বাংলাদেশে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষে অবস্থান করছে সাতক্ষীরা


জুলাই ২৮ ২০১৮

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় ‘স্বয়ংসম্পূর্ণ মাছে দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০১৮ এর  মূল্যায়ন, পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এসব অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জেলা মৎস্য অফিস।
জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ও ভারপ্রপ্ত জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল হান্নান।

জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ও ভারপ্রপ্ত জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল হান্নান।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. শহীদুল ইসলাম সরদার। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ও ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল হান্নান। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষে অবস্থান করছে সাতক্ষীরা। বর্তমানে যত্রতত্র অপরিকল্পিত ভাবে মৎস্য চাষ করা হচ্ছে। যেটা ঝুকিপূর্ণ ও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করছে। সকলের স্বার্থে পরিকল্পিতভাবে মৎস্য চাষ করতে হবে। জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন, জনগোষ্ঠীর পুষ্টির চাহিদা পূরণ, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ও দারিদ্র্য বিমোচনের সাতক্ষীরা জেলার গুরুত্ব অনেক বেশি।’
তিনি আরো বলেন, ‘এ জেলায় বার্ষিক মৎস্য উৎপাদন হয় ১লক্ষ ৩১ হাজার ৫১৬ মেট্রিক টন। যার মধ্যে জনগণের চাহিদা মিটিয়ে প্রায় ৮৯২২৩ মেট্রিক টন মাছ ও চিংড়ি বিদেশে রপ্তানি এবং অন্যান্য জেলায় সরবরাহ করা হয়। বর্তমানে মৎস্য উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান ৪র্থ। চিংড়ি চাষে সাতক্ষীরা দেশের প্রথম স্থানে থাকলেও তা এখন নানাভাবে হুমকির মুখে পড়ছে। এক্ষেত্রে চিংড়ি পোনার ভাইরাস রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম, সাবেক মন্ত্রী ও বিশিষ্ট মৎস্য ব্যবসায়ী ডা. আবতাবুজ্জামান, বিশিষ্ট সমাজসেবক ডা. আবুল কালাম বাবলা, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ভারপ্রাপ্ত মো. নুরুল ইসলাম প্রমুখ।
অন্যান্যদে মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা তথ্য অফিসার মোজাম্মেল হক, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (সদর) মো.রাশেদুল হক, সদর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. লুৎফর রহমান, বড় বাজার মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আ.স.ম আব্দুর রব ও খুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সভাপতি মো. মোখলেছুর রহমান প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উর্দ্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. নাজমুল হুদা।

শ্যামনগর

যশোর

আশাশুনি


জলবায়ু পরিবর্তন