আজ ০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
সুন্দরবন বনবিভাগের অভিযানে অভয়ারণ্য থেকে নৌকা সহ ৩ জন আটক শ্যামনগরে উপজেলা অভিযোজন পরিকল্পনা কর্মশালা অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরার শ্যামনগরে মাদকাসক্ত ছেলের দায়ের কোপে চাচী নিহত, মা ও চাচাতো ভাই আহত সাতক্ষীরার পাঁচ উপজেলার ৯১ মণ্ডপের নিরাপত্তায় ৩১ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন সাতক্ষীরায় আলোচিত জাকারিয়া হত্যা: খুনিদের ফাঁসির দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন সাতক্ষীরায় সাংবাদিকতায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময় অধিবেশন   কলারোয়ায় দুই হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত শ্যামনগরে কৃষি ও পরিবেশ রক্ষায় অবদান,সম্মাননা পেলেন উপকূলের ২৫ নারী গুড়পুকুর মেলায় বর্জ্য দূষণের শঙ্কা, সাতক্ষীরায় পার্ককে মেলামুক্ত রাখার দাবি সাতক্ষীরায় আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

কলারোয়ায় দুই হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত

  • আরাফাত আলী,
  • আপডেট সময়: ০১:৩৭:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ৬৩ বার পড়া হয়েছে

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"resize":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় আলোচিত দুটি হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ইনজামুল হক ৪৫তম বিসিএসের শিক্ষা ক্যাডারে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নিহতদের পরিবারের সদস্যরাও বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন।

ইনজামুল হক কলারোয়া উপজেলার লাঙ্গলঝড়া গ্রামের মতিয়ার রহমানের ছেলে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, কলারোয়া থানায় দায়ের করা দুটি হত্যা মামলায় তার নাম এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে রয়েছে।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, কলারোয়া থানার মামলা নং-০৬, জিআর ২১৮/২৪ (কলাঃ) মামলায় ইনজামুল হক ২৫ নম্বর আসামি। অন্যদিকে, সিআর ২১৯/২৪ (কলাঃ) মামলায় তিনি ৪০ নম্বর আসামি হিসেবে উল্লেখ রয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মামলাগুলো আরিফ বিল্লাহ ও রুহুল আমিন হত্যা-সংক্রান্ত। একই মামলাগুলোতে ইনজামুল হকের বাবা মতিয়ার রহমানের নামও আসামি হিসেবে রয়েছে বলে জানা গেছে।

দুটি হত্যা মামলার এজাহারে নাম থাকার পরও ইনজামুল হকের বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারে চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্তির বিষয়টি সামনে আসায় নিয়োগপ্রক্রিয়ায় প্রার্থীর তথ্য যাচাই-বাছাই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় সচেতন মহলের অনেকে। তাদের মতে, এ ধরনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাইপ্রক্রিয়া ও প্রযোজ্য বিধিবিধানের বিষয়টি স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।

নিহত রুহুল আমিন ও আরিফ বিল্লাহর পরিবারের সদস্যরা এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দুটি হত্যা মামলার আসামি এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে পরিচিত একজন ব্যক্তি কীভাবে বিসিএস ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হলেন, তা খতিয়ে দেখা দরকার। তারা বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষের নজরে এনে প্রয়োজনীয় তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

এদিকে স্থানীয় সচেতন মহলও বিষয়টি তদন্ত করে দেখার দাবি জানিয়েছে। তাদের বক্তব্য, সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর বর্তমান অবস্থা, প্রার্থীর বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগ এবং সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বিধিবিধান পর্যালোচনা করে কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

এ বিষয়ে ইনজামুল হকের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন বন্ধ থাকায় তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

 

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

সুন্দরবন বনবিভাগের অভিযানে অভয়ারণ্য থেকে নৌকা সহ ৩ জন আটক

কলারোয়ায় দুই হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত

আপডেট সময়: ০১:৩৭:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় আলোচিত দুটি হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ইনজামুল হক ৪৫তম বিসিএসের শিক্ষা ক্যাডারে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নিহতদের পরিবারের সদস্যরাও বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন।

ইনজামুল হক কলারোয়া উপজেলার লাঙ্গলঝড়া গ্রামের মতিয়ার রহমানের ছেলে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, কলারোয়া থানায় দায়ের করা দুটি হত্যা মামলায় তার নাম এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে রয়েছে।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, কলারোয়া থানার মামলা নং-০৬, জিআর ২১৮/২৪ (কলাঃ) মামলায় ইনজামুল হক ২৫ নম্বর আসামি। অন্যদিকে, সিআর ২১৯/২৪ (কলাঃ) মামলায় তিনি ৪০ নম্বর আসামি হিসেবে উল্লেখ রয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মামলাগুলো আরিফ বিল্লাহ ও রুহুল আমিন হত্যা-সংক্রান্ত। একই মামলাগুলোতে ইনজামুল হকের বাবা মতিয়ার রহমানের নামও আসামি হিসেবে রয়েছে বলে জানা গেছে।

দুটি হত্যা মামলার এজাহারে নাম থাকার পরও ইনজামুল হকের বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারে চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্তির বিষয়টি সামনে আসায় নিয়োগপ্রক্রিয়ায় প্রার্থীর তথ্য যাচাই-বাছাই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় সচেতন মহলের অনেকে। তাদের মতে, এ ধরনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাইপ্রক্রিয়া ও প্রযোজ্য বিধিবিধানের বিষয়টি স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।

নিহত রুহুল আমিন ও আরিফ বিল্লাহর পরিবারের সদস্যরা এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দুটি হত্যা মামলার আসামি এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে পরিচিত একজন ব্যক্তি কীভাবে বিসিএস ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হলেন, তা খতিয়ে দেখা দরকার। তারা বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষের নজরে এনে প্রয়োজনীয় তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

এদিকে স্থানীয় সচেতন মহলও বিষয়টি তদন্ত করে দেখার দাবি জানিয়েছে। তাদের বক্তব্য, সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর বর্তমান অবস্থা, প্রার্থীর বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগ এবং সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বিধিবিধান পর্যালোচনা করে কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

এ বিষয়ে ইনজামুল হকের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন বন্ধ থাকায় তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।