গাবুরায় ও আশাশুনিতে বেড়িবাঁধ ভেঙে একাধিক গ্রাম প্লাবিত


আগস্ট ২১ ২০২০


নিজস্ব প্রতিনিধি : শ্যামনগরের গাবুরায় প্রায় এক’শ ফুট বেড়িবাঁধ ভেঙে দুটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ভেসে গেছে সহস্্রাধিক বিঘা মৎস্য ঘের ও ফসলি জমি। গতকাল দুপুরে কপোতাক্ষ নদের প্রবল জোয়ারের চাপে গাবুরা ইউনিয়নের লেবুবুনিয়া গ্রামের ৬ টি স্থানে রিংবাঁধ ভেঙে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়।
স্থানীয়রা জানান, গত ২০ মে ঘূর্ণিঝড় আম্পানে একই স্থানে বেঁড়িবাধ ভেঙে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদুল আলমের নেতৃত্বে হাজার হাজার এলাকাবাসী স্বেচ্ছাশ্রমে সে সময় রিংবাধ দিয়ে কোন রকম বেঁড়িবাধটি টিকিয়ে রেখেছিলেন। কিন্তু আজ দুপুরের প্রবল জোয়ারে তা আবারও ভেঙে গেছে। তারা আরো জানান, এখনই যদি বেড়িবাধটি সংস্কার করা না হয় তাহলে পরবর্তী জোয়ারে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হবে।
স্থ’ানীয় গাবুরা ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদুল আলম জানান, ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত লেবুবুনিয়ার এই বেড়িবাধটি সংস্কারের জন্য সরকার বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে দায়িত্ব দেন। কিন্তু তারা এখনও কাজ শুরু করেননি। তার মধ্যে আজ দুপুরের জোয়ারে রিংবাধটি ভেঙে আবার লোকালয়ে পানি প্রবেশ করছে। তিনি আরো জানান, দ্রুত বেড়িবাঁধ সংস্কার করা সম্ভব না হলে গোটা গাবুরা ইউনিয়ন প্লাবিত হবে।
সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড বিভাগ-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল খায়ের জানান, ইতিমধ্যে বেঁড়িবাধ ভাঙন কবলিত লেবুবুনিয়ায় বালুর বস্তা পাঠানো হয়েছে। এখন জোয়ার চলছে। ভাটা শুরু হলেই বাধ সংস্কারের কাজ শুরু করা হবে। তিনি আরো জানান, এখন বর্ষকাল চলছে। এ সময় নদীর পানি বেশী থাকার কারনে সেনাবাহিনী এখনও বেঁড়িবাধ সংস্কারের কাজ শুরু করেননি। তারা শুষ্ক মৌসুমের শুরুতেই সেখানে টেকসই বেঁড়িবাধ সংস্কারের কাজ শুরু করবেন বলে এই পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মকর্তা জানান।

