দেবহাটার রুপসী ম্যানগ্রোভ পিকনিক স্পটটিতে ঈদের ছুটিতে বিনোদনপ্রেমীর উপচেপড়া ভিড়


জুন ৭ ২০১৯

দেবহাটা ব্যুরো: দেবহাটার রুপসী ম্যানগ্রোভ পিকনিক স্পটটিতে ঈদের  ছুটিতে দিনেতে বিনোদনপ্রেমীর উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।  দেবহাটা উপজেলা সহ বিভিন্ন এলাকার মানুষেরা সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত আসছেন এই বিনোদন কেন্দ্রে নিজেদের পরিবার পরিজন সহ আসছেন, নিজেদেরকে কিছুটা প্রশান্তি দিতে। গত কয়েক মাসে প্রশাসনের পৃষ্টপোষকতায় বিনোদন কেন্দ্রটি আকর্ষনীয় করে তোলার কারনে এখানে দর্শনার্থীদের ভিড় বেশী হচ্ছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। গত কয়েক মাস আগে থেকে দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: ইকবাল হোসেনের নির্দেশনায় এই বিনোদন কেন্দ্রটিকে আরো নান্দনিক ও নয়নাভিরাম করে একটি সৌন্দর্যপূর্নভাবে মানুষের চিত্ত বিনোদনের জন্য গড়ে তুলতে ট্রেইল নির্মান ও দিঘীতে প্যাডেল বোর্ড দেয়া, পাকা বেঞ্চ নির্মান, বাঘ সিংহ হরিন কুমির পাখি সহ বিভিন্ন পশু পাখির কৃত্রিমভাবে তৈরী সহ বিভিন্ন কাজ করা হয়েছে। ভারত-বাংলাদেশ বিভাজনকারী ইছামতি নদীর কুল ঘেষে দেবহাটা উপজেলার শীবনগর গ্রামে গত ৪/৫ বছর আগে মানুষের চিত্ত বিনোদনের লক্ষ্যে দেবহাটা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সুন্দরবনের আদলে গড়ে তোলা হয় “রুপসী ম্যানেগ্রাভ” বিনোদন কেন্দ্র। এখানে সুন্দরবন থেকে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ এনে রোপন করা হয়, খনন করা হয় একটি দিঘী, তৈরী করা হয় একটি রেস্ট হাউজ। সেসময় থেকে এখানে দুর দুরান্ত থেকে সাধারন মানুষ সহ প্রশাসনের বড় বড় কর্মকর্তারা আসেন কিছুটা শান্তির পরশ নিতে। দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: ইকবাল হোসেন জানান, রুপসী দেবহাটা ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্রটি দেবহাটা উপজেলার শিবনগর মৌজার ১ নং খতিয়ানের ৩৯৮ নং দাগের ইছামতি নদীর তীরে জেগে ওঠা চরভূমি। যার আয়তন ৩১.৪৬ একর (০৭ একর পুকুরসহ)। দেবহাটা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গড়ে ওঠা ম্যানগ্রোভ বন সাতক্ষীরা জেলার বর্তমানে একটি উল্লেখযোগ্য পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। এ পর্যটন কেন্দ্রে রয়েছে সুন্দরবনের বিভিন্ন প্রজাতির গাছ-গাছালি ও নানা ফলদবৃক্ষ। দুরদুরন্ত থেকে দেশী ও বিদেশী পর্যটকরা এসে বাংলাদেশ ও ভারত সীমান্তবর্তী ইছামতি নদীর সৌন্দর্য এবং রুপসী দেবহাটা ম্যানগ্রোভ বনের অপরুপ সৌন্দর্যে মুগ্ধ হচ্ছেন। ইউএনও আরো বলেন, ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্রটি আরও আকর্ষনীয় করা হলে  রাজস্ব আরো বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে দেবহাটা উপজেলা তথা সাতক্ষীরা জেলার সুনাম বয়ে আনবে বলে ইউএনও জানান। বিনোদন কেন্দ্রটিকে রক্ষনাবেক্ষন এবং নিয়ম শৃঙ্খলা বজায় রাখতে উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে কয়েকজন কর্মচারী সবসময় খুবই আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তবে বিনোদন কেন্দ্রে আসা  খুলনার সোনাডাঙ্গার হাবিবুল্লাহ, সাতক্ষীরার এসএম শহিদ ও পাটকেলঘাটার আনারুল সহ পর্যকটরা সবকিছু ঠিক আছে জানিয়ে বলেছেন, উপজেলা সদর থেকে বিনোদন কেন্দ্র পর্যন্ত নতুন রাস্তার কাজ শুরু হয়েছে বলে দেবহাটা উপজেলা প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। 

শ্যামনগর

যশোর

আশাশুনি


জলবায়ু পরিবর্তন