স্বাধীন বাংলা নিউক্লিয়াস ই মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশ স্বাধীন করার পরিকল্পনা করে, কামাল সাঈদ মোহন


জুন ২৩ ২০১৯

কামাল সাঈদ মোহন স্কুল জীবন থেকেই ছাত্রলীগের সাথে যুক্ত ছিলেন ,তার বাবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন ,তিনি বেড়ে উঠেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টাফ কোয়ার্টারে ।খুব কাছে থেকে দেখেছেন এবং অংশ নিয়েছেন স্বাধীনতার প্রস্তুতি পর্বে , বর্তমানে তিনি মার্কিন যুক্ত রাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বসবাস করছেন ।সাম্প্রতিক কালে মুক্তিযুদ্ধে সিরাজুল আলম খান এবং ছাত্রলীগের ভুমিকা নিয়ে যে মিডিয়াতে আলোচনার সূত্রপাত হয়েছে তার প্রেক্ষিতে শুদ্ধস্বর ডটকম কে দেয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি বলেন আমি স্কুল জীবন থেকে নিউক্লিয়াসের সাথে যুক্ত ছিলাম , তিনি বলেন আমি ইউ ও টি সি র সদস্য ছিলাম , সেখানে ট্রেনিং নিয়েছি , তারপর জয় বাংলা বাহিনীতে ছাত্র ছাত্রীদের ট্রেনিং দিতাম । সিরাজুল আলম খানের সাথে আমার পরিচয় সেই ছোট বেলা থেকেই , তার অনুপ্রেরনায় সে সময় ছাত্রলীগের ভেতর যে বিএল এফ বাহিনীর জন্ম হয় আমি তার কনিষ্ঠ সদস্য ছিলাম , বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধ করতে হবে তা তখনই তিনি আমাদের বলতেন। তিনি ইকবাল হলের মাঠে ট্রেনিং দেয়ার ব্যবস্থা করেছিলান । সেখনে মোস্তফা মহসিন মণ্টূ , কামরুল আলম খান খসরু সহ অনেকেই ছাত্র যুবকদের ট্রেনিং দিতেন ।তিনি বলেন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা , জাতীয় সঙ্গীত, সহ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের রুপ রেখা তৈরি করেন সিরাজুল আলম খান , আব্দুর রাজ্জাক , কাজী আরেফ আহমেদ , এটা ইতিহাসের সত্য ঘটনা , তিনি বলেন তোফায়েল আহমেদ ও ডাকসুর ভিপি হওয়ার পর এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত হয়েছিলেন , এখন কেন তিনি এসব অস্বীকার করছেন তা আমার বোধগম্য নয় । তিনি বলেন  বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে      ছাত্রলীগ এবং স্বাধীন বাংলা নিউক্লিয়াসের ভুমিকা অস্বীকার করলে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকেই অস্বীকার করা হয় ।  তিনি বলেন দেরাদুন এবং তান্দুয়াতে বিএলএফ বা মুজিব বাহিনীতে এবং হাজার হাজার যুবক যে যোগ দিল তার সব টুকু কৃতিত্ব স্বাধীন বাংলা নিউক্লিয়াস এবং ছাত্রলীগের । তারাই স্বাধীনতাপূর্ব কালে দেশব্যাপী ছাত্র যুবকদের মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেয়ার জন্য অনুপ্রানিত করেন । কামাল সাঈদ মোহন বলেন আমি  আমার সেই সব স্মৃতি কখনও ভুলবো না ।

সাক্ষাকারের গ্রহনে , হাবিব বাবুল  ( সংগৃহিত শুদ্ধস্বর.কম হতে)

শ্যামনগর

যশোর

আশাশুনি


জলবায়ু পরিবর্তন