল পত্রকিার সম্পাদক। মানবাধকিার রক্ষা, সামাজকি ন্যায়বচিার প্রতষ্ঠিা এবং প্রান্তকি মানুষরে অধকিার ও দাবি তুলে ধরার ক্ষত্রেে তাঁর র্দীঘদনি সম্পৃক্ত।

গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর দ্য রাইটস অব ওল্ডার পিপল GAROP  ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক, যার লক্ষ্য বিশ্বব্যাপী প্রবীণ মানুষের অধিকার ও কণ্ঠস্বরকে শক্তিশালী করা। সংস্থাটির নেটওয়ার্কে বিশ্বের প্রায় ৮৫টি দেশের ৪০০-এর বেশি সদস্য রয়েছে। সংস্থাটি জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ জোরদার করে প্রবীণ মানুষের অধিকার সুরক্ষায় একটি নতুন আন্তর্জাতিক আইনগত দলিল বা আন্তর্জাতিক কনভেনশন প্রণয়নের পক্ষে কাজ করে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বয়সের কারণে বৈষম্য, অধিকার লঙ্ঘন, সামাজিক নিরাপত্তাহীনতা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় প্রবীণ মানুষের সীমিত অংশগ্রহণের মতো সমস্যাগুলো মোকাবিলায় GAROP গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রবীণদের জীবনের অভিজ্ঞতা, চাহিদা ও মতামতকে তাঁদের জীবনকে প্রভাবিত করে এমন নীতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করার ওপর সংস্থাটি বিশেষ গুরুত্ব দেয়।

GAROP জাতীসংঘ প্রবীনদের জন্য মানবাধিকার নিশ্চিত করতে প্রযেয়াজনীয় কার্যকর নীতিমাল সদস্য রাস্ট্র সমুহ নিশ্চিত করে সে বিষয়ে টেকনিক্যাল সহযোগিতা করে থাকে। একই সংগে এ কাযক্রমের অনুসংঘ হিসেবে ইতোমধ্যে গড়ে উঠেছে জাতীসংঘের সদস্য রাস্ট্র সমুহের প্রতিনিধিদের নিয়ে ইন্টার গর্ভামেন্টাল ওয়ারকিং গ্রæপ ওএডএ । সাবেক অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহী , ওয়ারকিং গ্রæপের প্রথম সভায় গত ফেব্রæয়ারীতে জেনেভা (সুইজারল্যান্ড) এ জাতীসংঘ ভবনে অংশ গ্রহণ করেন।

GAROP -এর স্টিয়ারিং গ্রুপ নির্বাচিত সদস্যদের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এই কাঠামোর নির্বাচনে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে আশেক-ই-এলাহী বাংলাদেশের প্রবীণ মানুষ, বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর বাস্তব অভিজ্ঞতা ও অধিকারসংক্রান্ত বিষয়গুলো আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরার প্রত্যাশা K‡ib।

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উপকূলীয় জনপদে নদীভাঙন, লবণাক্ততা, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, জলাবদ্ধতা এবং অন্যান্য জলবায়ুজনিত ঝুঁকি মানুষের জীবন ও জীবিকাকে প্রতিনিয়ত প্রভাবিত করছে। এসব ঝুঁকির মধ্যে বসবাসকারী প্রবীণ মানুষ অwaKvsk সময় স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপদ পানি, সামাজিক সুরক্ষা, জীবিকা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হন।

আশেক-ই-এলাহী মনে করেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত প্রবীণ মানুষের অভিজ্ঞতা, চাহিদা ও অধিকার আন্তর্জাতিক নীতিনির্ধারণী আলোচনায় যথাযথ গুরুত্ব পাওয়া প্রয়োজন। প্রবীণ মানুষকে কেবল সহায়তা গ্রহণকারী হিসেবে নয়, বরং অধিকারসম্পন্ন নাগরিক এবং সমাজের অভিজ্ঞ ও গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে।

তাঁর লক্ষ্য বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের অভিজ্ঞতাকে বিশ্বের অন্যান্য জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের প্রবীণ মানুষের অভিজ্ঞতার সঙ্গে যুক্ত করা এবং তাঁদের অধিকার, মর্যাদা ও ন্যায়বিচারের দাবিকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আন্দোলনের আরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখা।

আশেক-ই-এলাহী স্পষ্টভাবে মনে করেন, কোনো নির্বাচনে জয়লাভ করা কিংবা আনুষ্ঠানিক পদে অধিষ্ঠিত হওয়ার ওপর মানবাধিকারের সংগ্রাম নির্ভর করতে পারে না। তাঁর মানবিক ও মানবাধিকারবিষয়ক কাজ ব্যক্তিগত বিশ্বাস, মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকে পরিচালিত হয়েছে।

তিনি বলেন, “আমার মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম কোনো নির্বাচনের ফলাফল কিংবা আনুষ্ঠানিক পদ-পদবির ওপর নির্ভরশীল নয়। নির্বাচনের ফলাফল যা-ই হোক, আমি প্রবীণ মানুষের পাশে থাকব, বিশেষ করে জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাসকারী প্রবীণ মানুষের মানবাধিকার, মর্যাদা, স্বীকৃতি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাব।

