তালার জালালপুর খাল খনন শুরু উৎসাহ কৃষকদের মধ্যে


এপ্রিল ৯ ২০২২

 

জালালপুর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ১১ নং জালালপুর ইউনিয়নের জালালপুর খাল খনন কাজ চলছে দ্রুতগতিতে। খনন কাজ শেষ হলে সুফল পাবে হাজারও কৃষকরা। এলাকার মানুষের দীর্ঘ দিনের দাবী এবার পূরন হতে চলেছে এমনটায় জানালেন অনেক কৃষকরা। তারা জানান, প্রতিবছর বর্ষামৌসুমে আমাদের এলাকার মানুষের বাড়িতে ও ফসলি জমিতে প্রায় ৪/৫ মাস পানিতে তলিয়ে থাকে। এই খালটি খনন শেষ হলে আমরা জলাবদ্ধতার হাত খেকে রক্ষা পাবো।
জানাযায়, পানি নিস্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে জালালপুরের ৬ কিলোমিটার ও সাতক্ষীরা সদরের ঝাওডাঙ্গা ইউনিয়নের হাজিপুর খাল মিলে একটি প্যাকেজে মোট ৯৭৬০ মিটার খাল পূন:খনন করা হচ্ছে। এতে করে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা থেকে ফসলি জমি রক্ষা পাবে।
স্থানীয় কৃষকরা বলছেন, এ অঞ্চলের খালগুলো পুন:খনন করা হলে জমিগুলো জলাবদ্ধতার হাত থেকে রক্ষা পাবে। কৃষক আব্বাজ আলি,অলিয়ার,হাবিব, বাবলুর রহমান, তহিদুর রহমান, রফিকুল ইসলাম বলেন, খালগুলোতে পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ থাকার কারনে জলাবদ্ধতার কবলে পড়েন তারা। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন র্বোড সাতক্ষীরা পওর বিভাগ-২ খালটি পুন:খনন করার কারনে জলাবদ্ধতার কবল থেকে রক্ষা পাবো আমরা। তাছাড়া শুকনো মৌসুমে খালের পানি ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের ফসল উৎপাদন করতে পারবো আমরা। খাল খননে কোন অনিয়ম হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে তারা বলেন, আমরা তো ভালো বুঝিনা তবে মনে হচ্ছে খনন কাজ ভালো হচ্ছে।এই ভাবে খনন কাজ চললে আমরা সুফল পাবো।

উক্ত প্রকল্পের কাজ পাওয়া খুলনার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আমিন এন্ড কোং এর কর্মকর্তা রাসেল বলেন, প্রাকৃতিক র্দূযোগ না হলে নির্দিষ্ট সময়ে খাল খনন কাজ শেষ করতে পারবো বলে আশা করছি। খাল খননে কোন প্রকার বাধার সম্মুখীন হতে হয়নি। এলাকাবাসীর পাশাপাশি জনপ্রতিনিধিরা সর্বদা কাজের খোজ খবর নেন ।

জালালপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মফিদুল হক লিটু বলেন, খালটি খননে আমার ইউনিয়নবাসী অনেক উপকার পাবে, আমি খননের ব্যাপারে খোজ খবর নিচ্ছি। খনন কাজ ভালো হচ্ছে বলে তিনি জানান।

সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শামীম হাসনাইন মাহমুদ বলনে, খুলনার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আমিন এন্ড কোং এর সাথে চুক্তি অনুযায়ী খনন কাজ শুরুর কথা ১৭-১১-২০২১ তারিখ আর কাজ শেষ করার কথা ৩০-০৬-২০২২ তারিখে। আমাদের কর্মকর্তারা সার্বক্ষনিক খোজখবর নিচ্ছেন। খনন কাজ যে ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তাতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করা যাবে বলে আমি মনে করি।

শ্যামনগর

যশোর

আশাশুনি


জলবায়ু পরিবর্তন