অভিযোজন


মার্চ ৩০ ২০১৮

আমার ভিতর একটা বাবুইপাখি ছিলো,
হাতে ছিলো সরল বুননশৈলী
একটা খরগোশ ছিলো , আর ছিলো কচ্ছপ,
নিজের ভিতরে দৌড়ঝাঁপ করে গড়পড়তা জীবন।
দৌড় দেখে যারা যারা হাততালি দিয়েছেন
তাদের অনেকেই ছিলেন মাংসাশী।

শরীরে এখন শজারুর ঢাল আঁকতে জানি,
জিহ্বাকে লম্বালম্বি দুভাগ করে
দাঁতের নিচে খনন করতে পারি হেমলকের কুয়ো,
শিখেছি গোলাপকে ধুতরায় রূপান্তরের মন্ত্র,
বুকের ভিতর গজিয়ে নিতে জানি প্রকা- আর্সেনাল,
এখন গর্জন দিয়ে বার্তালাপ শুরু করে
মাংসাশীদের চিনে নিতে পারি সহজে।

শ্যামনগর

যশোর

আশাশুনি


জলবায়ু পরিবর্তন