সাতক্ষীরা আহ্ছানিয়া মিশনের নির্মাণ কাজে অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন


মে ২ ২০১৮

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি: সাতক্ষীরা আহ্ছানিয়া মিশনের মাল্টি কমপ্লেক্স নির্মাণে অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (০২ মে) দুপুরে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন প্রতিষ্ঠানটির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মুজিব হোসেন নান্নু ও কাজী মনিরুজ্জামান মুকুল।
সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, সাতক্ষীরা আহ্ছানিয়া মিশন খান বাহাদুর আহ্ছানউল্লা (র:) এঁর হাতে গড়া একটি প্রতিষ্ঠান। অথচ এই প্রতিষ্ঠানের একজন (দোকান) ভাড়াটিয়া কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে কোনো সাধারণ সভার অনুমোদন, দরপত্র আহবান, পত্রিকায় বিজ্ঞাপন ছাড়াই মিশনের মাল্টি-কমপ্লেক্স নির্মাণের নামে লুন্ঠণ শুরু করেছেন। তিনি নিজে কিভাবে দোকান বরাদ্দ দিচ্ছেন তা কারও বোধগম্য নয়। নিজের পছন্দ মতো ব্যক্তিদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা গ্রহণ করে মিশনকে স্থায়ীভাবে ঋণগ্রস্ত করছেন। আবু সোয়েব এবেল এই মাল্টি-কমপ্লেক্স নির্মাণের তত্বাবধায়ক পরিচয় দিয়ে মিশনের ‘দোকারঘর’ বরাদ্দ দিচ্ছেন যা তার এখতিয়ার বহির্ভূত। তারা বলেন, আগামী ৫ মে শনিবার, সাতক্ষীরা আহ্ছানিয়া মিশনের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন ২০১৮-২০ সামনে রেখে মিশনের একটি দোকানের ভাড়াটিয়া আবু সোয়েব এবেল নির্বাচনের একটি পক্ষকে জয়ী করতে নগ্নভাবে মাঠে নেমেছেন। মরিয়া হয়ে উঠেছেন উক্ত প্যানেলটি বিজয়ী করার জন্য। তাদের পিছনে অর্থ খরচসহ নানামূখি তৎপরতা চালাচ্ছেন।
সংবাদ সম্মেলনে তারা আরো বলেন, গত ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৭ তারিখে অনুষ্ঠিত কার্যনির্বাহী কমিটির সভার রেজুলেশন খাতায় উল্লেখ আছে ‘মাল্টি কমপ্লেক্স’ নির্মাণ কাজ করতে আবু সোয়েব এবেল ৫০ লক্ষ টাকা ঋণ হিসেবে দিবেন। পরবর্তীতে মিশন কর্তৃপক্ষ পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে দোকান ঘরগুলো বরাদ্দ দিবেন এবং তার ঋণের টাকা পরিশোধ করিতে বাধ্য থাকিবেন। কিন্তু কতিপয় স্বার্থনেষী কর্মকর্তা অবৈধ সুযোগ নিয়ে নিজেদের সুবিধামত করে ভবন নির্মাণ থেকে শুরু করে দোকান ঘর বরাদ্দের লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন বলে সুস্পষ্ট অভিযোগ রয়েছে। ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা কেউ এর প্রতিবাদ করলে তাকে প্রকাশ্যে গালি-গালাজসহ দেখে নেয়ার হুমকি দিচ্ছেন। এমনকি এসব নির্মাণ কাজেও চলছে চরম হরিলুট। সংবাদ সম্মেলনে তারা খান বাহাদুর আহ্ছানউল্লা (র:) এর হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান সাতক্ষীরার আহ্ছানিয়া মিশন থেকে দুর্নীতিমুক্ত করতে জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্টদের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

শ্যামনগর

যশোর

আশাশুনি


জলবায়ু পরিবর্তন