কালিগজ্ঞ সংবাদ


মে ২৬ ২০১৯

কালিগঞ্জে অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আলী আর নেই

কালিগঞ্জ ব্যুরো: কালিগঞ্জের কুশুলিয়া ইউনিয়নের বাজারগ্রামের বাসিন্দা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আলী (৮২) আর নেই। শনিবার বেলা ১১ টার দিকে বার্ধক্যজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৩ ছেলে, ১ মেয়ে, আত্মীয় স্বজনসহ বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। রবিবার (২৬মে) সকাল ১০ টায় বাজারগ্রাম রহিমপুর ঈদগাহ ময়দানে মরহুমের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, সাংবাদিক, প্রাক্তন শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে কালিগঞ্জ সরকারি কবরস্থানে দাফন করা হয়। শিক্ষক মোহাম্মদ আলীর মৃত্যুতে কালিগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক নিয়াজ কওছার তুহিন, সাধারণ সম্পাদক উজ্জীবনী ইনস্টিটিউটের প্রধান শিক্ষক ফিফা রেফারী শেখ ইকবাল আলম বাবলুসহ বিভিন্ন সংগঠন, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও শিক্ষার্থীবৃন্দ গভীর শোক জ্ঞাপন, মরহুমের রূহের মাগফিরাত কামনা এবং পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছেন।

কালিগঞ্জের কুশুলিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আবু বক্কর
ও তার পরিবারকে জীবন নাশের হুমকির অভিযোগ

কালিগঞ্জ ব্যুরো: মারপিট করে মারাত্মক জখমের পর মামলা না করার জন্য কুশুলিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সদ্য সাবেক সভাপতি মীর আবু বক্করকে জীবন নাশের হুমকি দিচ্ছেন উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও কুশুলিয়া গ্রামের জামায়াত নেতা ছবিয়ার রহমান ওরফে ফকিরের ছেলে কাজী নুর আহমেদ রনিসহ তার সহযোগীরা। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন কুশুলিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মীর আবু বক্কর কান্নাজড়িত কন্ঠে জানান, মামলা না করার জন্য উপজেলার ছাত্রলীগের সভাপতি কাজী নুর আহমেদ রনি, একই গ্রামের ভুট্টা কাজীর ছেলে অপু হোসেন (১৯), মহসিন কাজীর ছেলে সাজু কাজী (১৯), কাজী শুকুরের ছেলে কাজী হৃদয় (২০), কাজী ইউসুপের ছেলে কাজী আব্দুল্লাহ (১৯), কাজী কদুর আলীর ছেলে কাজী শাহাজালাল, ইকবাল হোসেনের ছেলে ইমরান হোসেন (২৪), কাজী সিদ্দিকুরের ছেলে কুখ্যাত শিবির নেতা সাজিদ হাসান (২৮) সহ অজ্ঞাত ৫/৬ জন সন্ত্রাসী প্রতিনিয়ত তাকে এবং তার অসহায় পরিবারকে জীবননাশের হুমকি প্রদান করছে।
তিনি বলেন, গত বৃহস্পতিবার (২৩ মে) রাতে কাজী নুর আহমেদ রনির নেতৃত্বে যারা তাকে কুপিয়েছে তারা সবাই শিবিরের রাজনীতির সাথে যুক্ত। ২০১৩ সালে তাদের পরিবারের সদস্যরা রনির পিতা ছবিয়ার রহমান ওরফে ফকিরের নেতৃত্বে ব্যাপক নাশকতামূলক কার্যক্রম করেছে কুশুলিয়া এলাকায়। বর্তমানে শিবিরের এসব সদস্য সংঘবদ্ধ হয়ে ছাত্রলীগের নামধারণ করে আমাদের মতো ত্যাগী কর্মীদের উপর হামলা করছে। তারা শুধু আমার উপর হামলা করে শান্ত হয়নি, বর্তমানে আমার পরিবারের উপর হুমকি প্রদান করছে। তিনি বাদী হয়ে গত শনিবার থানায় লিখিত এজাহার দিয়েছেন বলে জানান।

শ্যামনগর

যশোর

আশাশুনি


জলবায়ু পরিবর্তন