আশাশুনি সদর ও প্রতাপনগর ইউনিয়নে ভাঙ্গন কবলিত এলাকার প্রতিরক্ষা রিং বাঁধ ভেঙ্গে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। অপরদিকে, শ্রীউলা ইউনিয়নে নদীর পানির তোড়ে নতুন এলাকা প্লাবন শুরু হয়েছে। ৩ মাস পরে পুুরনো প্লাবিত এলাকাকে ছাড়িয়ে নতুন এলাকায় পানি ঢুকে শত শত নতুন ঘরবাড়ি ও মৎস্য ঘের প্লাবিত করে পানি ছুটে চলেছে। উপজেলার আশাশুনি, শ্রীউলা ও প্রতাপনগর ইউনিয়নের হাজার হাজার ঘরবাড়ি গত ২০ মে আম্পানের তান্ডবে ভেড়ীবাঁধ ভেঙ্গে প্লাবিত হয়। সেই থেকে এলাকার মানুষ পানিতে নাকানি চুপানি খেয়ে মানবেতর জীবন যাপন করে আাসছে। বাঁধ সংস্কারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এগিয়ে আসলেও গত ঈদ উল আযহার পূর্বে তারা এলাকা ছেড়ে চলে গেছেন। এলাকার চেয়ারম্যান মেম্বারের নেতৃত্বে হাজার হাজার মানুষ বাঁধ রক্ষার্থে আপ্রাণ চেষ্টা করে আসছেন। অনেক এলাকা রিং বাঁধ দিয়ে রক্ষা করা হয়। ভেঙ্গে যাওয়া মূল বাঁধেও ইতিমধ্যে কাজ করা হয়েছে। এতে এই ৩ ইউনিয়নের কিছু অংশের মানুষ প্রাথমিক ভাবে রক্ষা পেয়েছিল। কিন্তু গত কয়েক দিনে নদীর পানি ব্যাপক ভাবে বৃদ্ধি পাওয়া এবং মুষুল ধারা বৃষ্টিপাতের ফলে প্রতাপনগর ইউনিয়নের শ্রীপুর, কুড়িকাহুনিয়া, হরিশখালি, চাকলা এলাকায় প্রচুর পানি ঢুকে রিং বাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ায় নতুন করে জোয়ারের পানি প্রবেশ করছে। যার ফলে প্রতাপনগর ইউনাইটেড স্কুলের পেছনের কার্লভাটটির পাশের কার্পেটিং সড়ক ভেঙ্গে এলাকায় দুর্বার গতিতে পানি প্রবেশ করছে। হলদেপোতা-তেঁতুলিয়া-প্রতাপনগর মেইন সড়কের প্রতাপনগর অংশের উপর দিয়ে পানি অপর পাশে ঢোকায় সড়ক যোগাযোগ হুমকীতে পড়েছে। এতে নতুন করে বিভিন্ন গ্রামে পানি প্রবেশ করে মানুষকে নাকানি চুপানি খাওয়াচ্ছে। এদিকে আশাশুনি সদরের জেলেখালী-দয়ারঘাট গ্রামের পাউবো’র ভেড়ী বাঁধ ভেঙ্গে ২০ মে এলাকায় পানি প্রবেশ করে একাকার করে দিয়েছিল। উপজেলা চেয়ারম্যান, সদর ইউপি চেয়ারম্যানসহ এলাকার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের নেতৃত্বে রিং বাধ দিয়ে বিশাল এলাকাকে রক্ষা করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে জোয়ারের পানির চাপে দয়ারঘাট হ্যাচারি ও স্কুলের সামনে রিংবাধ ভেঙ্গে এবং আরো কয়েকটি স্থানের বাধ ভেঙ্গে প্রচুর গতিতে নদীর পানি ভিতরে ঢুকছে। ফলে আশাশুনি দক্ষিণ পাড়া, দয়ারঘাট ও জেলেখালী গ্রামে নতুন করে পানি ঢুকেছে। অন্যদিকে, শ্রীউলা ইউনিয়নের ২০ মে’র পর থেকে বাঁধ রক্ষার আপ্রাণ চেষ্টা করেও শেষ রক্ষা করা যায়নি। বাংলাদেশ সেনা বাহিনীও এলাকা ত্যাগ করেছেন। তারা শীত মৌসুমে বাঁধ নির্মানের জন্য আবার ফিরবেন বলে জানাগেছ। গত ২ দিনের নদীর পানির চাপ এতটা বেড়েছে যে, আগের তুলনায় বেশী গতিতে পানি ভিতরে ঢুকে ইতিমধ্যে মহিষকুড়, নাকতাড়া, বকচর ও বুড়াখারাটি গ্রামে পানি ঢুকেছে। রাতের জোয়ারে শ্রীউলা গ্রামে পানি প্রবেশের সম্ভাবনা বিরাজ করছে। ফলে ৩ ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ চরম বিপাকে পড়েছেন।

