1. faysal.ce@gmail.com : dakshinermashal :
  2. abuhasan670934@gmail.com : Hasan :
  3. sakalctc.bd@gmail.com : Nityananda Sarkar : Nityananda Sarkar
শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ১২:৪৩ পূর্বাহ্ন
২১ চৈত্র, ১৪৩১
Latest Posts
📰কিষান মজদুর ইউনাইটেড একাডেমী স্কুলে ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষে মিলন মেলা অনুষ্ঠিত📰আশাশুনিতে যুগল প্রেমিকার আত্মহত্যা📰জামায়াতকে সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ থেকে মুক্ত ঘোষণা কানাডার ট্রাইব্যুনালের📰বাংলাদেশ ও ড. ইউনূসকে শুভেচ্ছা ট্রাম্পের, সম্পর্ক জোরদারের বার্তা📰সাতক্ষীরায় কাজী আহসান হাবিব সম্রাটের আয়োজনে পথচারীদের ইফতার বিতরণ📰সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ 📰সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা📰ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে ভিজিলেন্স টিম কর্তৃক সাতক্ষীরা পরিবহন কাউন্টারে মনিটারিং📰সাতক্ষীরা আয়েনউদ্দীন মাদ্রাসায় মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন📰চার গোলে ব্রাজিলকে বিধ্বস্ত করলো আর্জেন্টিনা

ঘরে ফিরতে পারেনি অনেকেই

প্রতিবেদকের নাম :
  • হালনাগাদের সময় : শুক্রবার, ২৫ মে, ২০১৮
  • ৫৮১ সংবাদটি পড়া হয়েছে

