সাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও এডিস মশার প্রজনন ক্ষেত্র ধ্বংসে স্থায়ী সমাধানে সেমিনার


আগস্ট ২১ ২০১৯

নিজস্ব প্রতিনিধি : ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও এডিস মশার প্রজনন ক্ষেত্র ধ্বংসে স্থায়ী সমাধানে কর্মপরিকল্পনা শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে সাতক্ষীরায়। সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বুধবার দুপুরে শহরের অদূরে তুফান কনভেনশন সেন্টারে জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে উক্ত সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা প্রশাসক এস.এম মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মোঃ লোকমান হোসেন মিয়া। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা পরিষদ চেয়াম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডাঃ আবু শাহিন প্রমুখ। সেমিনারে মূখ্য আলোচক হিসেবে ডেঙ্গু প্রতিরোধে কি কি করনীয় সে বিষয়ে বিভিন্ন দিক নির্দেশনা মূলক বক্তব্য রাখেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রানী বিদ্যা বিভাগের প্রফেসর ডঃ কবিরুল বাশার।
বক্তারা এ সময় ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশার কামড় থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়ে বলেন, মশা যাতে জন্মাতে না পারে সেজন্য বাড়ির আশ পাশ পরিষ্কার করতে হবে এবং পরিত্যক্ত জিনিস পত্র বোতল, নারকেলে খোসা, টায়ারসহ অন্যান্য জিনিস পত্র পরিষ্কার রাখতে হবে এবং ঘুমানোর আগে অবশ্যই মশারি ব্যবহার করতে হবে। ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্তদের এ সময় পানি ও পানি জাতীয় খাদ্য বেশী খাবার পরামর্শ দেন।
বক্তারা আরো বলেন, এডিস মশা নিধন, ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছনতা সম্পর্কিত সচেতনতা নিজ দায়িত্ববোধ থেকে গড়ে তুলতে হবে এবং অন্যদেরকেও সচেতন করতে হবে।
উক্ত সেমিনার থেকে জানানো হয়, গত ১৮ জুলাই সাতক্ষীরায় প্রথম ডেঙ্গু রোগী ধরা পড়ে। জেলায় আজ পর্যন্ত মোট ২৭৬ জন ডেঙ্গু রোগীর সন্ধান মিলেছে। এর মধ্যে বিভিন্ন হাসপাতালে এখনও পর্যন্ত ভর্তি রয়েছে ৫৮ জন। চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন আরো ১৯০ জন এবং অন্যত্র রেফার করা হয়েছে আরো ২৮ জনকে। আক্রান্তদের সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিভিল সার্জন।


শ্যামনগর

যশোর

আশাশুনি


জলবায়ু পরিবর্তন