শহরের সরকার পাড়ায় লাল্টুর বাড়ির বাথরুম ও গোসল খানার পানিতে রাস্তাঘাট একাকার জনসাধারনের চলাচলে মুশকিল হয়ে পড়েছে


এপ্রিল ২৮ ২০১৯

স্টাফ রিপোর্টাার ॥ সাতক্ষীরা পৌর এলাকার ২ নং ওয়ার্ডের সরকার পাড়ার লাল্টুর বহুতল ভবনের বাথরুম এবং গোসল খানায় ব্যবহাহৃত পানিতে এলাকার রাস্তাঘাট ডুবে একাকার হয়ে গেছে। ওই নোংরা পানি মাড়িয়ে এলাকার বাসিন্দারদের যাতয়াত করতে হচ্ছে। একই ভাবে ওই এলাকাতে মসজিদ থাকায় সাধারন মুসুল্লীগন ওই কাদা পানির কারনে মসজিদে যাতয়াতে মুশকিলে পড়ছেন।

এব্যাপারে ওই এলাকায় বসবাসরত সাধারন মানুষ লাল্টুর বাড়ীতে যেয়ে নোংড়া পানি রাস্তায় না দেয়ার জন্য অনুরোধ করেও কোনো লাভ হয়নি।

তবে লাল্টুর সাফ কথা আপনারা পৌরসভায় জানান। আমার কিছু করার নেই। ব্যবহাহৃত পানি কোথায় দেবো।

এব্যাপারে সরকার পাড়া এলাকার বাসিন্দা সামছুদ্দিন আহমেদ, লিটন হোসেন ও সামছুজ্জামান বাবুসহ একাধিক ব্যক্তি জানান, পৌরভার নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে বহুতল ভবনের মালিক লাল্টু ও তার বাড়ির সমস্ত ভাড়াটিয়াদের ব্যবহাহৃত বাথরুম এবং গোসল খানার নোংরা পানি রাস্তায় ঠেলে দিচ্ছে। তাকে বার বার নিষেধ করার পরও কোনো গুরুত্ব দিচ্ছে না। ফলে এলাকার মানুষজন চলাচলে মুশকিল হয়ে পড়েছে। পথচারিসহ এলাকায় বসবাসরত সাধারন মানুষজন ওই নোংরা পানি মাড়িয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। তাছাড়া এলাকাতে একটি মসজিদ থাকায় পাঁচ ওয়াক্ত মুসুল্লিদের যাতয়াতেও বাধা গ্রস্থ হচ্ছে।

এব্যাপারে লাল্টু জানান, পৌরসভায় যদি ড্রেন না থাকে তাহলে আমার কি করার। বাড়ির ব্যবহাহৃত পানি কোথায় ফেলবো। তাছাড়া আমিতো একা এই পানি ফেলছি না, এলাকার অন্যান্য বাড়ি ওয়ালারাও তাদের ব্যবহাহৃত পানি রাস্তায় দিচ্ছে।

এব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে ২ং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সৈয়দ মাহমুদ পাপা জানান, এলাকাবাসির মাধ্যমে জানতে পেরে সরেজমিনে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পাই। কিন্ত এই মুহুর্তে কোনো বরাদ্ধ না থাকায় জরুরী ভাবে ড্রেন করা সম্ভব হচ্ছে। তার পরও লাল্টুকে পানি রাস্তায় না দেয়ার জন্য বলা হয়েছে।

শ্যামনগর

যশোর

আশাশুনি


জলবায়ু পরিবর্তন