আশাশুনিতে সরকারী নিময়নীতির তোয়াক্কা না করে ইটের পাজা নির্মান ॥ থানায় অভিযোগ দায়ের


জানুয়ারি ২৭ ২০১৯


আশাশুনি প্রতিনিধি : আশাশুনি উপজেলার বড়দলে সরকারী নিয়মনীতিকে তোয়াক্কা না করে পরিবেশ নষ্ট করে জনবসতি এলাকার মধ্যে ইটের পাজা নির্মানের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ইট পাজার ধোয়ায় পরিবেশ নষ্ট হওয়ায় পাজা মালিকের বিরুদ্ধে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের গোয়ালডাঙ্গা গ্রামের মৃত আরমান আলী সানার ছেলে মুনছুর আলী সানা ও তার দুই ছেলে মফিজুল ইসলাম ও সিরাজুল ইসলাম সানা সরকারী নিয়মনীতিকে তোয়াক্কা না করে গায়ের জোরে ইটে পাজা নির্মান করে বে-আইন ভাবে অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। ইট পাজায় আগুন জ্বালানোর জন্য কাঠের যোগান দিতে লোকালয়ের ছোট-বড় গাছ কর্তন হচ্ছে বলে জানাগেছে। পাজার আগুনের তাপে প্রতিবেশী মৃত কওছার আলী সানার ছেলে কামরুল ইসলামের সিমানার ৬টি চারা গাছের মাথা পুড়ে যাওয়া সহ প্রায় বিশ হাজার টাকার মূল্যের ১০টি শিশুগাছ আগুনে পুড়ে যায়। জনবসতি এলাকার মধ্যে ইটের পাজা নির্মানের প্রতিবাদ করায় পাজা মালিক মুনছুর আলী সানা তার দুই ছেলে প্রতিবেশী কামরুল ইসলাম ও স্ত্রী সেলিনা খাতুনকে লোহার রড দিয়ে মারধর করতে ছুটে যায়। এব্যাপারে আশাশুনি থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিপ্লব কুমার নাথ জানান, এব্যাপারে একটি অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত পূর্বক অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া নেওয়া হবে। অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় অভিযুক্ত মুনছুর আলীর ভাই শামছুর রহমান সানাও তার বাড়ীর মধ্যে একটি ইটের পাজা নির্মানের কাজ প্রায় সম্পন্ন করেছেন। এমন জনবসতিপূর্ণ এলাকা থেকে ইটের পাজা গুলি অপসারণের জন্য প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার আশুহস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকার সচেতন মহল।

শ্যামনগর

যশোর

আশাশুনি


জলবায়ু পরিবর্তন