সুইডেনে মানবতার কল্যাণে কাজ করছেন দেবহাটার শাহনাজ খান


ডিসেম্বর ২৩ ২০১৯


দেবহাটা প্রতিবেদক: সুইডেনে বসবাসরত অসহায় প্রবীণ ও প্রতিবন্ধীদের জন্য মানবতার কল্যাণে ২০ কাজ করছেন দেবহাটার কৃতি সন্তান শাহনাজ খান। তিনি সাতক্ষীরার ভাষা সৈনিক মরহুম লুৎফর রহমান সরদারের মেয়ে ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা মামলার একমাত্র জীবিত সাক্ষী নুরুল ইসলাম খানের ছেলেবধু। তিনি বর্তমানে সুইডেনের রাজধানী ষ্টকহোমে সুইডিস সরকারের সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীনে অসহায় প্রবীণ ও প্রতিবন্ধীদের উন্নয়নে পরিচালিত ইউনিটের সহকারী ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সম্প্রতি সুইডেনের একাধিক সংবাদমাধ্যমে মানবতার কল্যানে কর্মরত শাহনাজ খানের কর্মকান্ড নিয়ে ইতিবাচক সংবাদ প্রকাশিত হয়। সেখানে বলা হয়েছে, গোটা সুইডেনে অসহায় প্রবীণ ও প্রতিবন্ধীদের কল্যাণে কার্যক্রম পরিচালিত প্রায় ৪৪ হাজার গ্রুপ রয়েছে।
যার মধ্যে কেবলমাত্র সুইডেনের রাজধানী ষ্টকহোমে কার্যক্রম পরিচালনা করছে প্রায় ১ হাজার গ্রুপ। সহকারী ব্যবস্থাপক হিসেবে ষ্টকহোমের প্রায় ১ হাজার গ্রুপের পরিচালিত কার্যক্রম নিয়ন্ত্রন করছেন শাহনাজ খান। প্রবীণ ও প্রতিবন্ধীদের কল্যানে কাজ করা বেশ কঠিন হলেও, বিশ বছর ধরে শাহনাজ খান মানবতার কল্যাণে কাজ যাচ্ছেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে সেখানকার গণমাধ্যম গুলোতে। শুধু সুইডেন নয়, নিজের এলাকা দেবহটাতেও আত্ম মানবতার কল্যাণে নিবেদিত রয়েছেন শাহনাজ খান। এলাকার উন্নয়নে প্রতিষ্ঠা করেছেন মিড নাইট সান নামের একটি সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠান। শাহনাজ খান প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক হলেও তার অনুপস্থিতে এবং সুইডেন থেকে দেয়া সহায়তা মানুষের মাঝে পৌছে দেন বড়ভাই জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সভাপতি আবু রাহান তিতু। সুইডেনে থেকেও প্রতিবছর নিজের অর্থে এলাকার মেধাবী শিক্ষার্থীদের পড়াশুনার খরচ যুগিয়ে ডাক্তার তৈরী করছেন শাহনাজ খান। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যামামলার একমাত্র জীবিত সাক্ষী নুরুল ইসলাম খানের ছেলে নাজিবুল ইসলাম খানের সাথে ১৯৮৭ সালে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন শাহনাজ খান। ১৯৮৮ সালে সুইডেন গিয়ে যোগদেন সমাজসেবামূলক কর্মকান্ডে। সেখানে ২০ বছর ধরে আত্মমানবতার কল্যাণে কাজ করে চলেছেন তিনি। বর্তমানে শাহনাজ খানের স্বামী নাজিবুল ইসলাম খান সুইডেনের সুপ্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী এবং দুই ছেলে উপল খান ও নাবিদ খান সেখানকার স্বনামধন্য চিকিৎসক হিসেবে মানব সেবায় কাজ করছেন।

শ্যামনগর

যশোর

আশাশুনি


জলবায়ু পরিবর্তন