আজ ০২:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
অ্যামেচার ক্রিকেট প্লেয়ার এসোসিয়েশন’র সাধারণ সভা ও ইফতার মাহফিল এলাকার উন্নয়নে তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসতে হবে: আব্দুর রউফ পাটকেলঘাটায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির চেষ্টা, দুইজন আটক স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক সাতক্ষীরা শাখার উদ্যোগে ইফতার বিতরণ গণসংহতি আন্দোলন সাতক্ষীরার আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল সাতক্ষীরায় শিক্ষককে হয়রানির প্রতিবাদ সভা ও স্মারকলিপি পেশ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টার সাথে আব্দুর রউফের সৌজন্য সাক্ষাত পাকুন্দিয়ায় পুলিশের চিরুনি অভিযানে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার, আটক ২ সাতক্ষীরায় প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন বেসরকারি শিক্ষকদের উৎসব ভাতা শতভাগ করার আশ্বাস শিক্ষামন্ত্রীর

মার্শাল ল: ২৩ বছরের কারাদণ্ড মিলল দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রীর

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০৪:৫৪:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৯৮ বার পড়া হয়েছে

দক্ষিণ কোরিয়ার এক আদালত দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী হান ডাক-সু’কে ২৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলের মার্শাল ল ঘোষণা সংশ্লিষ্ট বিদ্রোহসহ একাধিক অভিযোগে গতকাল বুধবার তাকে এ সাজা দেওয়া হয়, জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। ১৩ মাস আগের মার্শাল ল সংক্রান্ত ফৌজদারি অপরাধে এটাই সাবেক মন্ত্রিসভার কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে রায়। এ রায় অন্য মামলাগুলোর ক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট ৭৬ বছর বয়সী হানকে দোষী সাব্যস্ত করছে কারণ, মন্ত্রিসভার সেই বৈঠক আয়োজনে সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন, যেখান থেকে মার্শাল ল’র ঘোষণা আসে, বলেছেন এক বিচারক। তিনি এ পদক্ষেপকে ‘আগাগোড়া বিদ্রোহ’ বলে অভিহিত করছেন। বিদ্রোহের অংশ হিসেবে পার্লামেন্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম বন্ধের পরিকল্পনার আলোচনায়ও হান অংশ নিয়েছিলেন, বলেছেন বিচারক। “অভিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, যাকে পরোক্ষভাবে গণতান্ত্রিক বৈধতা ও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তা সত্ত্বেও অভিযুক্ত চোখ বুজে থাকাকেই বেছে নিয়েছিলেন এবং ৩ ডিসেম্বরের বিদ্রোহে সদস্য হিসেবে অংশ নিয়েছিলেন। “এর ফলে দক্ষিণ কোরিয়া সেই কালো অতীতে ফিরে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছিল, যখন মৌলিক অধিকার ও জনগণের উদার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা লঙ্ঘিত হতো, হয়তো সেই অবস্থা থেকে মুক্তিও মিলতো না, দীর্ঘ সময় স্বৈরশাসনে থাকা লাগতো,” বলেছেন বিচারক। আদালত ‘বিদ্রোহের মূল কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার’ পাশাপাশি মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া এবং সরকারি নথি জাল করা সংশ্লিষ্ট অপরাধেও হানকে দোষী সাব্যস্ত করেছে। “আমি সশ্রদ্ধচিত্তে বিচারকের রায় মেনে চলবো,” রায়ের পর এমনটাই বলেছেন স্যুট, সবুজ টাই পরিহিত হান। মিথ্যা সাক্ষ্য ছাড়া তিনি তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন। নভেম্বরে তিনি বলেছিলেন, ইউনকে মার্শাল ল ঘোষণা থেকে বিরত রাখতে না পারায় তিনি আক্ষেপ করেন এবং তিনি কখনোই ‘এতে (মার্শাল ল) রাজি ছিলেন না কিংবা এটি জারিতে প্রেসিডেন্টকে সহায়তাও করেননি’। কৌঁসুলিরা হানের ১৫ বছরের কারাদণ্ড চেয়েছিলেন।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

অ্যামেচার ক্রিকেট প্লেয়ার এসোসিয়েশন’র সাধারণ সভা ও ইফতার মাহফিল

মার্শাল ল: ২৩ বছরের কারাদণ্ড মিলল দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট সময়: ০৪:৫৪:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

দক্ষিণ কোরিয়ার এক আদালত দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী হান ডাক-সু’কে ২৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলের মার্শাল ল ঘোষণা সংশ্লিষ্ট বিদ্রোহসহ একাধিক অভিযোগে গতকাল বুধবার তাকে এ সাজা দেওয়া হয়, জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। ১৩ মাস আগের মার্শাল ল সংক্রান্ত ফৌজদারি অপরাধে এটাই সাবেক মন্ত্রিসভার কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে রায়। এ রায় অন্য মামলাগুলোর ক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট ৭৬ বছর বয়সী হানকে দোষী সাব্যস্ত করছে কারণ, মন্ত্রিসভার সেই বৈঠক আয়োজনে সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন, যেখান থেকে মার্শাল ল’র ঘোষণা আসে, বলেছেন এক বিচারক। তিনি এ পদক্ষেপকে ‘আগাগোড়া বিদ্রোহ’ বলে অভিহিত করছেন। বিদ্রোহের অংশ হিসেবে পার্লামেন্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম বন্ধের পরিকল্পনার আলোচনায়ও হান অংশ নিয়েছিলেন, বলেছেন বিচারক। “অভিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, যাকে পরোক্ষভাবে গণতান্ত্রিক বৈধতা ও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তা সত্ত্বেও অভিযুক্ত চোখ বুজে থাকাকেই বেছে নিয়েছিলেন এবং ৩ ডিসেম্বরের বিদ্রোহে সদস্য হিসেবে অংশ নিয়েছিলেন। “এর ফলে দক্ষিণ কোরিয়া সেই কালো অতীতে ফিরে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছিল, যখন মৌলিক অধিকার ও জনগণের উদার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা লঙ্ঘিত হতো, হয়তো সেই অবস্থা থেকে মুক্তিও মিলতো না, দীর্ঘ সময় স্বৈরশাসনে থাকা লাগতো,” বলেছেন বিচারক। আদালত ‘বিদ্রোহের মূল কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার’ পাশাপাশি মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া এবং সরকারি নথি জাল করা সংশ্লিষ্ট অপরাধেও হানকে দোষী সাব্যস্ত করেছে। “আমি সশ্রদ্ধচিত্তে বিচারকের রায় মেনে চলবো,” রায়ের পর এমনটাই বলেছেন স্যুট, সবুজ টাই পরিহিত হান। মিথ্যা সাক্ষ্য ছাড়া তিনি তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন। নভেম্বরে তিনি বলেছিলেন, ইউনকে মার্শাল ল ঘোষণা থেকে বিরত রাখতে না পারায় তিনি আক্ষেপ করেন এবং তিনি কখনোই ‘এতে (মার্শাল ল) রাজি ছিলেন না কিংবা এটি জারিতে প্রেসিডেন্টকে সহায়তাও করেননি’। কৌঁসুলিরা হানের ১৫ বছরের কারাদণ্ড চেয়েছিলেন।