না ফেরার দেশে বরেণ্য অভিনেত্রী সাতক্ষীরার রানী সরকার


জুলাই ৭ ২০১৮

 নিজস্ব প্রতিনিধি: চলচ্চিত্রের বরেণ্য অভিনেত্রী সাতক্ষীরার রানী সরকার আর নেই। শনিবার ভোররাত চারটার দিকে রাজধানীর ইডেন মাল্টি কেয়ার হাসপাতালে বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান গণমাধ্যমকে বলেন, চলচ্চিত্র জগৎ একজন গুনি অভিনেত্রীকে হারালো। তার শূন্যতা কখনো পূরণ হওয়ার নয়।

তিনি আরও জানান, রানী সরকারকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে দুপুরে তাঁর মরদেহ রাজধানীর তেজগাঁওয়ে চ্যানেল আই কার্যালয়ে নেওয়া হবে। এরপর রানী সরকারের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে এফডিসিতে। এফিডিসিতে নামাজের জানাজা শেষে রানী সরকারকে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হবে।

রানী সরকার সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার সোনাতলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর আসল নাম মোসাম্মৎ আমিরুন নেসা খানম। সোনাতলা গ্রামের ইউপি স্কুল থেকে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করেন। এরপর তিনি খুলনা করোনেশন গার্লস স্কুল থেকে মেট্রিক পাস করেন।

রানী সরকারের অভিনয়জীবন শুরু করেন ১৯৫৮ সালে। শুরুতেই মঞ্চনাটকে অভিনয় করেন। নাটকের নাম ‘বঙ্গের বর্গী’। ওই বছর তাঁর চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় এ জে কারদার পরিচালিত ‘দূর হ্যায় সুখ কা গাঁও’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে। এরপর ১৯৬২ সালে বিখ্যাত চলচ্চিত্রকার এহতেশামুর রহমান পরিচালিত উর্দু চলচ্চিত্র ‘চান্দা’তে অভিনয় করেন। সেই ছায়াছবির পর থেকে তাঁর নতুন নাম হয় রানী সরকার। ‘চান্দা’ চলচ্চিত্রের সাফল্যের পর উর্দু ছবি ‘তালাশ’ ও বাংলা ছায়াছবি ‘নতুন সুর’-এ কেন্দ্রীয় নারী চরিত্রে অভিনয় করেন। এই ছবি দুটি বেশ জনপ্রিয় হয়। গত শতকের ষাট, সত্তর ও আশির দশকে চলচ্চিত্রে তিনি বেশি অভিনয় করেন।

২০১৬ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁকে ২০ লাখ টাকা অর্থ সহায়তা দেন। একই বছর বাংলা চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননা পুরস্কার দেওয়া হয় তাঁকে।

শ্যামনগর

যশোর

আশাশুনি


জলবায়ু পরিবর্তন