আজ ০৬:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
নাজিমগঞ্জ বাজারে সরকারি জমিতে রাতারাতি ছাদ নির্মাণ, ক্ষোভ কদমতলা বাজারে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পথসভা একটি দল ভীত হয়ে ভোটারদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে: আব্দুর রউফ ইরানের বদলে ভেনেজুয়েলার তেল কিনবে ভারত: ট্রাম্প সাতক্ষীরার উন্নয়নের জন্য ধানের শীষকে বিজয়ী করতে হবে: কুলিয়ায় জনসভায় আব্দুর রউফ সাতক্ষীরায় ধানের শীষের জোয়ার উঠেছে: আব্দুর রউফ সাতক্ষীরা জেলা স্ট্যাম্প ভেণ্ডার সমিতির নতুন কমিটি গঠন সাতক্ষীরায় ৩৩ বিজিবির অভিযানে চৌদ্দ লাখ টাকার ভারতীয় মালামাল জব্দ শাপলাকুঁড়ি বিদ্যানিকেতনের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ ইয়ং টাইগার্স অ-১৪: সাতক্ষীরা জেলা দল সেমিফাইনালে

সরকারি মৎস্য খামারের উৎপাদন বাড়াতে সাতক্ষীরায় আঞ্চলিক কর্মশালা

  • স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ১১:২১:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৩৩ বার পড়া হয়েছে

সরকারি মৎস্য খামারের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও উৎপাদন বাড়াতে সাতক্ষীরায় দিনব্যাপী আঞ্চলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় জেলা মৎস্য অফিসের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় জেলার প্রায় ৭০ জন মৎস্যচাষী, মৎস্য কর্মকর্তাসহ গবেষকরা অংশ নেন।

সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জি. এম. সেলিম। প্রধান অতিথি ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপপরিচালক বিপুল কুমার বসাক। সঞ্চালনা করেন সদর উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম।

‘বিদ্যমান সরকারি মৎস্য খামারসমূহের সক্ষমতা ও মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি’ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. মশিউর রহমান মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, অনেক সরকারি খামারে পানি ধারণক্ষমতা কমে যাওয়া, পুকুরপাড়ের ভাঙন, নিষ্কাশনব্যবস্থার ঘাটতি ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির অভাব উৎপাদনকে সীমিত করছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে এসব সমস্যা দূর হবে এবং উৎপাদন বাড়বে।

খুলনা বিভাগীয় পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সাতক্ষীরা–খুলনা উপকূলীয় এলাকায় মৎস্যচাষের সম্ভাবনা ব্যাপক। তবে লবণাক্ততা, জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রথাগত চাষব্যবস্থা উৎপাদনকে বাধাগ্রস্ত করছে। উন্নত জাতের মাছ, সঠিক খাদ্য ব্যবস্থাপনা ও অবকাঠামো উন্নয়ন জরুরি।

উপপরিচালক বিপুল কুমার বসাক বলেন, মৎস্যচাষকে বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক করতে পরিবেশবান্ধব সংস্কার ও চাষীদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ প্রয়োজন।

উদ্যোক্তা গোলাম রসুল বলেন, সরকারি পুকুরগুলোতে আধুনিক সুবিধা যুক্ত হলে উৎপাদন বাড়বে। মৎস্যচাষী আনিসুর রহমান বলেন, বহু খামারে বহুদিন সংস্কার হয়নি। মনিরুজ্জামান জানান, সঠিক অবকাঠামো থাকলে দেশ-বিদেশে রপ্তানি বাড়ানো সম্ভব। সফল চাষী মো. লিটু বলেন, মাঠপর্যায়ে প্রযুক্তিগত পরামর্শের অভাব রয়ে গেছে; এ ধরনের কর্মশালা সহায়ক।

আঞ্চলিক কর্মকর্তা বিপুল বসাক বলেন, মানসম্মত পোনা, নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও জোনভিত্তিক পরিকল্পনা উৎপাদন বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ। সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. তৌফিক হাসান জানান, সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে সমন্বিতভাবে উৎপাদন বাড়াতে আধুনিক প্রযুক্তি আরও জনপ্রিয় করা হবে। দিনব্যাপী কর্মশালায় খামারের অবকাঠামো উন্নয়ন, উৎপাদন বৃদ্ধি ও বাস্তবসম্মত সমাধান নিয়ে আলোচনা হয়।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

নাজিমগঞ্জ বাজারে সরকারি জমিতে রাতারাতি ছাদ নির্মাণ, ক্ষোভ

সরকারি মৎস্য খামারের উৎপাদন বাড়াতে সাতক্ষীরায় আঞ্চলিক কর্মশালা

আপডেট সময়: ১১:২১:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

সরকারি মৎস্য খামারের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও উৎপাদন বাড়াতে সাতক্ষীরায় দিনব্যাপী আঞ্চলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় জেলা মৎস্য অফিসের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় জেলার প্রায় ৭০ জন মৎস্যচাষী, মৎস্য কর্মকর্তাসহ গবেষকরা অংশ নেন।

সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জি. এম. সেলিম। প্রধান অতিথি ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপপরিচালক বিপুল কুমার বসাক। সঞ্চালনা করেন সদর উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম।

‘বিদ্যমান সরকারি মৎস্য খামারসমূহের সক্ষমতা ও মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি’ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. মশিউর রহমান মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, অনেক সরকারি খামারে পানি ধারণক্ষমতা কমে যাওয়া, পুকুরপাড়ের ভাঙন, নিষ্কাশনব্যবস্থার ঘাটতি ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির অভাব উৎপাদনকে সীমিত করছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে এসব সমস্যা দূর হবে এবং উৎপাদন বাড়বে।

খুলনা বিভাগীয় পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সাতক্ষীরা–খুলনা উপকূলীয় এলাকায় মৎস্যচাষের সম্ভাবনা ব্যাপক। তবে লবণাক্ততা, জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রথাগত চাষব্যবস্থা উৎপাদনকে বাধাগ্রস্ত করছে। উন্নত জাতের মাছ, সঠিক খাদ্য ব্যবস্থাপনা ও অবকাঠামো উন্নয়ন জরুরি।

উপপরিচালক বিপুল কুমার বসাক বলেন, মৎস্যচাষকে বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক করতে পরিবেশবান্ধব সংস্কার ও চাষীদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ প্রয়োজন।

উদ্যোক্তা গোলাম রসুল বলেন, সরকারি পুকুরগুলোতে আধুনিক সুবিধা যুক্ত হলে উৎপাদন বাড়বে। মৎস্যচাষী আনিসুর রহমান বলেন, বহু খামারে বহুদিন সংস্কার হয়নি। মনিরুজ্জামান জানান, সঠিক অবকাঠামো থাকলে দেশ-বিদেশে রপ্তানি বাড়ানো সম্ভব। সফল চাষী মো. লিটু বলেন, মাঠপর্যায়ে প্রযুক্তিগত পরামর্শের অভাব রয়ে গেছে; এ ধরনের কর্মশালা সহায়ক।

আঞ্চলিক কর্মকর্তা বিপুল বসাক বলেন, মানসম্মত পোনা, নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও জোনভিত্তিক পরিকল্পনা উৎপাদন বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ। সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. তৌফিক হাসান জানান, সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে সমন্বিতভাবে উৎপাদন বাড়াতে আধুনিক প্রযুক্তি আরও জনপ্রিয় করা হবে। দিনব্যাপী কর্মশালায় খামারের অবকাঠামো উন্নয়ন, উৎপাদন বৃদ্ধি ও বাস্তবসম্মত সমাধান নিয়ে আলোচনা হয়।