শ্যামনগরে মৎস্যজীবি সংগঠনের যৌথ সভা অনুষ্ঠিত


জুন ৩ ২০১৯


শ্যামনগর ব্যুরো ঃ বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবি জেলে সমিতি শ্যামনগর উপজেলা শাখা, আওয়ামী মৎস্যজীবিলীগ, জাতীয় মৎস্যজীবি সমিতি শ্যামনগর ও হতদরিদ্র মৎস্যজীবি সমিতির এক যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ২ জুন সকাল ১০ টায় এসকে সেরেস্তায় অনুষ্ঠিত এ সভায় বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবি সমিতির সভাপতি ডাঃ আলী আশরাফের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন- মৎস্যজীবিলীগের সভাপতি প্রভাষক মহিত কুমার মন্ডল, জাতীয় মৎস্যজীবি সমিতির সভাপতি মধুজিৎ রপ্তান, হত দরিদ্র মৎস্যজীবি সমিতির সভাপতি মনসুর আলী, আব্দুস সামাদ ঢালী, আয়ুব আলী, আবুল হোসেন গাইন, সাবেক ইউপি সদস্য আবুল কাশেম, সুপদ হালদার প্রমুখ। বক্তাগণ বলেন, ইলিশ সহ মাছের প্রজনন মৌসুমে বর্তমান ৬২ দিন মাছ ধরা বন্ধ আছে। এ কারনে উপকূলীয় এলাকায় নিবন্ধিত মৎস্যজীবি জেলেরা যাতে তাদের পরিবার বর্গ নিয়ে সুষ্ঠভাবে ঈদ উৎসব পালন করতে পারে সেজন্য প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সকল নিবন্ধিত মৎস্যজীবি জেলেদের মাথাপিছু ৪০ কেজি চাউল (ভিজিএফ) বরাদ্দ দিয়েছেন। শ্যামনগর সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফারুখ হুসাইন সাগর যথা সময়ে স্ব-স্ব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের নিকট বরাদ্দ (ভিজিএফ) চাউলের ডিও পৌছে দিয়েছেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানগণ নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে চাউল বিতরন করছেন না। এছাড়া বিভিন্ন ইউপি সদস্যগন এবং কিছু ব্যক্তি জেলেদের কাছ থেকে ২/৩শত করে টাকা নিচ্ছেন। এঘটনায় বক্তাগণ তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়ে বলেন, ঈদের পূর্বে সকল নিবন্ধিত জেলেদের কাছে চাউল বিতরন না করলে জেলেরা ঈদ করতে পারবে না, অপর দিকে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে। বক্তাগণ আরও বলেন, ঈদের পূর্বে যদি চাউল বিতরন করা না হয় এবং মৎস্যজীবিরা সুষ্ঠভাবে ঈদ করতে না পরে তার জন্য সংশ্লিষ্ট দায়িত্বরতরাই দায়ী থাকবেন বলে সতর্ক করা হয়।

শ্যামনগর

যশোর

আশাশুনি


জলবায়ু পরিবর্তন