এদিকে আশাশুনি সদর ও প্রতাপনগর ইউনিয়নে ভাঙ্গন কবলিত এলাকার প্রতিরক্ষা রিং বাঁধ ভেঙ্গে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। অপরদিকে, শ্রীউলা ইউনিয়নে নদীর পানির তোড়ে নতুন এলাকা প্লাবন শুরু হয়েছে। ৩ মাস পরে পুুরনো প্লাবিত এলাকাকে ছাড়িয়ে নতুন এলাকায় পানি ঢুকে শত শত নতুন ঘরবাড়ি ও মৎস্য ঘের প্লাবিত করে পানি ছুটে চলেছে। উপজেলার আশাশুনি, শ্রীউলা ও প্রতাপনগর ইউনিয়নের হাজার হাজার ঘরবাড়ি গত ২০ মে আম্পানের তান্ডবে ভেড়ীবাঁধ ভেঙ্গে প্লাবিত হয়। সেই থেকে এলাকার মানুষ পানিতে নাকানি চুপানি খেয়ে মানবেতর জীবন যাপন করে আাসছে। বাঁধ সংস্কারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এগিয়ে আসলেও গত ঈদ উল আযহার পূর্বে তারা এলাকা ছেড়ে চলে গেছেন। এলাকার চেয়ারম্যান মেম্বারের নেতৃত্বে হাজার হাজার মানুষ বাঁধ রক্ষার্থে আপ্রাণ চেষ্টা করে আসছেন। অনেক এলাকা রিং বাঁধ দিয়ে রক্ষা করা হয়। ভেঙ্গে যাওয়া মূল বাঁধেও ইতিমধ্যে কাজ করা হয়েছে। এতে এই ৩ ইউনিয়নের কিছু অংশের মানুষ প্রাথমিক ভাবে রক্ষা পেয়েছিল। কিন্তু গত কয়েক দিনে নদীর পানি ব্যাপক ভাবে বৃদ্ধি পাওয়া এবং মুষুল ধারা বৃষ্টিপাতের ফলে প্রতাপনগর ইউনিয়নের শ্রীপুর, কুড়িকাহুনিয়া, হরিশখালি, চাকলা এলাকায় প্রচুর পানি ঢুকে রিং বাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ায় নতুন করে জোয়ারের পানি প্রবেশ করছে। যার ফলে প্রতাপনগর ইউনাইটেড স্কুলের পেছনের কার্লভাটটির পাশের কার্পেটিং সড়ক ভেঙ্গে এলাকায় দুর্বার গতিতে পানি প্রবেশ করছে। হলদেপোতা-তেঁতুলিয়া-প্রতাপনগর মেইন সড়কের প্রতাপনগর অংশের উপর দিয়ে পানি অপর পাশে ঢোকায় সড়ক যোগাযোগ হুমকীতে পড়েছে। এতে নতুন করে বিভিন্ন গ্রামে পানি প্রবেশ করে মানুষকে নাকানি চুপানি খাওয়াচ্ছে। এদিকে আশাশুনি সদরের জেলেখালী-দয়ারঘাট গ্রামের পাউবো’র ভেড়ী বাঁধ ভেঙ্গে ২০ মে এলাকায় পানি প্রবেশ করে একাকার করে দিয়েছিল। উপজেলা চেয়ারম্যান, সদর ইউপি চেয়ারম্যানসহ এলাকার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের নেতৃত্বে রিং বাধ দিয়ে বিশাল এলাকাকে রক্ষা করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে জোয়ারের পানির চাপে দয়ারঘাট হ্যাচারি ও স্কুলের সামনে রিংবাধ ভেঙ্গে এবং আরো কয়েকটি স্থানের বাধ ভেঙ্গে প্রচুর গতিতে নদীর পানি ভিতরে ঢুকছে। ফলে আশাশুনি দক্ষিণ পাড়া, দয়ারঘাট ও জেলেখালী গ্রামে নতুন করে পানি ঢুকেছে। অন্যদিকে, শ্রীউলা ইউনিয়নের ২০ মে’র পর থেকে বাঁধ রক্ষার আপ্রাণ চেষ্টা করেও শেষ রক্ষা করা যায়নি। বাংলাদেশ সেনা বাহিনীও এলাকা ত্যাগ করেছেন। তারা শীত মৌসুমে বাঁধ নির্মানের জন্য আবার ফিরবেন বলে জানাগেছ। গত ২ দিনের নদীর পানির চাপ এতটা বেড়েছে যে, আগের তুলনায় বেশী গতিতে পানি ভিতরে ঢুকে ইতিমধ্যে মহিষকুড়, নাকতাড়া, বকচর ও বুড়াখারাটি গ্রামে পানি ঢুকেছে। রাতের জোয়ারে শ্রীউলা গ্রামে পানি প্রবেশের সম্ভাবনা বিরাজ করছে। ফলে ৩ ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ চরম বিপাকে পড়েছেন।

আশাশুনি উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অসিম বরন চক্রবর্তী জানান, তার উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নের হিজলিয়া ও কোলা এবং আশাশুনি সদর ইউনিয়নের দয়ারঘাট এলাকায় ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত রিংবাধ ভেঙে দুটি ইউনিয়নের ৪/৫ টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ভেসে গেছে হাজার হাজার বিঘা মৎস্য ঘের ও ফসলি জমি।
তবে, পানি উন্নয়ন বোর্ড বিভাগ-২ এর নির্বাহি প্রকৌশলী সুধায়শ কুমার সরকার জানান, তিনি বর্তানে ট্রলার যোগে তার বিভাগের অশাশুনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করছেন। পরিদর্শন শেষ না হলে তিনি কিছুই বলতে পারবেননা।

শ্যামনগর

যশোর

আশাশুনি


জলবায়ু পরিবর্তন