আশাশুনিতে বেঁড়িবাধ ভেঙে তিনটি গ্রামের নিন্মাঞ্চল প্লাবিত


এপ্রিল ৮ ২০২০

Spread the love

আশাশুনিতে প্রবল জোয়ারের চাপে কপোতাক্ষ নদের বেঁড়িবাধ ভেঙে তিনটি গ্রামের নি¤œাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। মঙ্গলবার মধ্যরাতে রাতে উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের কুড়িকাউনিয়া গ্রামের ৭/১ পোল্ডার সংলগ্ন এলাকায় প্রায় এক’শ ফুট বেঁড়িবাধ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এতে কুড়িকাউনিয়া, শ্রীপুর ও বৃষ্টিনন্দন গ্রামের প্রায় এক হাজার বিঘা মৎস্য ঘের ও ফসলি জমি প্লাবিত হয়েছে। পানি বন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় অর্ধ শতাধিক পরিবার।
স্থানীয়রা জানান, আগে থেকেই বাধটি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। প্রবল জোয়ারের চপে হঠাৎ করেই মধ্য রাতে বাঁধটি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এতে পানিতে তলিয়ে গেছে প্রায় এক হাজার বিঘা মৎস্য ঘের ও ফসলি জমি। তারা আরো জানান, ইতিমধ্যে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে প্রায় সহস্্রাধিক মানুষ স্বেচ্ছায় বেড়িবাধটি সংস্কার করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। বেড়িবাধটি সংস্কার করা না গেলে পরবর্তী জোয়ারে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হবে।
প্রতাপনগর ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের গাফিলাতির কারণেই প্রতাপনগর ইউনিয়নের এই বেঁড়িবাধ প্রতিবারই ভেঙে যায়। বারবার বলা শর্তেও পানি উন্নয়ন বোর্ড ঝুঁকিপূর্ণ বাধ সংস্কারে তেমন কোন উদ্যোগ নেননি। তিনি আরো জানান, তিনটি গ্রামের প্রায় এক হাজার বিঘা মৎস্য ঘের ও ফসলি জমি প্লাবিত হয়েছে। পানি বন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় অর্ধ শতাধিক পরিবার।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা আরিফুজ্জামান ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করে জানান, তিনি তাৎক্ষনাত কিছু বালুর বস্তার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। তিনি আরো জানান, বিষয়টি তিনি উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে দ্রুত বেঁডিবাধ সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।

শ্যামনগর

যশোর

আশাশুনি


জলবায়ু পরিবর্তন