ঘূর্ণিঝড় আইলার ৯ বছরে খুলনার কয়রা উপজেলার শত কিলোমিটার ওয়াপদার বেঁড়ীবাঁধ অধিকাংশই অরক্ষিত থাকায় যে কোন মহুর্তে ঘটে যেতে পারে আরও একটি আইলা। ৯ বছর আগে জৈষ্ঠের এক দুপুরে দেশের দক্ষিণ অঞ্চলের উপকুলবর্তী এলাকায় আঘাত এনেছিল ঘূর্ণিঝড় আইলা। সে দিন সামুদ্রিক জলোচ্ছাসে উপকূল এলাকায় ওয়াপদার বেঁড়ীবাঁধ ভেঙ্গে প্রবাল জোয়ারে লবন পানি ঢুকে পড়ে উপজেলার ৬ টি ইউনিয়নে এবং ভেসে যায় হাজার হাজার ঘরবাড়ী, মসজিদ, মন্দির, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ পানিতে ভেসে মারা যায় বৃদ্ধ ও শিশু সহ ৪১ জন। ধ্বংস হয় অধিকাংশ পাকা ও কাচা রাস্তা তবে ক্ষতির পরিমাণ আজও প্রকাশ করেনি সরকারি অথবা বেসরকারি কোন প্রতিষ্ঠান। এছাড়া গৃহ হারা অনেকেই আজও বাস করছে ওয়াপদা বেঁড়ীবাঁধ অথবা সরকারি কোন জায়গায়। ২৫ মে ২০০৯ দুপুরে উপজেলার ৭ টি ইউনিয়নের মধ্যে আইলার পানিতে ভেসে যায় কয়রা সদর, মহারাজপুর, উঃবেদকাশি, দঃবেদকাশি, মহেশ্বরীপুর ও বাগালী ইউনিয়ন। এসব ইউনিয়নে অনেক এলাকায় আইলার স্মৃতি এখনও বহন করে চলেছে রাস্তাঘাট,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ মন্দির ও নিম্ম মধ্যবিত্ত মানুষের ঘরবাড়ী। এছাড়া উল্লেখযোগ্য ভাবে আইলার স্মৃতি আজও বয়ে চলেছে সর্বনাসা পবনা বাঁধের পাশ্ববর্তী পূর্ব মঠবাড়ী গ্রামে। এখানে প্রতাপ স্মরণী হাইস্কুল, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহ উত্তরচক কামিল মাদ্রাসায় যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম খেয়া নৌকা পারাপার। অথচ পূর্ব মঠবাড়ী গ্রামের এই রাস্তাটি ইট বিছানো পাকা রাস্তা ছিল এবং জনগুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তায় চলাচল করত প্রতিদিন ছাত্রছাত্রীসহ হাজার হজার মানুষ কিন্তু সেখানে এখন ৪০ থেকে ৫০ ফুট পানি থাকায় পাশাপাশি ৩ টি খেয়া নৌকায় পারাপার হতে হচ্ছে। সরেজমিনে দেখা গেছে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শতশত কোমলমতি ছাত্রছাত্রীদের জীবনের ঝুকি নিয়ে এসব খেয়া নৌকায় পারাপার হতে। কিন্তু আইলার ৯ বছর পরও নির্মাণ হয়নি মহারাজপুর ইউনিয়নের পূর্ব মঠবাড়ী গ্রামের এই রাস্তাটি। অনুরুপ আইলায় গৃহহারা হয়ে ৪নং কয়রা লঞ্চঘাটের পাশে, পবনা, দশাহালিয়া ও পাতাখালী গ্রামে বেঁড়ীবাঁধের উপর আজও অনেকেই বাস করছে। অপর দিকে উপজেলার কপোতাক্ষ, শাকবাড়ীয়া ও কয়রা নদীর শত কিলোমিটার ওয়াপদার বেঁড়ীবাঁধ অধিকাংশ এলাকায় ঝুকিপূর্ণ হলেও সরকারি বরাদ্ধ না থাকায় সংস্কার করা সম্ভব হচ্ছে না। এর মধ্যে অধিক ঝুকিপূর্ণ বেঁড়ীবাঁধের মধ্যে দঃ বেদকাশি জোড়শিং, আংটিহারা, মাটিয়াভাঙ্গা, চরামুখা ও খাসিটানা। উঃ বেদকাশি ইউনিয়নের গাববুনিয়া, কাটকাটা, গাজী পাড়া, গাতিরঘেরি ও কাটমারচর। কয়রা ইউনিয়নের মদিনাবাদ লঞ্চঘাট, ২নং কয়রা, হরিণখোলা ও ৪নং কয়রা লঞ্চঘাট। মহারাজপুর ইউনিয়নের মঠবাড়ী, দশহালিয়া, আটরা, গোবিন্দপুর ও লোকা। মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের শেখ পাড়া, নয়ানি, হড্ডা ও কালীবাড়ী লঞ্চঘাট। এসব এলাকায় খবর নিয়ে জানা গেছে আমাবশ্যা ও পূর্ণিমায় অধিক জোয়ারের সময় অনেক স্থান দিয়ে বেঁড়ীবাঁধ ছাপিয়ে লবন পানি ভেতরে প্রবেশ করে। এ বিষয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্থানীয় শাখা কর্মকর্তা মশিউর রহমানের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, ঝুকিপূর্ণ বেঁড়ীবাঁধের যে পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ দরকার সে পরিমাণ অর্থ না পাওয়ায় অনেক এলাকা অরক্ষিত রয়েছে। তিনি বলেন জরুরি কোন বরাদ্দ এই মহুর্তে না থাকায় ক্ষতি গ্রস্থ এলাকার জন্য অর্থ চাওয়া হয়েছে কিন্তু অর্থ পেতে দেরি হওয়ায় এবং চাহিদা মত অর্থ না পাওয়ায় সময় মত কাজ করা সম্ভব হয় না। উপজেলা চেয়ারম্যান মাওঃ আখম তমিজউদ্দীন এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমি বিভিন্ন ইউনিয়নের বেঁড়ীবাঁধের ঝুকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্থানীয় কর্মকর্তা এবং পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ে সচিব মহোদয়ের সাথে কথা বলেছি, সচিব মহোদয় কয়রা উপজেলার ঝুকিপূর্ণ বেঁড়ীবাঁধ পরিদর্শনের জন্য খুব শীঘ্রই কয়রা উপজেলায় আসবেন বলে জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেন উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন ইউনিয়নে এবং স্থানীয়ভাবে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিমুল কুমার সাহা জানান,বিভিন্ন ইউনিয়নে আশ্রয়ন প্রকল্পে ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে এবং গৃহহারাদের সেখানে পূর্ণবাসন করা হবে। তবে দঃ বেদকাশি ইউপি চেয়ারম্যান কবি শামছুর রহমান জানান তার ইউনিয়নে চারদিকে নদী বেষ্ঠিত এবং অধিকাংশ বাঁধ অরক্ষিত থাকায় ইউনিয়নের ৩২ হাজার জনগণ সব সময় আতঙ্কের মধ্যে আছে। অথচ পাউবোর কর্মকর্তাদের বার বার জানানো সত্বেও গুরুত্ব না দেওয়ায় যে কোন মহুর্তে ভেসে যেতে পারে সমগ্র ইউনিয়ন।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর :
© All rights reserved © 2025
প্রযুক্তি সহায়তায়: csoftbd