সাতক্ষীরা সরকারি মেডিকেল কলেজে জরুরি বিভাগ চালু ও জনবল নিয়োগ দাবির আলটিমেটাম ইন্টার্ন চিকিৎসকদের


জানুয়ারি ১৫ ২০২০

সাতক্ষীরা সরকারি মেডিকেল কলেজে এক সপ্তাহের মধ্যে জরুরি বিভাগ এবং ১৫ দিনের মধ্যে হাসপাতালের সকল বিভাগ পূর্নাঙ্গভাবে চালু করার দাবি জানিয়েছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। তারা জানিয়েছেন অবকাঠামোগত সব ধরনের সুবিধা এমনকি বহুমূল্যবান চিকিৎসা সরঞ্জাম থাকার পরও দক্ষিনের এই বিশাল চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান থেকে জেলার ২৩ লাখ অধিবাসী বঞ্চিত হচ্ছেন।
বুধবার ইন্টার্ন চিকিৎসকরা সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব সভাপতি বরাবর দেওয়া এক স্মারক লিপিতে এ কথা উল্লেখ করেন। ইন্টার্ন ডা. মো. হুমায়ুন কবির ও ডা. আমিনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত স্মারকলিপিটি গ্রহন করেন প্রেসক্লাব সভাপতি অধ্যক্ষ আবু আহমেদ ও সাধারন সম্পাদক মমতাজ আহমেদ বাপী। এ সময় অন্যান্য সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
স্মারকলিপিতে বলা হয় সরকার দেশের স্বাস্থ্যখাতে যুগোপযোগী সেবার মান উন্নয়নে নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছেন। এরই মধ্যে সরকার স্পেশাল বিসিএসএর মাধ্যমে কয়েক হাজার চিকিৎসকও নিয়োগ করেছেন সরকার। অথচ সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছে । ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠিত সাতক্ষীরা সরকারি মেডিকেল থেকে পরপর তিনটি ব্যাচ শিক্ষা কোর্স শেষ করে গেলেও এখন পর্যন্ত হাসপাতালটি পূর্নাঙ্গতা না পাওয়ায় শিক্ষার্থীরা অনেক ধরনের প্রাকটিক্যাল শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এর প্রভাব পড়তে পারে আগামিতে তাদের পেশাগত জীবনেও। চিকিৎসক হবার পূর্ব শর্ত ক্লিনিক্যাল ক্লাসের যথাযথ সুযোগ ছাড়াই শিক্ষার্থী ও শিক্ষানবিশ ডাক্তাররা কেবল মাত্র পুঁথিগত বিদ্যার ওপর নির্ভর করতে বাধ্য হচ্ছেন। ৫০০ শয্যার এই হাসপাতালটির পুরোটাই বলা চলে অকার্যকর অবস্থায় পড়ে রয়েছে।প্রয়োজনীয় সংখ্যক ডাক্তার নেই , নেই যথেষ্ট সংখ্যক টেকনিসিয়ানও। জনবল সংকট দুর না করা গেলে হাসপাতাল থেকে যথাযথ সেবা পাওয়া যাচ্ছে না বলেও স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়। কলেজটির শিক্ষার্থী ও শিক্ষানবিশ ডাক্তারদের পাশাপাশি সাতক্ষীরার সকল মহল সাতক্ষীরা সরকারি মেডিকেলের পূর্নাঙ্গ রুপ দেখার জোর দাবি জানিয়ে আসছেন। অথচ কর্তৃপক্ষ কেবলমাত্র সময় ক্ষেপন ছাড়া কিছুই দিতে পারেন নি।
স্মারকলিপিতে আগামি এক সপ্তাহের মধ্যে সাতক্ষীরা সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগ চালু প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ এবং পনের দিনের মধ্যে ৫০০ শয্যার হাসপাতালটিকে পূর্নাঙ্গতা দেওয়ার জোর দাবি জানানো হয়।

শ্যামনগর

যশোর

আশাশুনি


জলবায়ু পরিবর্তন