দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ২ লাখ ২১ হাজার ১৭৮ জন : মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ২ হাজার ৮৭৪ জন


জুলাই ২৫ ২০২০

মহামারি নভেল করোনা ভাইরাসের দেশে গত ২৪ ঘণ্টায়ও নতুন করে আরও ২ হাজার ৫২০ জন কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়েছেন। এইসময়ে মধ্যে সারা দেশে কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

ফলে এখন মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ২ লাখ ২১ হাজার ১৭৮ জন হয়েছে এবং মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ২ হাজার ৮৭৪ জনে দাঁড়িয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় মোট পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ২৪ দশমিক ১২ শতাংশ ও এই সময়ের মধ্যে মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৩০ শতাংশ।

২৪ ঘণ্টায় যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে পুরুষ ২৯ জন এবং নারী ৯ জন। এ পর্যন্ত যারা কোভিড আক্রান্ত মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের মধ্যে পুরুষের সংখ্যা ২ হাজার ২৬৬ জন, ৭৮ দশমিক ৮৪ শতাংশ এবং নারী ৬০৮, ২১ দশমিক ১৬ শতাংশ।

শনিবার (২৫ জুলাই) করোনা পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) এর ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নিয়মিত বুলেটিনে সংযুক্ত হয়ে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

ডা. সুলতানা বলেন, ‘গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ৯ হাজার ৬১৫টি। পরীক্ষা হয়েছে পূর্বের নমুনাসহ ১০ হাজার ৪৪৬টি। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ১১ লাখ ১ হাজার ৪৮০টি নমুনা।’

কোভিড-১৯ আক্রান্তদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ১১৪ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১ লক্ষ ২২ হাজার ৯০ জন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৫৫ দশমিক ২০ শতাংশ।

তিনি আরও বলেন, ‘গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুবরণকারীদের বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ৩ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৬ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৭ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ৮ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ৯ জন ও ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে ৪ জন এবং ১০০ বছরের বেশি বয়সী ১ জন রয়েছেন।’

এ পর্যন্ত বয়সভিত্তিক মৃত্যু শূণ্য থেকে ১০ বছরের মধ্যে ১৮ জন, দশমিক ৬৩ শতাংশ; ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে ৩০ জন, ১ দশমিক ০৪ শতাংশ; ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ৮২ জন, ২ দশমিক ৮৫ শতাংশ; ৩১ থেকে ৪০ বছরে ১৯৪ জন, ৬ দশমিক ৭৫ শতাংশ; ৪১ থেকে ৫০ বছরে ৪০৭ জন, ১৪ দশমিক ১৬ শতাংশ; ৫১ থেকে ৬০ বছরে ৮৩৭ জন, ২৯ দশমিক ১২ শতাংশ এবং ষাটোর্ধ্ব ১ হাজার ৩০৬ জন, ৪৫ দশমিক ৪৪ শতাংশ।

ডা. সুলতানা বলেন, যে ৩৮ জন গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৪ জন, খুলনা বিভাগে ৪ জন, সিলেট বিভাগে ১ জন, রংপুর বিভাগে ১ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩ জন এবং রাজশাহী বিভাগে ৮ জন রয়েছেন। তাদের মধ্যে হাসপাতালে মারা গেছেন ৩৪ জন, বাড়িতে ৩ জন এবং মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছে ১ জনকে।’

এ পর্যন্ত বিভাগভিত্তিক মৃত্যুর সংখ্যার মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১ হাজার ৩৮৯, ৪৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ; চট্টগ্রামে ৭৭১ জন, ২৪ দশমিক ৪৭ শতাংশ; রাজশাহী ১৬৭ জন, ৫ দশমিক ৮১ শতাংশ; খুলনা ১৯৮ জন, ৬ দশমিক ৮৯ শতাংশ; বরিশাল ১০৯ জন, ৩ দশমিক ৭৯ শতাংশ; সিলেটে ১৩৪ জন, ৪ দশমিক ৪৪ শতাংশ; রংপুরে ১০৫ জন, ৩ দশমিক ৬৫ শতাংশ এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ৬১ জন, ২ দশমিক ১২ শতাংশ।

তিনি আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন ৬৪৯ জন, ছাড় পেয়েছেন ৪১৭ জন। এ পর্যন্ত মোট আইসোলেশনে গেছেন ৪৬ হাজার ৫৫৯ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশন থেকে মুক্ত হয়েছেন ২৭ হাজার ৩৫৭ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ১৯ হাজার ২০২ জন।

ডা. সুলতানা জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় কোয়ারেন্টাইনে যুক্ত হয়েছেন ১ হাজার ৭০৯ জন। এ পর্যন্ত মোট ৪ লাখ ২৩ হাজার ৪৬১ জন। ২৪ ঘণ্টায় ছাড় পেয়েছেন ১ হাজার ৭৮৯ জন। এ পর্যন্ত ছাড় পেয়েছেন ৩ লাখ ৬৪ হাজার ১১ জন। বর্তমানে কোয়ারেন্টাইনে আছেন ৫৯ হাজার ৪৫০ জন।

শ্যামনগর

যশোর

আশাশুনি


জলবায়ু পরিবর্তন