তিনি আরও বিশ্বাস করেন, পারস্পরিক সংহতি, সম্মিলিত উদ্যোগ এবং ন্যায়বিচার ও সমতার প্রতি অবিচল অঙ্গীকারের মাধ্যমে একটি মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও সমতাপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব।

প্রার্থিতার মূল লক্ষ্য হলো, প্রবীণ মানুষের অধিকারকে মানবাধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা, জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর অভিজ্ঞতা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরা এবং প্রবীণ মানুষের কণ্ঠস্বরকে নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় আরও কার্যকরভাবে অন্তর্ভুক্ত করার পক্ষে কাজ করা।

GAROP এর সম্মিলিত উদ্যোগে অবদান রাখার সুযোগ পেলে বাংলাদেশের প্রবীণ মানুষ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর বাস্তবতা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আলোচনায় আরও জোরালোভাবে তুলে ধরv m¤¢e n‡e।

 প্রবীণ মানুষের অধিকার মানবাধিকার|  জলবায়ু পরিবর্তনে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে থাকা মানুষের কণ্ঠস্বরকে উপেক্ষা করে ন্যায়ভিত্তিক ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা সম্ভব নয়।

 

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

GAROP-এর স্টিয়ারিং গ্রুপ নির্বাচনে প্রার্থী বাংলাদেশের প্রবীণ মানবাধিকারকর্মী আশেক-ই-এলাহী

GAROP-এর স্টিয়ারিং গ্রুপ নির্বাচনে প্রার্থী বাংলাদেশের প্রবীণ মানবাধিকারকর্মী আশেক-ই-এলাহী

আপডেট সময়: ০৩:১৮:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

জলবায়ু–ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় অঞ্চলের প্রবীণ মানুষের অধিকার ও কণ্ঠস্বর আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরার অঙ্গীকার বাংলাদেশের প্রবীণ মানবাধিকারকর্মী আশেক-ই-এলাহী ২০২৬ সালের গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর দ্য রাইটস অব ওল্ডার পিপল (GAROP)-এর স্টিয়ারিং গ্রুপ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন। মানবাধিকার, সামাজিক ন্যায়বিচার, সাম্য ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে তাঁর সংগ্রামের অভিজ্ঞতা এই প্রার্থিতার মূল ভিত্তি।

বর্তমানে ৭১ বছরের বেশি বয়সী আশেক-ই-এলাহী ২১ বছর বয়স থেকে ন্যায়বিচার ও সমতাভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে যুক্ত রয়েছেন। দীর্ঘ এই পথচলায় তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে নানা ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। তবুও মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে তাঁর অঙ্গীকার কখনো বিচ্যুত হয়নি। তিনি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ মানবাধিকার নেটওয়ার্ক, বাংলাদেশ মানবাধিকার সমন্বয় পরিষদ (CCHRB)-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার ফোরাম ও বাংলাদেশ মানবাধিকার সংস্কৃতি ফেডারেশনের সাথে যুক্ত। সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটর অন্যতম সংগঠক হিসেবে সাতক্ষীরার আর্থ সামজিক উন্নয়নের আন্দোলনের অগ্রভাগের অবস্থান। আদি যমুনা নদী বাচাও আন্দোলন কমিটির সভাপতি, জলবায়ু পরিষদ এর সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ভ‚মি কমিটি, পানি কমিটি, পিস ফ্যাসিলেটেড গ্রæপ, ফোরাম ফর রিলিজিয়াস এন্ড বিলিভ, পিস ক্লাব, জিরো পেইন ক্লাব. প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাথে যুক্ত। সাতক্ষীরা থকেে প্রকাশতি স্থানীয় দনৈকি দক্ষণিরে মশাল পত্রকিার সম্পাদক। মানবাধকিার রক্ষা, সামাজকি ন্যায়বচিার প্রতষ্ঠিা এবং প্রান্তকি মানুষরে অধকিার ও দাবি তুলে ধরার ক্ষত্রেে তাঁর র্দীঘদনি সম্পৃক্ত।

গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর দ্য রাইটস অব ওল্ডার পিপল GAROP  ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক, যার লক্ষ্য বিশ্বব্যাপী প্রবীণ মানুষের অধিকার ও কণ্ঠস্বরকে শক্তিশালী করা। সংস্থাটির নেটওয়ার্কে বিশ্বের প্রায় ৮৫টি দেশের ৪০০-এর বেশি সদস্য রয়েছে। সংস্থাটি জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ জোরদার করে প্রবীণ মানুষের অধিকার সুরক্ষায় একটি নতুন আন্তর্জাতিক আইনগত দলিল বা আন্তর্জাতিক কনভেনশন প্রণয়নের পক্ষে কাজ করে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বয়সের কারণে বৈষম্য, অধিকার লঙ্ঘন, সামাজিক নিরাপত্তাহীনতা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় প্রবীণ মানুষের সীমিত অংশগ্রহণের মতো সমস্যাগুলো মোকাবিলায় GAROP গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রবীণদের জীবনের অভিজ্ঞতা, চাহিদা ও মতামতকে তাঁদের জীবনকে প্রভাবিত করে এমন নীতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করার ওপর সংস্থাটি বিশেষ গুরুত্ব দেয়।

