সাতক্ষীরার বহিস্কৃত ছাত্রলীগ নেতা সাদিকের তিন মামলায় রিমাণ্ড শুনানী ২৪ ও ২৬ ডিসেম্বর


ডিসেম্বর ২০ ২০১৯

Spread the love


বহি®কৃত ও সদস্য বিলুপ্ত সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাদিকুর রহমান সাদিকের বিরুদ্ধে আশাশুনির প্রতাপনগর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ জাকির হোসেনের দায়েরকৃত পর্ণগ্রাফি ও চাঁদাবাজির মামলাসহ গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক মনিরুল ইসলামের দায়েরকৃত অস্ত্র মামলায় আগামি মঙ্গলবার রিমাণ্ড শুনানীর দিন ধার্য করা হয়েছে। এ ছাড়া ঘোনা ইউপি চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান মোশার দায়েরকৃত পর্ণোগ্রাফি ও চাঁদাবাজির মামলায় বৃহষ্পতিবার শুনানীর দিন ধার্য করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা আদালত সূত্রে জানা গেছে, একজন ইউপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে নারীর আপত্তিকর ভিডিও তৈরি করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার নাম করে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা আদায় ও আরো ১৫ লাখ টাকা দাবি করার ঘটনায় গত ১৫ ডিসেম্বর ওই জনপ্রতিনিধি বহি®কৃত ছাত্রলীগ নেতা সাািদকুর রহমান, সাংবাদিক মনিরুল ইসলাম মনি, যুবলীগ নেতা তুহিনুর রহমান তুহিন, সোহরাব হোসেনসহ পাঁচজনের নামে মামলা(জিআর-৮৩৪/১৯) দায়ের করেন। একইভাবে অন্য একজনপ্রতিনিধির সঙ্গে নারীর আপত্তিকর ছবি ভিডিও করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার নাম করে চার লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগে একই দিনে (জিআর-৮৩৫ নং) মামলা দায়ের করেন ওই জনপ্রতিনিধি। ওই মামলায় ২৯ নভেম্বর বন্দুকযুদ্ধে নিহত দীপ ও সাদিকুরের নামে সদর থানায় মামলা হয়। এ ছাড়া পিচ্চি রাসেল ও হাফিজুর রহমান বাবুর কাছ থেকে দেশী তৈরি পিস্তল ও ১৬৭ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধারের ঘটনায় সাদিকের নাম উল্লেখ করে সদর থানায় মামলা হয়। দু’ জনপ্রতিনিধির দায়েরকৃত দু’টি মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক হাফিজুর রহমান সাদিককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বুধবার আদালতে পৃথক সাত দিনের রিমাণ্ড আবেদন করেন। একইভাবে সাদিকের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত অস্ত্র মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক হারান চন্দ্র পাল বুধবার সাদিককে জিজ্ঞাসাবদের জন্য সাত দিনের রিমাণ্ড আবেদন করেন। অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম হুমায়ুন কবীর তিনটি রিমাণ্ড আবেদন শুনানী শেষে উপরোক্ত দিন ধার্য করেন।
এদিকে পর্ণগ্রাফি আইনে দায়েরকৃত মামলায় গ্রেপ্তারকৃত সাংবাদিক আকাশ ইসলামের আদালতে দেওয়া ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ি সাদিকের সঙ্গে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার হওয়ায় সাতক্ষীরা শহরের উত্তর পলাশপোলের মৃত আব্দুর রকিবের মেয়ে সুমাইয়া সিমু বুধবার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম রাজীব রায় এর কাছে চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। জবানবন্দিতে সাদিকের ডেরায় তাকেসহ কয়েকজন নারীকে কিভাবে ব্যবহার করা হতো, সাদিকের সহযোগী কারা, ব্লাক মেইলের জন্য ভিডিও কিভাবে করা হতো, সেখানে নারীলোভী বিশিষ্ঠ জনেদের কিভাবে টোপ দিয়ে আনা হতো, সাংবাদিক আকাশ, সাংবাদিক মনিরুল ইসলাম মনি, তার ক্যামেরাম্যান কিভাবে কাজ করতো,জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ি, প্রশাসনের সঙ্গে জড়িতদের কিভাবে টোপ দেওয়া হতো তার বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছে।

শ্যামনগর

যশোর

আশাশুনি


জলবায়ু পরিবর্তন