বাবুলিয়ায় দখলকৃত সরকারী খাস জায়গা উচ্ছেদ ও ভুমিহীনদের পুর্নবাসনের দাবিতে মানববন্ধন ও পথসভা 


এপ্রিল ১৪ ২০২২

Spread the love

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ নদী ও খাল বাঁচাও ভুমিহীনদের পুর্নবাসন কর এই শ্লোগানকে সামনে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার প্রভাবশালী কর্তৃক দখলকৃত খালের জায়গা উচ্ছেদসহ সরকারি খাস জমি উদ্ধার করে প্রকৃত ভুমিহীনদের মাঝে পুর্নবাসনের দাবিসহ ঘনবসতি ঘরবাড়ি এলাকায় ইটভাটা স্থাপনের ফলে পরিবেশ দূষিত হওয়ার প্রতিবাদে জেলা নদী বন ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির মানববন্ধন ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৩ এপ্রিল বুধবার বিকেলে বাবুলিয়া বাজারস্থ সড়কে জেলা নদী বন ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির সহ-সভাপতি সেলিম হোসেনের সভাপতিত্বে ও যুগ্ন  সাধারণ সম্পাদক শাহাজান আলী ছোট বাবুর সঞ্চলনায় মানববন্ধন ও পথসভায় অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,  জেলা নদী বন ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির সভাপতি আদিত্য মল্লিক, জেলা ভুমিহীন সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা নদী বন ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির  সিনি-সহ সভাপতি আব্দুস সামাদ গাজী, সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, যুগ্ন সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান, জেলা ভুমিহীন সমিতির  অর্থ সম্পাদক কাজী আব্দুল আলিম, সদর উপজেলার ভুমিহীন সমিতির সভাপতি ইউসুফ আলী, পৌর ভুমিহীন সমিতির সভাপতি আশরাফুল ইসলাম গাজী, সংগঠনের সদস্য উৎপল মন্ডল, লাবসা ইউনিয়ন ভুমিহীন সমিতির সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম প্রমূখ। মানববন্ধন ও পথসভায় প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেন, প্রভাবশালী কর্তৃক এলাকার খালের জায়গা ও সরকারি খাস জায়গা দখল করে রেখে ইটভাটা সহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করছেন।  প্রভাবশালী কর্তৃক দখলকৃত  খালের জায়গা ও সরকারি খাস জায়গা অবিলম্বে উদ্ধার করে প্রকৃত ভুমিহীনদের মাঝে পুর্নবাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর অফিসকে ম্যানেজ করে প্রভাবশালীরা লায়ন্স নিয়ে ঘনবসতি ঘরবাড়ি এলাকায় ইটভাটা স্থাপন করেছে। ঘনবসতি ঘরবাড়ি  এলাকায় ইটভাটা স্থাপনের ফলে ইটভাটার কালো ধোঁয়াই ঘনবসতি ঘরবাড়ি এলাকায় পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। ঘনবসতি ঘরবাড়ি এলাকায় ইটভাটার কারনে শিশু থেকে শুরু করে বয়স্ক মানুষের মধ্যে নানা রোগব্যাধি হচ্ছে। তাই ঘনবসতি ঘরবাড়ি এলাকায় স্থাপন ইটভাটা গুলো অবিলম্বে দ্রুত অপসারনসহ ইটভাটা মালিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। সরকারী খাস জায়গা দখলকৃত প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া হলে পুনারায় জেলা নদী বন ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির ও জেলা ভুমিহীন সমিতির যৌথ উদ্যােগে কঠোর আন্দোলনের কর্মসুচীর মধ্য দিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ সহ রাস্তা অপরোধ করা হবে। বক্তারা আরও বলেন, টিআর পদ্ধতিতে চালু করে নদী, খাল খনন করতে হবে। ভুমিহীনদের মাঝে সরকারি উপকারীভোগীতা বন্ঠন করতে হবে। একইসাথে  এই সংগঠনের উপদেষ্টা গোলাম রসুলের নামে মিথ্যা মাললা প্রত্যাহারের দাবি জানান মানববন্ধনে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ । এসময় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মগবুল হোসেন, রফিকুল ইসলাম, সোহেল, জাহিদসহ আগরদাড়ী, লাবসা ইউনিয়ন ও পৌর নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। 

শ্যামনগর

যশোর

আশাশুনি


জলবায়ু পরিবর্তন