খরস্রোতা বেতনা এখন শীর্ণকায় খাল!


জুলাই ৭ ২০১৮

নিজস্ব প্রতিনিধি: ‘বেতনা বাঁচলে সাতক্ষীরা বাঁচবে’ এই স্লোগান ধারণ করে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন পালিত হয়েছে। শনিবার সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন ‘সাতক্ষীরা বেতনা বাঁচাও আন্দোলন ও সাতক্ষীরা নাগরিক আন্দোলন মঞ্চ’।
মানববন্ধনে বক্তারা  বলেন, বেতনা নদী দখল হয়ে যাচ্ছে। এর চরে গড়ে উঠছে বাড়ি-ঘর দোকান-পাট ও বাজার-ঘাট। এক কালের খরস্রোতা বেতনা এখন এক শীর্ণকায় খালে পরিণত হয়েছে। বেতনায় এখন আর নৌকা চলে না, বেতনায় জোয়ারভাটা খেলে না। এখন পায়ে হেটে বেতনা পার হওয়া যায়। এর দুই তীর দখল করে প্রভাবশালীরা গড়ে তুলেছেন ইটভাটা। বেতনায় আড়াআড়ি বাঁধ দিয়ে চিংড়ি চাষেও মেতে উঠেছেন প্রভাবশালীরা।
মানববন্ধনে অভিযাগ করে বক্তারা বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড সব ধরণের সুবিধা নিয়ে দখলদারদের সহায়তা দিচ্ছে। ফলে বেতনা দিনেদিনে অকার্যকর হয়ে পড়ছে। ঝাউডাঙ্গা থেকে সুপারিঘাটা পর্যন্ত নদী জরুরি ভিত্তিত খনন প্রয়োজন দাবি করে তারা বলেন, ২০১৫ সালে বেতনা খননের নামে লুটপাট করা হয়েছে। এতে বেতনা তীরের মানুষের এতোটুকু উপকার হয়নি।
তারা আরও বলেন ‘আমরা বেতনাকে দখলমুক্ত দেখতে চাই। বেতনা খনন চাই।’
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখন দৈনিক দক্ষিণের মশাল সম্পাদক অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহি , এ্যাড. আবুল কালাম আজাদ, এ্যাড. ওসমান গনি, এ্যাড. ফাহিমুল হক কিসলু, ওবায়েদুস সুলতান বাবলু, অধ্যক্ষ সুভাষ সরকার, স্বপন কুমার শীল, কল্যাণ ব্যানার্জি, আলি নুর খান বাবুল, আবদার রহমান প্রমূখ।
তারা বেতনা রক্ষায় সরকারের দষ্টি আকর্ষণ করে আরও বলেন, বেতনা সংলগ্ন ১২ টি বিলের পানি এই নদী দিয়েই প্রবাহিত হয়। বেতনার উপর তিনটি স্লুইস গেটের সবক’টি অকেজো হয়ে পড়েছে।
  1. তারা অবিলম্বে বেতনা খনন এবং বেতনা দখলমূক্ত করার দাবি জানান।

শ্যামনগর

যশোর

আশাশুনি


জলবায়ু পরিবর্তন