সংবাদ সম্মেলন : জগলুল হায়দারকে মন্ত্রী পরিষদের সদস্য করার প্রত্যয়ে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষন


জানুয়ারি ৫ ২০১৯


নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাতক্ষীরা-৪ আসন থেকে নির্বাচিত সাংসদ এস এম জগলুল হায়দারকে মন্ত্রী পরিষদের সদস্য করার প্রত্যয়ে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষন করে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরায় অবস্থানরত শ্যামনগরের বিভিন্ন পেশারপ্রতিদের আয়োজনে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন, সাতক্ষীরা জজকোর্টের পিপি এড. তপন কুমার দাশ। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা ও শ্যামনগর আইনজীবি পরিষদের আহবায়ক এড. ফজলুল হক, সাতক্ষীরাস্থ শ্যামনগর কল্যাণ সমিতির প্রাক্তন সেক্রেটারি ওয়াজেদুর রহমান, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা কালিদাস রায়, সাতক্ষীরা জজকোর্টের এপিপি জিএম ওকালত হোসেন, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের সহকারি ব্যবস্থাপক জি এম বুলবুল আহমেদ, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জোন্স্যা দত্ত, বাংলা লোকনাট্য ইনস্টিটিউটের সাধারণ সম্পাদক শেখ নাসিম হায়দার রিপন, সুশীলনের সহকারী পরিচালক জি এম মনিরুজ্জামান, সাতক্ষীরা জজকোর্টের এপিপি জেড এম আব্দুল্লাহ আল মামুন, এড. ইয়ারুল হক ও সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি কাজী আক্তার হোসেন, রাজনৈতিক কর্মী মকবুল হোসেন প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, শ্যামনগর আতরজান মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও দৈনিক দক্ষিণের মশাল সম্পাদক অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহী।
বক্তব্যে তিনি বলেন, বর্তমান সাংসদ এস এম জগলুল হায়দার দক্ষিণ বঙ্গে আওয়ামীলীগে প্রতিষ্ঠাতা মরহুম আলহাজ্জ কোরবান আলী সরদারের দৌহিত্র। আলহাজ্ব কোরবান আলী সরদার ৫২’র ভাষা আন্দোলনে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখে, সে পরিবারের উত্তরসূরি হিসেবে এবং গত ৫ বছরে সবচেয়ে জনসম্পৃক্ত জনপ্রতিনিধি হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্নেহভাজন থাকায় মন্ত্রী পরিষদের তাকে সদস্য করা হলে দক্ষিণ অঞ্চলে জননেত্রীর উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখতে পারবে।
তিনি বলেন, জগলুল হায়দার জাতীয় সংসদে ইতোমধ্যে উপকূলীয় মানুষের প্রধান সমস্যা বাধ ব্যবস্থাপনার স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিকে সম্পৃক্ত করার প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ের জন্য জাতীয় সংসদে প্রস্তাপন উপস্থাপন করেন। তিনি ত্রাণ ও দূযোর্গ মন্ত্রনালয়ের স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা সুন্দরবন সংলগ্ন অঞ্চলকে বিশেষ নজরে আনতে সক্ষম হয়। ফলে এলাকায় বরাদ্দের পরিমাণও অন্য এলাকার চেয়ে বেশি পায়।
শ্যামনগর উপজেলাটি চিংড়ী চাষে দেশের রাজস্ব আয়ে ব্যাপক অবদান রেখেই চলেছে। এর সাথে সম্ভাবনার দারপ্রান্তে এখানকার পর্যটন। এখানে সুন্দনবনের মুন্সিগঞ্জ আকাশলীনা, গোপালপুর পিকনিক কর্ণার, হরিচরন জমিদার বাড়ি, বংশীপুর শাহী মসজিদ ও বংশীপুর হাম্মামখানাসহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান রয়েছে। যেটি পর্যটন বিকাশে সহায়ক হিসেবে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে চলেছে। এখানে একজন মন্ত্রীর ছোয়া পেলে এলাকাটি বাংলাদেশের অন্যতম স্বনির্ভর উপজেলায় পরিণত করা সম্ভব বলে মনে করি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত পর্যটন শিল্পে বিপ্লব ঘটাতে নাভারণ থেকে মুন্সিগঞ্জ পর্যন্ত রেল লাইন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে এস এম জগলুল হায়দার অত্র অঞ্চলের ৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণসহ বিভিন্ন প্রকার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে এ অঞ্চলের আপামর সাধারণের প্রাণের দাবি জগলুল হায়দারকে মন্ত্রী হিসেবে পাওয়া।

শ্যামনগর

যশোর

আশাশুনি


জলবায়ু পরিবর্তন