আজ ০৩:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল অংশে আঘাত হানতে যাচ্ছে শীতকালীন ঝড় শাবান মাসের শুরুতে যে দোয়া পড়বেন জামায়াত আর কোনও ভোট ডাকাত দেখতে চায় না: শফিকুর রহমান নির্বাচিত হলে নবিজির ন্যায়ের ভিত্তিতে দেশ চালাবো: তারেক রহমান ঝাউডাঙ্গায় জামায়াতে ইসলামী’র মহিলা সমাবেশ অনুষ্ঠিত ধানের শীষে ভোট চেয়ে কাজী আলাউদ্দীনের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু শ্যামনগরে জনসভা ও গণমিছিলের মধ্য দিয়ে গাজী নজরুল ইসলামের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু দাঁড়িপাল্লার পক্ষে গণজাগরণ সৃষ্টি হয়েছে: মিয়া গোলাম পরওয়ার খুলনা জেলা পরিষদের আলোচিত প্রশাসনিক কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান স্ট্যান্ড রিলিজ ভোটারদের সহযোগিতা চাইলেন এমপি প্রার্থী আব্দুর রউফ

শাবান মাসের শুরুতে যে দোয়া পড়বেন

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০৬:৪০:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

ইসলামের অনেক বিধান যেহেতু চাঁদের হিসাব অনুযায়ী পালন করতে হয়, তাই মুসলমান প্রত্যেক দেশ ও সমাজে কিছু মানুষের জন্য চাঁদের হিসাব রাখা ফরজে কেফায়া। কিছু মানুষ চাঁদের হিসাব রাখলে তা সবার জন্য যথেষ্ট হবে, কেউ হিসাব না রাখলে সবাই ফরজ ছেড়ে দেওয়ার জন্য গুনাহগার হবে। আর সব মুসলমানের জন্যই চাঁদ দেখা ও হিজরি তারিখ ও মাসের হিসাব রাখা মুস্তাহাব। আল্লাহর রাসুল (সালাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নিজে চাঁদ দেখতেন এবং অন্যদেরও চাঁদ দেখতে উৎসাহিত করতেন। নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নতুন চাঁদ দেখে দোয়া পড়তেন। শাবান, রমজান, শাওয়ালসহ আরবি যে কোনো মাসের নতুন চাঁদ দেখে এ দোয়াটি পড়া সুন্নত। দোয়াটি হলো- উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা আহিল্লাহূ আলায়না বিল আমনি ওয়াল ঈমানি ওয়াসসালামাতি ওয়াল ইসলামি রাব্বী ওয়া রাব্বুকাল্লাহু। অর্থ: হে আল্লাহ! এ নতুন চাঁদ নিরাপত্তা, ইমান, শান্তি ও ইসলামের সঙ্গে উদয় করো। (হে চাঁদ!) আমার রব ও তোমার রব এক আল্লাহ। (সুনানে তিরমিজি: ৩৪৫১) এ ছাড়া শাবান মাসের শুরুতে নিম্নোক্ত উত্তম দোয়াটিও আমরা পড়তে পারি- উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফি রাজাবা ওয়া শা‘বান, ওয়া বাল্লিগনা রামাদান। আল্লাহুম্মা কামা বাল্লাগতানা শাহরা শা‘বান, বাল্লিগনা রামাদান, ওয়া আনতা তাকাব্বালনা ফি শা‘বান ওয়া রামাদান ওয়া সাইরিল আম। আল্লাহুম্মা-জ‘আল আ‘মালানা কুল্লাহা খালিসাতান, ওয়া মিনাল্লাযিনা ইয়াকূলূনা ফাইয়া‘মালূন, ওয়া মিনাল্লাযিনা ইয়াকূলূনা ফাইউখলিসূন, ওয়া মিনাল্লাযিনা ইউখলিসূনা ফাইয়ুতাকাব্বালু মিনহুম।
অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি আমাদের জন্য রজব ও শাবান মাসে বরকত দান করুন এবং আমাদেরকে রমজান পর্যন্ত পৌঁছে দিন। হে আল্লাহ! যেমন আপনি আমাদেরকে শাবান মাস পর্যন্ত পৌঁছে দিয়েছেন, তেমনি আমাদেরকে রমযান মাস পর্যন্তও পৌঁছে দিন এবং শাবান, রমজান ও সারা বছর জুড়ে আমাদের আমলসমূহ কবুল করুন। হে আল্লাহ! আমাদের সমস্ত আমলকে একান্তভাবে আপনার জন্য খাঁটি করে দিন। আমাদেরকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করুন-যারা কথা বলে, তারপর সে অনুযায়ী আমল করে; যারা কথা বলে এবং তা একনিষ্ঠতার সাথে করে; আর যারা ইখলাসের সঙ্গে আমল করে, ফলে তাদের আমল কবুল করা হয়।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল অংশে আঘাত হানতে যাচ্ছে শীতকালীন ঝড়

