আজ ০৬:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল অংশে আঘাত হানতে যাচ্ছে শীতকালীন ঝড় শাবান মাসের শুরুতে যে দোয়া পড়বেন জামায়াত আর কোনও ভোট ডাকাত দেখতে চায় না: শফিকুর রহমান নির্বাচিত হলে নবিজির ন্যায়ের ভিত্তিতে দেশ চালাবো: তারেক রহমান ঝাউডাঙ্গায় জামায়াতে ইসলামী’র মহিলা সমাবেশ অনুষ্ঠিত ধানের শীষে ভোট চেয়ে কাজী আলাউদ্দীনের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু শ্যামনগরে জনসভা ও গণমিছিলের মধ্য দিয়ে গাজী নজরুল ইসলামের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু দাঁড়িপাল্লার পক্ষে গণজাগরণ সৃষ্টি হয়েছে: মিয়া গোলাম পরওয়ার খুলনা জেলা পরিষদের আলোচিত প্রশাসনিক কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান স্ট্যান্ড রিলিজ ভোটারদের সহযোগিতা চাইলেন এমপি প্রার্থী আব্দুর রউফ

মার্শাল ল: ২৩ বছরের কারাদণ্ড মিলল দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রীর

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০৪:৫৪:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

দক্ষিণ কোরিয়ার এক আদালত দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী হান ডাক-সু’কে ২৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলের মার্শাল ল ঘোষণা সংশ্লিষ্ট বিদ্রোহসহ একাধিক অভিযোগে গতকাল বুধবার তাকে এ সাজা দেওয়া হয়, জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। ১৩ মাস আগের মার্শাল ল সংক্রান্ত ফৌজদারি অপরাধে এটাই সাবেক মন্ত্রিসভার কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে রায়। এ রায় অন্য মামলাগুলোর ক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট ৭৬ বছর বয়সী হানকে দোষী সাব্যস্ত করছে কারণ, মন্ত্রিসভার সেই বৈঠক আয়োজনে সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন, যেখান থেকে মার্শাল ল’র ঘোষণা আসে, বলেছেন এক বিচারক। তিনি এ পদক্ষেপকে ‘আগাগোড়া বিদ্রোহ’ বলে অভিহিত করছেন। বিদ্রোহের অংশ হিসেবে পার্লামেন্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম বন্ধের পরিকল্পনার আলোচনায়ও হান অংশ নিয়েছিলেন, বলেছেন বিচারক। “অভিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, যাকে পরোক্ষভাবে গণতান্ত্রিক বৈধতা ও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তা সত্ত্বেও অভিযুক্ত চোখ বুজে থাকাকেই বেছে নিয়েছিলেন এবং ৩ ডিসেম্বরের বিদ্রোহে সদস্য হিসেবে অংশ নিয়েছিলেন। “এর ফলে দক্ষিণ কোরিয়া সেই কালো অতীতে ফিরে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছিল, যখন মৌলিক অধিকার ও জনগণের উদার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা লঙ্ঘিত হতো, হয়তো সেই অবস্থা থেকে মুক্তিও মিলতো না, দীর্ঘ সময় স্বৈরশাসনে থাকা লাগতো,” বলেছেন বিচারক। আদালত ‘বিদ্রোহের মূল কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার’ পাশাপাশি মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া এবং সরকারি নথি জাল করা সংশ্লিষ্ট অপরাধেও হানকে দোষী সাব্যস্ত করেছে। “আমি সশ্রদ্ধচিত্তে বিচারকের রায় মেনে চলবো,” রায়ের পর এমনটাই বলেছেন স্যুট, সবুজ টাই পরিহিত হান। মিথ্যা সাক্ষ্য ছাড়া তিনি তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন। নভেম্বরে তিনি বলেছিলেন, ইউনকে মার্শাল ল ঘোষণা থেকে বিরত রাখতে না পারায় তিনি আক্ষেপ করেন এবং তিনি কখনোই ‘এতে (মার্শাল ল) রাজি ছিলেন না কিংবা এটি জারিতে প্রেসিডেন্টকে সহায়তাও করেননি’। কৌঁসুলিরা হানের ১৫ বছরের কারাদণ্ড চেয়েছিলেন।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল অংশে আঘাত হানতে যাচ্ছে শীতকালীন ঝড়

মার্শাল ল: ২৩ বছরের কারাদণ্ড মিলল দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট সময়: ০৪:৫৪:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

দক্ষিণ কোরিয়ার এক আদালত দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী হান ডাক-সু’কে ২৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলের মার্শাল ল ঘোষণা সংশ্লিষ্ট বিদ্রোহসহ একাধিক অভিযোগে গতকাল বুধবার তাকে এ সাজা দেওয়া হয়, জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। ১৩ মাস আগের মার্শাল ল সংক্রান্ত ফৌজদারি অপরাধে এটাই সাবেক মন্ত্রিসভার কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে রায়। এ রায় অন্য মামলাগুলোর ক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট ৭৬ বছর বয়সী হানকে দোষী সাব্যস্ত করছে কারণ, মন্ত্রিসভার সেই বৈঠক আয়োজনে সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন, যেখান থেকে মার্শাল ল’র ঘোষণা আসে, বলেছেন এক বিচারক। তিনি এ পদক্ষেপকে ‘আগাগোড়া বিদ্রোহ’ বলে অভিহিত করছেন। বিদ্রোহের অংশ হিসেবে পার্লামেন্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম বন্ধের পরিকল্পনার আলোচনায়ও হান অংশ নিয়েছিলেন, বলেছেন বিচারক। “অভিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, যাকে পরোক্ষভাবে গণতান্ত্রিক বৈধতা ও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তা সত্ত্বেও অভিযুক্ত চোখ বুজে থাকাকেই বেছে নিয়েছিলেন এবং ৩ ডিসেম্বরের বিদ্রোহে সদস্য হিসেবে অংশ নিয়েছিলেন। “এর ফলে দক্ষিণ কোরিয়া সেই কালো অতীতে ফিরে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছিল, যখন মৌলিক অধিকার ও জনগণের উদার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা লঙ্ঘিত হতো, হয়তো সেই অবস্থা থেকে মুক্তিও মিলতো না, দীর্ঘ সময় স্বৈরশাসনে থাকা লাগতো,” বলেছেন বিচারক। আদালত ‘বিদ্রোহের মূল কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার’ পাশাপাশি মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া এবং সরকারি নথি জাল করা সংশ্লিষ্ট অপরাধেও হানকে দোষী সাব্যস্ত করেছে। “আমি সশ্রদ্ধচিত্তে বিচারকের রায় মেনে চলবো,” রায়ের পর এমনটাই বলেছেন স্যুট, সবুজ টাই পরিহিত হান। মিথ্যা সাক্ষ্য ছাড়া তিনি তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন। নভেম্বরে তিনি বলেছিলেন, ইউনকে মার্শাল ল ঘোষণা থেকে বিরত রাখতে না পারায় তিনি আক্ষেপ করেন এবং তিনি কখনোই ‘এতে (মার্শাল ল) রাজি ছিলেন না কিংবা এটি জারিতে প্রেসিডেন্টকে সহায়তাও করেননি’। কৌঁসুলিরা হানের ১৫ বছরের কারাদণ্ড চেয়েছিলেন।