GAROP জাতীসংঘ প্রবীনদের জন্য মানবাধিকার নিশ্চিত করতে প্রযেয়াজনীয় কার্যকর নীতিমাল সদস্য রাস্ট্র সমুহ নিশ্চিত করে সে বিষয়ে টেকনিক্যাল সহযোগিতা করে থাকে। একই সংগে এ কাযক্রমের অনুসংঘ হিসেবে ইতোমধ্যে গড়ে উঠেছে জাতীসংঘের সদস্য রাস্ট্র সমুহের প্রতিনিধিদের নিয়ে ইন্টার গর্ভামেন্টাল ওয়ারকিং গ্রæপ ওএডএ । সাবেক অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহী , ওয়ারকিং গ্রæপের প্রথম সভায় গত ফেব্রæয়ারীতে জেনেভা (সুইজারল্যান্ড) এ জাতীসংঘ ভবনে অংশ গ্রহণ করেন।

GAROP -এর স্টিয়ারিং গ্রুপ নির্বাচিত সদস্যদের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এই কাঠামোর নির্বাচনে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে আশেক-ই-এলাহী বাংলাদেশের প্রবীণ মানুষ, বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর বাস্তব অভিজ্ঞতা ও অধিকারসংক্রান্ত বিষয়গুলো আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরার প্রত্যাশা K‡ib।

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উপকূলীয় জনপদে নদীভাঙন, লবণাক্ততা, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, জলাবদ্ধতা এবং অন্যান্য জলবায়ুজনিত ঝুঁকি মানুষের জীবন ও জীবিকাকে প্রতিনিয়ত প্রভাবিত করছে। এসব ঝুঁকির মধ্যে বসবাসকারী প্রবীণ মানুষ অwaKvsk সময় স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপদ পানি, সামাজিক সুরক্ষা, জীবিকা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হন।

আশেক-ই-এলাহী মনে করেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত প্রবীণ মানুষের অভিজ্ঞতা, চাহিদা ও অধিকার আন্তর্জাতিক নীতিনির্ধারণী আলোচনায় যথাযথ গুরুত্ব পাওয়া প্রয়োজন। প্রবীণ মানুষকে কেবল সহায়তা গ্রহণকারী হিসেবে নয়, বরং অধিকারসম্পন্ন নাগরিক এবং সমাজের অভিজ্ঞ ও গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে।

তাঁর লক্ষ্য বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের অভিজ্ঞতাকে বিশ্বের অন্যান্য জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের প্রবীণ মানুষের অভিজ্ঞতার সঙ্গে যুক্ত করা এবং তাঁদের অধিকার, মর্যাদা ও ন্যায়বিচারের দাবিকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আন্দোলনের আরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখা।

আশেক-ই-এলাহী স্পষ্টভাবে মনে করেন, কোনো নির্বাচনে জয়লাভ করা কিংবা আনুষ্ঠানিক পদে অধিষ্ঠিত হওয়ার ওপর মানবাধিকারের সংগ্রাম নির্ভর করতে পারে না। তাঁর মানবিক ও মানবাধিকারবিষয়ক কাজ ব্যক্তিগত বিশ্বাস, মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকে পরিচালিত হয়েছে।

তিনি বলেন, “আমার মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম কোনো নির্বাচনের ফলাফল কিংবা আনুষ্ঠানিক পদ-পদবির ওপর নির্ভরশীল নয়। নির্বাচনের ফলাফল যা-ই হোক, আমি প্রবীণ মানুষের পাশে থাকব, বিশেষ করে জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাসকারী প্রবীণ মানুষের মানবাধিকার, মর্যাদা, স্বীকৃতি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাব।

তিনি আরও বিশ্বাস করেন, পারস্পরিক সংহতি, সম্মিলিত উদ্যোগ এবং ন্যায়বিচার ও সমতার প্রতি অবিচল অঙ্গীকারের মাধ্যমে একটি মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও সমতাপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব।

প্রার্থিতার মূল লক্ষ্য হলো, প্রবীণ মানুষের অধিকারকে মানবাধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা, জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর অভিজ্ঞতা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরা এবং প্রবীণ মানুষের কণ্ঠস্বরকে নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় আরও কার্যকরভাবে অন্তর্ভুক্ত করার পক্ষে কাজ করা।

GAROP এর সম্মিলিত উদ্যোগে অবদান রাখার সুযোগ পেলে বাংলাদেশের প্রবীণ মানুষ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর বাস্তবতা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আলোচনায় আরও জোরালোভাবে তুলে ধরv m¤¢e n‡e।

 প্রবীণ মানুষের অধিকার মানবাধিকার|  জলবায়ু পরিবর্তনে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে থাকা মানুষের কণ্ঠস্বরকে উপেক্ষা করে ন্যায়ভিত্তিক ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা সম্ভব নয়।