শাবান মাসের শুরুতে যে দোয়া পড়বেন

আপডেট সময়: ০৬:৪০:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

ইসলামের অনেক বিধান যেহেতু চাঁদের হিসাব অনুযায়ী পালন করতে হয়, তাই মুসলমান প্রত্যেক দেশ ও সমাজে কিছু মানুষের জন্য চাঁদের হিসাব রাখা ফরজে কেফায়া। কিছু মানুষ চাঁদের হিসাব রাখলে তা সবার জন্য যথেষ্ট হবে, কেউ হিসাব না রাখলে সবাই ফরজ ছেড়ে দেওয়ার জন্য গুনাহগার হবে। আর সব মুসলমানের জন্যই চাঁদ দেখা ও হিজরি তারিখ ও মাসের হিসাব রাখা মুস্তাহাব। আল্লাহর রাসুল (সালাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নিজে চাঁদ দেখতেন এবং অন্যদেরও চাঁদ দেখতে উৎসাহিত করতেন। নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নতুন চাঁদ দেখে দোয়া পড়তেন। শাবান, রমজান, শাওয়ালসহ আরবি যে কোনো মাসের নতুন চাঁদ দেখে এ দোয়াটি পড়া সুন্নত। দোয়াটি হলো- উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা আহিল্লাহূ আলায়না বিল আমনি ওয়াল ঈমানি ওয়াসসালামাতি ওয়াল ইসলামি রাব্বী ওয়া রাব্বুকাল্লাহু। অর্থ: হে আল্লাহ! এ নতুন চাঁদ নিরাপত্তা, ইমান, শান্তি ও ইসলামের সঙ্গে উদয় করো। (হে চাঁদ!) আমার রব ও তোমার রব এক আল্লাহ। (সুনানে তিরমিজি: ৩৪৫১) এ ছাড়া শাবান মাসের শুরুতে নিম্নোক্ত উত্তম দোয়াটিও আমরা পড়তে পারি- উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফি রাজাবা ওয়া শা‘বান, ওয়া বাল্লিগনা রামাদান। আল্লাহুম্মা কামা বাল্লাগতানা শাহরা শা‘বান, বাল্লিগনা রামাদান, ওয়া আনতা তাকাব্বালনা ফি শা‘বান ওয়া রামাদান ওয়া সাইরিল আম। আল্লাহুম্মা-জ‘আল আ‘মালানা কুল্লাহা খালিসাতান, ওয়া মিনাল্লাযিনা ইয়াকূলূনা ফাইয়া‘মালূন, ওয়া মিনাল্লাযিনা ইয়াকূলূনা ফাইউখলিসূন, ওয়া মিনাল্লাযিনা ইউখলিসূনা ফাইয়ুতাকাব্বালু মিনহুম।
অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি আমাদের জন্য রজব ও শাবান মাসে বরকত দান করুন এবং আমাদেরকে রমজান পর্যন্ত পৌঁছে দিন। হে আল্লাহ! যেমন আপনি আমাদেরকে শাবান মাস পর্যন্ত পৌঁছে দিয়েছেন, তেমনি আমাদেরকে রমযান মাস পর্যন্তও পৌঁছে দিন এবং শাবান, রমজান ও সারা বছর জুড়ে আমাদের আমলসমূহ কবুল করুন। হে আল্লাহ! আমাদের সমস্ত আমলকে একান্তভাবে আপনার জন্য খাঁটি করে দিন। আমাদেরকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করুন-যারা কথা বলে, তারপর সে অনুযায়ী আমল করে; যারা কথা বলে এবং তা একনিষ্ঠতার সাথে করে; আর যারা ইখলাসের সঙ্গে আমল করে, ফলে তাদের আমল কবুল করা হয়।